২৪শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।১০ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।শুক্রবার

মতলব দক্ষিণে ৮টি টিকা কেন্দ্র পরিদর্শন।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

মোঃ রিফাত পাটোয়ারী চাঁদপুর জেলা প্রতিনিধি ঃ

 

চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণের ৮টি টিকা কেন্দ্রে ৪ হাজার ৮শ জনকে করোনা টিকা প্রদান করা হয়েছে। ৭ আগস্ট শনিবার টিকা কেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন উপজেলা চেয়ারম্যান বিএইচএম কবির আহমেদ, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফাহমিদা হক, মতলব পৌরসভার মেয়র আওলাদ হোসেন লিটন, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফেরদৌসী বেগম রুনু। এ সময় সঙ্গে ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. গোলাম কাওসার হিমেল, মতলব দক্ষিণ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ মহিউদ্দিন মিয়া, উপাদী দক্ষিণ ইউপি চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা, উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা এম.এ আজিজ বাবুল, তোফাজ্জল হোসেন, খাদেরগাঁও ইউপি চেয়ারম্যান সৈয়দ মঞ্জুর হোসেন রিপন মীর, নায়েরগাঁও দক্ষিণ ইউপি চেয়ারম্যান আঃ আল মামুন, নায়েরগাঁও উত্তর ইউপি চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান সেলিম, নারায়নপুর ইউপি চেয়ারম্যান জহিরুল মোস্তফা তালুকদার, উপাদী উত্তর ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ শহীদ উল্লাহ প্রধান, রোটারী ক্লাব মতলবের প্রেসিডেন্ট রোটাঃ শ্যামল চন্দ্র দাসসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। সকাল ৯টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত টিকা দেয়া হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফাহমিদ হক জানান, টিকা গ্রহণকারীদের মধ্যে মুক্তিযোদ্ধা, বয়ষ্ক, বিধবা, প্রতিবন্ধীরা ছিল। প্রধামন্ত্রীর প্রতিশ্রæতি অনুযায়ী ধাপে ধাপে সকলকেই টিকা প্রদান করা হবে। উপজেলা স্বাস্থ্য পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ গোলাম কাওসার হিমেল জানান, একটি পৌরসভা ও ছয়টি ইউনিয়নে মোট ৮টি টিকা কেন্দ্রে ৪৮০০জনকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে টিকা প্রদান করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে সকলকেই টিকা প্রদান করা হবে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি