২২শে জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৮ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।শনিবার

ভাণ্ডারিয়ায় কলেজ ছাত্রীর মৃতদেহ উদ্ধার।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

এম এফ এইচ রাজু পিরোজপুর প্রতিনিধিঃ

 

পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ায় আফসানা আক্তার (২২) এক কলেজ শিক্ষার্থীর মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আফসানা আক্তার পিরোজপুর সরওয়ার্দী কলেজে অনার্স শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী৷ আফসানা আক্তার ভাণ্ডারিয়া উপজেলার ২ নং নদমুলা শিয়ালকাঠী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের আলম হাওলাদার এর মেয়ে।

 

আফসানার পিতা আলম হাওলাদার জানান, গত এক বছর আগে আফসানার নয়ন নামের একটি ছেলের সাথে সম্পর্কের মাধ্যমে বিয়ে হয়। কিন্তু তার সাথে বুনিবোনাত না হওয়ায় কিছুদিন পরেই আফসানার বিবাহ বিচ্ছেদ হয়।

 

এর পরে উপজেলা পৌর শহরের ২ নম্বর ওয়ার্ড এলাকায় বসবাসরত খলিলুর রহমানের ছেলে সৌদী প্রবাসী সজিবের সাথে মোবাইল ফোনে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে এবং পারিবারিক ভাবে ভিডিও কলের মাধ্যমে তাদের বিবাহ সম্পন্ন হয়েছিল। কিন্তু কিছুদিন ধরে উভয়ের মধ্যে কথার কাটাকাটি হয়ে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।

 

এরপর থেকে আফসানা একাকীত্ব বোধ করতে থাকে এবং আমরা তাকে বিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলে সে তাতে রাজি হচ্ছিল না কিন্তু এ বিষয়ে আমরা আফসানাকে কোনো প্রকার বাধ্য করি নি বিয়ে দেওয়ার জন্য, এমন অবস্থায় সবকিছু স্বাভাবিক ছিল, এমনকি আফসানার আত্মহত্যার ১০ মিনিট আগে পর্যন্ত সবকিছুই স্বাভাবিক ছিল৷ কিন্তু ঠিক কী কারণে আফছানা আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছে তা আমাদের বোধগম্য নয়।

 

আফসানার ছোট ভাই আফ্রিদী জানান, গতকাল শনিবার দিবাগত রাতে আফছানা প্রতিদিনের ন্যায় রাতের খাবার শেষে মায়ের সাথে ঘুমিয়ে পড়ে এবং রবিবার সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে নিজ ঘরের আড়ার সাথে ওড়না পেচিয়ে আত্মহত্যা করে ।

 

এ বিষয়ে ভাণ্ডারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো: মাসুমুর রহমান বিশ্বাস জানান, এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যুর মামলা রুজু করা হয়েছে। ময়নাতদন্তর রিপোর্টের জন্য মৃত দেহ পিরোজপুর মর্গে পাঠানো হয়েছে। সুরাতহাল রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর মূল রহস্য জানা যাবে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি