১৮ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৪ঠা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।মঙ্গলবার

ভান্ডারিয়া আবাসিক বিদ্যুৎ প্রকৌশলীর বিদায় সংবর্ধণা ও বরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

ভান্ডারিয়া আবাসিক বিদ্যুৎ প্রকৌশলীর বিদায় সংবর্ধণা ও বরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

এম এফ এইচ রাজু
পিরোজপুর প্রতিনিধিঃ

পিরোজপুরের ভান্ডারিয়ায় গতকাল বৃহস্পতিবার উপজেলা আবাসিক বিদ্যুৎ প্রকৌশলীর বিদায় সংবর্ধণা এবং নবাগত প্রকৌশলীর বরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এ উপলক্ষে দুপুরে প্রকৌশলীর কার্যালয়ে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুর রহিম বিদ্যুৎ বিক্রয় ও বিপনন কোম্পানী ঝালকাঠী।

নবাগত ভান্ডারিয়া উপজেলা আবাসিক বিদ্যুৎ প্রকৌশলী আ. সালাম এর সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন অবসর জনিত কারনে বিদায়ী প্রকৌশলী মো.দেলোয়ার হোসেন খান, জাতীয় পার্টি-জেপির উপজেলা যুগ্ম আহবায়ক ও পৌর কাউন্সিলর মো.গোলাম সরওয়ার জোমাদ্দার, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফাইজুর রশিদ খশরু জোমাদ্দার, দিপক কুমার মিস্ত্রি আবাসিক প্রকৌশলী ও বিদ্যুৎ বিক্রয় বিপনন কাঠালিয়া, মো. লুৎফর রহমান আবাসিক প্রকৌশলী ঝালকাঠী, মো. ফিরোজ সর্নামত আবাসিক প্রকৌশলী নলছিটি,মো. এনায়েত হোসেন উপ-সহকারী প্রকৌশলী ভান্ডারিয়া,মো.জাকির হোসেন এসবিএ,মো.শাখাওয়াত হোসেন এসবিএ ও মো. বাইজিদ লাইনম্যান ভান্ডারিয়া বিদ্যুৎ বিভাগ প্রমুখ।

পরে বিদায়ী প্রকৌশলীকে পৃথক ভাবে ভান্ডারিয়া উপজেলা বিদ্যুৎ বিভাগ ও ঝালকাঠী বিদ্যুৎ বিভাগ থেকে সম্মাননা ক্রেস্ট ও ফুলের শুভেচ্ছা জানানো হয় এবং নবাগত প্রকৌশলীকে ফুলের শুভেচ্ছা জানিয়ে বরণ করেণ প্রধান অতিথি।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি নির্বাহী প্রকৌশলী বলেন, আপনারা সবাই নিয়মিত বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করলেই আমাদের বেতন পাব আর তা দিয়ে সংসার চালাতে পারব। তাই সবাইকে সঠিক সময়ে বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করার জন্য অনুরোধ জানান।

এ ছাড়া অন্য আবাসিক প্রকৌশলীগণ তাদের বক্তব্যে বলেন , ২০০৭-’০৮ সালে দেশের বিদ্যুতের অবস্থা খুব নাজুক ছিল। ২০১২ সাল থেকে বর্তমান প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা সারাদেশে নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুতের ঘোষণার প্রেক্ষিতে আজ ২০২১ সালে সে লক্ষ্য পুরণ হওয়ার দ্বারপ্রান্তে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি