১৬ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।২রা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।রবিবার

মধ্যপাড়া মসজিদ পরিচালনার দায়িত্বে রহমতুল্লাহ খাজা,রেজাউল ও মুসা।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

মোঃমহিউদ্দিন বাঘাইছড়ি,প্রতিনিধিঃ-

 

রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়িতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে, উৎসব মূখর পরিবেশে “মধ্যপাড়া জামে মসজিদ” পরিচালনা কমিটির” নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

সোমবার (৩০ আগষ্ট) বাঘাইছড়ি বায়তুশ শরফ কমপ্লেক্সে মধ্যপাড়া সমাজের আঠারোউর্ধ বয়সী পুরুষ নাগরিকের প্রত্যক্ষ ভোটে ব্যালট পেপারের মাধ্যমে ৩ টি বুথে সকাল ৯ টা থেকে বিকাল ৫ টা পর্যন্ত মসজিদ পরিচালনা কমিটির নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ভাবে সম্পন্ন করা হয়েছে।

 

উক্ত নির্বাচনে মোট তিনটি পদে ৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। সভাপতি পদে মোঃ রহমতুল্লাহ খাজা – চেয়ার মার্কা ২১২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছে, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী

মোঃ হারুনর রশীদ, দোয়াদ কলম ৯৩ ভোট পেয়েছে।

সেক্রেটারি পদে মোঃ রেজাউল করিম – আনারস মার্কা ১৮৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছে। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মোঃ

শাহিন আলম- আম মার্কা ১০৫ ভোট পেয়েছে।

কোষাধ্যক্ষ পদে মোঃ হুমায়ুন কবির মুসা- গোলাপ ফুল মার্কা ২০৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছে। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মোঃ রাশেদুল ইসলাম – শাপলা মার্কা ৮৯ ভোট পেয়েছে।

 

ভোট কেন্দ্র পরিদর্শন করে বাঘাইছড়ি উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল কাইয়ুম, বাঘাইছড়ি থানা অফিসার ইনচার্জ আনোয়ার হোসেন খান। সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বাঘাইছড়ি থানার এ আই ইমতিয়াজ মাহমুদের নেতৃত্বে পুলিশের নজরদারিতে ছিলো।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি