২১শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৭ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।মঙ্গলবার

বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং মুক্তিযোদ্ধা সন্তানদের সহিত মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

মোঃ সেলিম রেজা
কেশবপুর,
যশোর‌।

আজ ৩রা ডিসেম্বর কেশবপুরে মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সে মুক্তিযোদ্ধা এবং মুক্তিযোদ্ধা সন্তানদের সহিত এক বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায় সভাপতিত্ব করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব কাজী রফিকুল ইসলাম এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন যশোর জেলার আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জনাব শাহীন চাকলাদার এমপি।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন অ্যাডভোকেট মিলন মিত্র।
জনাব শাহীন চাকলাদার এমপি কেশবপুরের উন্নয়ন সম্পর্কে এবং কেশবপুরের মানুষের ভালোবাসা এবং আন্তরিকতা নিয়ে কথা বলেন। উক্ত সভায় আরো বক্তব্য রাখেন যুবলীগের সাবেক আহবায়ক কাজী মুজাহিদুল ইসলাম পান্না, মনিরুজ্জামান মনি (ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মজিদপুর ইউনিয়ন), কাজী মুস্তাফিজুল ইসলাম মুক্ত (চেয়ারম্যান সাগরদাড়ি ইউনিয়ন), অবসরপ্রাপ্ত সেনা কল্যাণ সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মুস্তাফিজুর রহমান মিন্টু, বীর মুক্তিযোদ্ধা তৌহিদুজ্জামান এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোহাম্মদ আলী। উক্ত সভায় উপস্থিত ছিলেন কেশবপুর মুক্তিযোদ্ধার সন্তানেরা
এবং গণ্যমান্য অনেক নেতৃবৃন্দ।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি