১৪ই জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৩০শে আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।রবিবার

বৃহত্তর বাকলিয়া মরহুম আফতাবুর রহমান শাহিন শোকসভা পরিষদের উদ্যোগে দোয়া মাহফিল।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

ইসমাইল ইমন চট্টগ্রাম মহানগর প্রতিনিধি।

 

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি’র আহ্বায়ক ডা.শাহাদাত হোসেন বলেছেন, বাকলিয়া থানা বিএনপি’র তরুণ সাধারণ সম্পাদক মরহুম আফতাবুর রহমান শাহীনকে করোনা আমাদের কাছ থেকে কেডে নিয়েছে । নিরহংকারী, নির্লোভ, দানবীর ও কারা নির্যাতিত দলের ত্যাগী নেতাছিলেন আফতাবুর রহমান শাহীন। ছাত্রদল থেকে উঠে আসা এই তরুণ বিএনপি নেতা বাকলিয়া থানার বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের মত গুরুদায়িত্ব পালন করেছিলেন। দলের দুঃসমযে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে সরকারের ষড়যন্ত্রমূলক মামলার শিকার হয়ে জেলে পর্যন্ত গিয়েছিলেন। আফতাবুর রহমান শাহীন এত জেল-জুলুম হুলিয়ার মধ্যেও এলাকার গরিব অসহায় মানুষের পাশে ত্রাণ নিয়ে হাজির হতেন এবং আমাকে ফোন করে বলতেন শাহাদাত ভাই আগামিকাল ত্রাণ দিচ্ছি অমুক জায়গায় আসতে হবে। আজকে আফতাবুর রহমান শাহিন নেই কিন্তু তার রাজনৈতিক কর্মযজ্ঞ গুলো ভুলার নয়।

ডা.শাহাদাত হোসেন আরো বলেন, আফতাবুর রহমান শাহীন যখন মারা যায় তখন আমি জেলে ছিলাম। আমার কাছে যখন সংবাদ পৌঁছে আফতাবুর রহমান শাহিন আর নেই, আমি বিশ্বাস করতে পারি নাই। আমাদের এই তরুণ নেতা আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন। করোনা আমাদের অনেক নেতাকে হারিয়েছি যারা দলের জন্য নিবেদিত প্রাণ ছিলেন। আফতাবুর রহমান শাহীন এর মত নিঃস্বার্থবান নেতা সৃষ্টি করতে পারলেই দল ও সমাজ উপকৃত হবে। আজ ১৯ নভেম্বর, শুক্রবার, বাদে জুমা দক্ষিণ বাকলিয়া নয়া মসজিদ মাঠে বৃহত্তর বাকলিয়া মরহুম আফতাবুর রহমান শাহীন শোকসভা পরিষদ উদ্যোগে খতমে কোরআন ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্য এই সব কথা বলেন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে দক্ষিণ জেলা বিএনপি’র আহবায়ক আলহাজ্ব আবু সুফিয়ান বলেন, দলের দুঃসময়ে বাকলিয়া থানার সাধারণ সম্পাদক আফতাবুর রহমান শাহীন কাজ করে গেছেন। আমি যখন মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি ছিলাম তখন থেকে দেখেছি বাকলিয়া ছাত্রদলকে সুসংগঠিত করতে অগ্রণী ভূমিকা ছিল তার।ছাত্রদল থেকে উঠে আশা ত্যাগী বিএনপি নেতা আফতাবুর রহমান শাহীন স্মৃতির পাতায়।

বৃহত্তর বাকলিয়া মরহুম আফতাবুর রহমান শাহীন শোকসভা পরিষদ উদ্যোগে খতমে কোরআন ও দোয়া মাহফিলে বাকলিয়া থানা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান শাহীন আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া ও মুনাজাত করা হয় এছাড়াও তিন তিনবারের প্রধানমন্ত্রী, বিএনপি চেয়ারপারসন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দীর্ঘায়ু, শারীরিক সুস্থতা ও রোগমুক্তি কামনা করা হয়। পাশাপাশি বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের দীর্ঘায়ু কামনা করা হয় এবং স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও আরফাত রহমান কোকোর আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করেন চাকতাই নতুন মসজিদের পেশ ইমাম মৌলানা ওয়াহিদুল আলম ।

বৃহত্তর বাকলিয়া মরহুম আফতাবুর রহমান শাহীন শোকসভা পরিষদের আহবায়ক মোঃ সেকান্দর এর সভাপতিত্বে সদস্য সচিব হাজী নবাব খান এর সঞ্চালনায় দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন নগর বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য অধ্যাপক নুরুল আলম রাজু, আনোয়ার হোসেন লিপু, বিএনপি নেতা ইসহাক চৌধুরী আলিম, মোঃ শাহজাহান, ইউনুস চৌধুরি হাকিম, হাসেম সওদাগর, ইসমাইল বাবুল, মোঃ খোরশেদ আলম, আলী ইউসুফ, এস এম সেলিম, হাজী ইমরান উদ্দিন, মোহাম্মদ ইয়াকুব চৌধুরী নাজিম, শেখ মোঃ আলাউদ্দিন, মোঃ খোরশেদ, মোহাম্মদ আলমগীর, মোঃ মজিবুর রহমান, মামুনুর রশিদ মামুন, ইয়াকুব খান বাবু, মনজুর আলম মঞ্জু, মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম, আবুল কালাম আবু, মোহাম্মদ ইলিয়াস,আসাদুর রহমান টিপু, মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন, আজিজুল হক মাসুম, আব্দুস সোবাহান, মোহাম্মদ বেলাল, মোহাম্মদ ইউনুস, আবু বক্কর সিদ্দিক, মোহাম্মদ ফারুক, মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, মোঃ নুরুল আলম, মোঃ ইয়াকুব খান, মোহাম্মদ দুলাল, মোঃ শামীম আহমেদ, শওকত গাজী, মোহাম্মদ রফিক, মোঃ জনি প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

মুক্তাগাছা প্রতিনিধি:

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুরের দায়ের কোপে ভাতিজা বউ শিউলী আক্তার খুন হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার সকাল ৭টার দিকে উপজেলার বাঁশাটি ইউনিয়নের গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানাযায়, উপজেলার গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামের বাসিন্দা সিএনজি চালক শরিফুল ইসলামের স্ত্রী শিউলী আক্তার (৩০) স্বপরিবারে ঘুমাচ্ছিল। এ সময় তার চাচা শ্বশুর মৃত নেওয়াজ আলীর পুত্র সোলায়মান মিয়া তাদেরকে ডাকা ডাকি করে ঘর থেকে বের হতে বলে। দরজা খুলে শরিফুল ও তার স্ত্রী শিউলী ঘর থেকে বের হলে সোলায়মান তাদেরকে অকথ্য ভাষায় গালিগালজ করে। এক পর্যায়ে সোলায়মানের হাতে থাকা দা দিয়ে এলোপাতারি কোপাতে শুরু করে। সোলায়মান দা’ দিয়ে শিউলীর ঘাড়ে কোপ দিলে শিউলী ঘটনাস্থলেই মারা যায়। পরে সোলায়মান দা নিয়ে শরিফুলকে ধাওয়া দিলে শরিফ প্রাণ বাঁচাতে পুকুরে লাফ দিয়ে প্রণে বাঁচায়। পরে প্রতিবেশীরা এসে তাকে উদ্ধার করে।
নিহত শিউলী একই উপজেলার মুজাটি গ্রামের মৃত হামেদ আলীর মেয়ে। গত ১২ বছর আগে তাদের বিয়ে হয়। শিউলর ৫ মাসের মেয়ে শিশুসহ ৩ কন্যা সন্তান রয়েছে।
উল্লেখ্য গত শুক্রবার বিকেলে শিউলীর ৬ বছরের মেয়ে লামিয়া এর সাথে সোলায়মানের পুত্রের তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে ঝগড়া হয়। সেই ঝগড়ার জেরেই সকালে নিহতের বাড়িতে এসে তাদের ঘুম থেকে ডেকে এ খুনের ঘটনা ঘটান।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে মুক্তাগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) জহিরুল ইসলাম মুন্না জানান, শনিবার সকালে উপজেলার গোয়ারী উত্তর গ্রামে হত্যার ঘটনা ঘটে। থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে পাঠায়। মামলার প্রস্তুতি চলছে। এঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুড়ের দায়ের কোপে ৩ সন্তানের জননী খুন।

অররবিন্দ কুমার মণ্ডল, কয়রা, খুলনা ঃ

প্রেমিকাকে ভিডিও কলে রেখে আসাদুল ইসলাম (১৯) নামে কয়রার এক কলেজছাত্র গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।

৯ জুলাই, মঙ্গলবার ভোরে আসাদুলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সে খুলনার কয়রা উপজেলার মহেশ্বরীপুর গ্রামের নজরুল ইসলাম সরদারের ছেলে। আমাদী জায়গীমহল খান সাহেব কোমর উদ্দীন কলেজে দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র ছিলেন তিনি। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এক বছর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি মেয়ের সঙ্গে পরিচয় হয় আসাদুলের। পরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে প্রেমিকাকে বিয়ের প্রস্তাব দেন কলেজছাত্র আসাদুল। কিন্তু প্রেমিকা বিয়েতে রাজি না হওয়ায় তাকে ভিডিও কলে রেখে নিজ ঘরের আড়ার সঙ্গে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে জানা গেছে।

কলেজছাত্রের প্রতিবেশী ও স্থানীয় ইউপি সদস্য মিজানুর রহমান বলেন, আসাদুল ইসলামের সঙ্গে উত্তরবঙ্গের একটি মেয়ের প্রেমের সম্পর্ক ছিল বলে জানতাম। মেয়েটির সঙ্গে কয়েকবার দেখাও করেছেন তিনি। পরে ঐ মেয়েটিকে বিয়ের জন্য আসাদুল তার পরিবারকে জানান। তার পরিবার তাদের বিয়েতে রাজি হয়। কিন্তু পরে জানতে পারি মেয়েটি রাজি হয়নি। হয়তো সেই দুঃখে তিনি আত্মহত্যা করেছেন।

কয়রা থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) ইব্রাহিম হোসেন জানান, কলেজছাত্রটি আলাদা ঘরে থাকতেন। সেখানেই তার মরদেহ পাওয়া গেছে। তার সোজাসুজি রাখা ভিডিও কল চালু অবস্থায় একটি মোবাইল ফোন পাওয়া গেছে। ধারণা করা হচ্ছে অপর প্রান্তে থাকা কাউকে ভিডিও কলে রেখে তিনি আত্মহত্যা করেছেন। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে জানান তিনি। তার অকাল মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

প্রেমিকাকে ভিডিও কলে রেখে কয়রার যুবকের গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা।

মহম্মদপুরের দীঘা ইউনিয়নের দীঘা গ্রামে স্বামী -স্ত্রী বিষ পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা – ভিভিও লিংক https://www.facebook.com/share/v/9BEDCU22mRgdpqjn/?mibextid=oFDknk

মহম্মদপুরের দীঘা ইউনিয়নের দীঘা গ্রামে স্বামী -স্ত্রী বিষ পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা – ভিভিও লিংক https://www.facebook.com/share/v/9BEDCU22mRgdpqjn/?mibextid=oFDknk

মহম্মদপুরের দীঘা ইউনিয়নের দীঘা গ্রামে স্বামী -স্ত্রী বিষ পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা – ভিভিও লিংক https://www.facebook.com/share/v/9BEDCU22mRgdpqjn/?mibextid=oFDknk

মহম্মদপুরের দীঘা ইউনিয়নের দীঘা গ্রামে স্বামী -স্ত্রী বিষ পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা – ভিভিও লিংক

মহম্মদপুরের দীঘা ইউনিয়নের দীঘা গ্রামে স্বামী -স্ত্রী বিষ পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা – ভিভিও লিংক