১৬ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।২রা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।রবিবার

বৃদ্ধ লোককে রশি দিয়ে বেঁধে লাঠি দিয়ে পেটানোর অভিযোগ উঠেছে ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

মোঃ রমজান হোসেন হালুয়াঘাট, ময়মনসিংহ

(প্রতিনিধি)।

 

ময়মনসিংহ জেলার হালুয়াঘাট থানার এক বৃদ্ধকে বেপক ভাবে মারধর করার অভিযোগ উঠেছে

৫ নং গাজিরভিটা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ দেলোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে। ঘটনা সূত্রে জানা যায়, সোমবার ২৭/০৯/২১ ইং বিকালে উপজেলা সদর ইউনিয়নের মুজাখালি গ্রামের দুলাল মিয়ার জায়গা থেকে মাটি

নিয়ে রাস্তার কাজ করেন স্থানীয়

ইউপি চেয়ারম্যান

মোঃ দেলোয়ার হোসেন। এসময় দুলাল মিয়া বাঁধা দিতে গেলে চেয়ারম্যানের সঙ্গে তার কথার কাটাকাটি হয়।

এর এক পর্যায়ে চেয়ারম্যান উত্তেজিত হয়ে তার নিজ গাড়িতে করে উঠিয়ে নিয়ে যায় ইউনিয়ন পরিষদের সামনে। সেখানে নিয়ে রশি দিয়ে বেঁধে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে রক্তাক্ত করেন। পরে আহত অবস্থায় দুলাল মিয়াকে হালুয়াঘাট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন তার পরিবারের লোকজন। এই ঘটনায় চেয়ারম্যান মোঃ দেলুয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে হালুয়াঘাট থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। হালুয়াঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ শাহিনুজ্জামান খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এই বিষয়ে জানতে চাইলে ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ দেলোয়ার হোসেন সাংবাদিকদের জানান,

বালিচান্দা গ্রামের রাস্তার কাজ করতে গেলে মাটি উত্তোলনকে কেন্দ্র করে দুলাল মিয়ার সঙ্গে কথার কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে সরকারী কাজে বাঁধা দেয় দুলাল। আমি তার প্রতিবাদ করলে সে আমার গায়ে হাত তুলে। পরে গ্রাম পুলিশ তাকে ধরে আমার নিজ গাড়িতে তুলে ইউনিয়ন পরিষদে নিয়ে এসে তাকে রশি দিয়ে বেঁধে ফেলে।

পরে আমি তাকে মারধর করি।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি