১৮ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৪ঠা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।মঙ্গলবার

বিএমএসএফের কেন্দ্রীয় নেতাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে টেকনাফে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

বিএমএসএফের কেন্দ্রীয় নেতাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে টেকনাফে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা

মাসুদ মির্জা

বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম (বিএমএসএফ) কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি সাঈদুর রহমান রিমন ও বাংলাদেশ প্রতিদিনের সম্পাদক নঈম নিজাম সহ ১১ জনের বিরুদ্ধে হুইপ সামশুল হক কতৃক দায়ের করা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে দেশব্যাপী বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম (বিএমএসএফ) এর কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে, বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম (বিএমএসএফ) টেকনাফ উপজেলা কর্মরত সাংবাদিকদের আয়োজনে এক মানববন্ধন ও প্রতিবাদ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

২৫ আগষ্ট (বুধবার) টেকনাফ উপজেলা পরিষদের সামনে এই মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম (বিএমএসএফ) এর টেকনাফ উপজেলার শাখার সাবেক সভাপতি আমাদের অর্থনীতি প্রতিনিধি ফরহাদ আমিনের সভাপতিত্বে, টেকনাফ সাংবাদিক ফোরামে সাংগঠনিক সম্পাদক যায়যায়দিন প্রতিনিধি মোঃ আরাফাত সানী সঞ্চলনায়, প্রধান অতিথি ছিলেন টেকনাফ প্রেস ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও প্রতিদিনের সংবাদের প্রতিনিধি আবুল কালাম আজাদ, টেকনাফ প্রেস ক্লাবের সাবেক দপ্তর সম্পাদক ও আমাদের কক্সবাজার প্রতিনিধি কাইছার পারভেজ চৌধুরী, টেকনাফ প্রেস ক্লাবের সাবেক তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক বাংলাদেশ প্রতিদিনের আব্দুস সালাম, আমার সংবাদ প্রতিনিধি নুর হাকিম আনোয়ার, এশিয়ান টিভি/যুগান্তরের প্রতিনিধি নাছির উদ্দীন রাজ, দৈনিক কক্সবাজার বার্তার মিজানুর রহমান মিজান,সময়ের আলো প্রতিনিধি মোঃ শেখ রাসেল, ঢাকা টাইমসের প্রতিনিধি সাইফুদ্দীন আল মুবারক, বাহারছড়া উপকূল সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি আনোয়ার হোসেন,সাধারণ সম্পাদক আজিজ উল্লাহ, রূপসী গ্রাম প্রতিনিধি নুরুল আলম, রুপালী সৈকত প্রতিনিধি এম এ হাসান, গণসংযোগ প্রতিনিধি এম এন কায়সার জুয়েল, বাংলাদেশ বুলেটিনের সাইফুল ইসলাম।

এ সময় মানববন্ধনে উপস্থিত সাংবাদিকেরা বলেন, অনতিবিলম্বে (বিএমএসএফ) এর কেন্দ্রীয় সিঃ সহ-সভাপতি সাইদুর রহমান রিমন সহ ১১ জনের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মিথ্যা মামলা দ্রুত সময়ে প্রতাহার না করা হলে কেন্দ্রীয় কমিটির নিদের্শনা মুতাবেক সকল কর্মসূচি পালনে বাধ্য থাকিবে।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, আক্তার হোছেন হিরো, আব্দুর রহমান ইবনে আমিন,ফেপায়েত উল্লাহ,আব্দুল সালাম,আবসার,জোনায়েদ প্রমূখ।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি