১৮ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৪ঠা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।মঙ্গলবার

ভাণ্ডারিয়ায় গৃহবধূ আত্মহত্যার ঘটনায় ৪ জনকে আসামী করে মামলা।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

এম এফ এইচ রাজুপিরোজপুর প্রতিনিধিঃ

 

পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ায় গৃহবধূ জান্নাতুল ফেরদৌস মুনমুন আত্মহত্যার ঘটনায় আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগ এনে মামলা করেছে গৃহবধূর মামা ।

 

মামলায় মুনমুন এর স্বামী তরিকুল আলম সুমন (৩৪), ননদ সুমনা ফেরদেীসি নুপুর (৩৮) ও শ্বাশুরী অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক হোসনে আরা ফেরদেীস (৬৫), ও তার শ্বশুর হুমায়ুন কবির সোহরাব হাওলাদারসহ মোট ৪ জনকে আসামী করে তার মামা মো. এমাদুল হক সোমবার রাতে ভাণ্ডারিয়া থানায় এ মামলাটি দায়ের করেন।

 

পুলিশ চার আসামীর মধ্যে ৩ জনকে প্রেপ্তার করে জেল হাজতে প্রেরণ করেছে। তবে তার শ্বশুর হুমায়ুন কবির সোহরাব হাওলাদার পলাতক রয়েছে।

 

রোববার দুপুরে পৌর শহরের ছোট কানুয়া মহল্লার শিরিন মঞ্জিল থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় জান্নাতুল ফেরদৌস মুনমুন (২৮) নামের ওই গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

 

মামলার এজাহার সূত্রে জানাগেছে, ভান্ডারিয়া পৌর এলাকার ছোট কানুয়া মহল্লার সোহরাব হোসেন হাওলাদারের ছেলে ভাণ্ডারিয়া পৌর শহরে সুমন ট্রেডার্স নামে ইলেট্রনিক্স ব্যবসায়ী তরিকুল আলম সুমনের সাথে গত ৫ বছর আগে কাউখালী উপজেলার কেউন্দিয়া গ্রামের আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীরের মেয়ে মুনমুনের বিয়ে করে। মুনমুন সুমনের দ্বিতীয় স্ত্রী।

 

বিয়ের তিন বছর পর থেকে স্বামী পরকিয়ায় জড়িয়ে পড়ে এবং এতে বাধা দিলে প্রায়শই মুনমুনকে তার স্বামী ও তার পরিবারের সদস্যরা বাক বিতন্ডায় জড়িয়ে পড়ত এবং মারধর করত।

 

ভান্ডারিয়া থানার অফিসার ইন চার্জ (ওসি) মো: মাসুমুর রহমান বিশ্বাস জানান, এ ঘটনায় আত্মহত্যায় প্ররোচনার অপরাধে ৩০৬ ধারায় একটি মামলা হয়েছে। প্রধান আসামী তরিকুল আলম সুমনসহ তিন জনকে গ্রেপ্তার করে মঙ্গলবার জেল হাজতে প্রেরন হয়েছে। অন্য এক আসামী পলাতক থাকায় তাকেও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি