১৪ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৩১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।শুক্রবার

মগরাহাট পশ্চিমে আয়ারাম ও গয়ারায় তৃনমূল দলে প্রবেশ করে পুরাতন তৃনমূল দলের কর্মীরা ফুটে।।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

কলকাতা থেকে নিউজ দাতা মনোয়ার ইমাম।

সম্প্রতি দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলার অন্তর্গত মগরাহাট পশ্চিমে কিছু দিন আগে সদ্য বিজেপি ও আই এস এফ এবং ভারতের জাতীয় কংগ্রেস থেকে কিছু নেতা ও কর্মী বিজেপি নেতা শ্রী জয়ন্ত চৌধুরীর হাত ধরে সরাসরি তৃনমূল দলে যোগদান করা কে কেন্দ্র করে এবং ঔ সব নেতা ও কর্মীদের কে পুরাতন নেতা ও কর্মীদের মাথার উপর বসিয়ে দেওয়া কে কেন্দ্র করে জেলা রাজনীতিতে তোলপাড় শুরু হয়েছে। কারণ গত বিধান সভা নির্বাচন এখনো ছয়মাস পার হয়নি। গত বিধান সভা নির্বাচন এ মগরাহাট পশ্চিমের সাবেক পশ্চিম বাংলার মাদ্রাসা শিক্ষা দপ্তরের মন্ত্রী এবং বর্তমান মগরাহাট পশ্চিমের বিধায়ক জনাব গিয়াসউদ্দিন মোল্লা কে হারিয়ে দিতে বিজেপি প্রার্থী শ্রী মানব সাহা ও আই এস এফ প্রার্থী জনাব মইদুল ইসলাম কে জেতাতে রাতদিন করে ছিল সেই সব নেতা ও কর্মীদের কে ভোটের ফর বের হওয়ার পর কেউ মান ও পিঠ এবং কেউ ব্যাবসা বানিজ্য বাচাতে মগরাহাট পশ্চিমের তৃনমূল দলের নেতা ও বিধায়ক জনাব গিয়াসউদ্দিন মোল্লা এবং জেলা পরিষদের সদস্য শ্রী মতি তন্দ্রা পুরকায়স্থ সাথে যোগাযোগ করে তৃনমূল দলের মধ্যে প্রবেশ করে। কিন্তু তাদের প্রবেশ ও তৃনমূল দলে যোগদান করে পদ পাওয়া কে কেন্দ্র করে পুরাতন নেতা ও তৃনমূল দলের কর্মীরা ক্ষোভে ফেটে পড়ে। তাদের দাবি তাদের দলের বর্তমান নেতা ও বিধায়ক এবং দলের নেত্রী কিছু পাওয়ার জন্য তাদেরকে পদ পাইয়ে দেবার চেষ্টা করেন পারাতন নেতা ও কর্মীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তাদের দাবি যারা দীর্ঘদিন তৃনমূল দলের হয়ে অক্লান্ত পরিশ্রম ও অর্থ খরচ করে দল ও দলের বিধায়ক এবং এম পি ও জেলা পরিষদ ও পঞ্চায়েত ভোটে জীবন দিয়ে লড়াই করল আজ তাদের কে বাদ দিয়ে অর্থের বিনিময়ে দলের মধ্যে নিয়ে পুরাতন নেতা ও কর্মীদের উপর চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাদেরকে তারা মানবেন না। তা নিয়ে দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলার নতুন তৃনমূল দলের গ্রামীণ সভাপতি শ্রী যগোরন্জন হালদার ও পশ্চিম বাংলার তৃনমূল দলের সম্পাদক জনাব শওকত মোল্লা ও পশ্চিম বাংলার তৃনমূল দলের সাধারণ সম্পাদক শ্রী অভিষেক ব্যানার্জী ও পশ্চিম বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে জানিয়েছেন। তাদের দাবি বিজেপি নেতা শ্রী জয়ন্ত চৌধুরীর নেতৃত্বে ও ভারতের জাতীয় কংগ্রেস থেকে আসা উস্হি ব্লক সভাপতি কে কোন ভাবে পুরাতন নেতা ও কর্মীদের মাথার উপর না বসিয়ে দেয়। যা নিয়ে ইতিমধ্যে মগরাহাট পশ্চিমের রাজনৈতিতে তোলপাড় শুরু হয়েছে। পুরাতন নেতা ও কর্মীদের অনেকের বক্তব্য বিভিন্ন দল থেকে তৃনমূল দলে যোগদান করতে আসা নেতা ও কর্মীদের স্বাগত। কিন্তু তাই বলে তাদের মাথার উপর তুলে ধরার চেষ্টা কোন মতে মানবেনা তৃনমূল দলের নেতা জনাব ইমরান মোল্লা ও ব্লক তৃনমূল দলের নেতা সব্যসাচী গায়েন এবং জেলা পরিষদ সদস্য শ্রীমতী সঙ্গীতা হালদার ও তৃনমূল দলের নেতা আক্তার হোসেন খোকন এবং সাবেক কর্মকর্তা পঞ্চায়েত সমিতি জনাব সেখ নুরুজ্জামান মন্টু ও মগরাহাট পশ্চিমের জয়হিন্দ বাহিনীর চেয়ারম্যান জনাব ইন্তিয়াজুল কাজী সহ বহু নেতা নেত্রীরা। তাদের দাবি মগরাহাট পশ্চিমের বিধায়ক জনাব গিয়াসউদ্দিন মোল্লা ও জেলা পরিষদ সদস্য শ্রী মতি তন্দ্রা পুরকায়স্থ এবং অপর জেলা পরিষদ সদস্য জনাব মুজিবুর রহমান মোল্লা এই কাজে যুক্ত আছেন। তাদের দাবি তারা তৃনমূল দলের হয়ে কাজ করতে গিয়ে তৃনমূল দলে সদ্য যোগদান কারি নেতা ও কর্মীদের দ্বারা গত বিধান সভা নির্বাচনে আক্রান্ত হয়েছিল তাদের কে সহজেই তারা মাথার উপর বসিয়ে দিলে তাদের কে মানবেন না। এখন দেখার বিষয় এই লড়াইয়ে আসলি ও পুরাতন তৃনমূল দলের নেতা ও কর্মীদের জয় হয় কিনা। না নব তৃনমূল দলের নেতা ও কর্মীদের তাদের মাথার উপর বসিয়ে দেয় জেলা ও প্রদেশ নেতৃত্ব তার জন্য অপেক্ষা করতে হবে।

 

 

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি