২০শে জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৬ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।বৃহস্পতিবার

বারুইপুর জেলা কে অপরাধ মুক্ত করতে আজ মল্লিকপুরে নতুন পুলিশ চৌকির শুভ উদ্বোধন করেন জেলা পুলিশের এস পি শ্রী বৈভব রেওয়ারী ও স্পিকার বিমান ব্যানার্জী।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

কলকাতা থেকে নিউজ দাতা মনোয়ার ইমাম।

 

বৃহত্তম বারুইপুর থানাকে সাহায্য করতে এবং বড় জনসংখ্যার নিমন্ত্রণ ও আইন শৃঙ্খলা বজায় রাখতে আজ বারুইপুর থানার অন্তর্গত মল্লিকপুরে নতুন করে একটি পুলিশ চৌকির শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। এই এলাকার মানুষের জন্য। জনসংখ্যার দিক দিয়ে মল্লিকপুরে প্রচুর পরিমাণে মানুষের বসতি স্থাপন করছে। এবং সেই সঙ্গে কাছাকাছি কলকাতার পার্ক সার্কাস ও মল্লিক বাজার এবং তপসিয়া রিপোন ইস্টিট সহ রাজাবাজার থেকে প্রচুর পরিমাণে মানুষ এসে এখানে বসবাস শুরু করেছে। আইন শৃঙ্খলা যাতে অবনতি না ঘটে তার জন্য এই পুলিশ চৌকির ব্যাবস্থা করা হয়েছে। কারণ কিছু দিন আগে এই কোভিড করোনা ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত জন্য সারা পশ্চিম বাংলায় লকডাউন হয়। ঠিক সেই সময় রেলওয়ে যাত্রীদের জন্য চালু হওয়া ট্রেন উঠার জন্য ও রেলওয়ে কে যাত্রীদের জন্য ট্রেন চলাচল করার দাবিতে মল্লিকপুরে ইস্টাশনে ব্যাপক অবস্থান ও অবরোধ হয়। সেই দিন অবরোধ তুলতে গেলে বারুইপুর থানার পুলিশ ও বারুইপুর জি আর পি পুলিশ এর উপর হামলা চালায় স্হানীয় মানুষ। তখন বহু পুলিশ কর্মকর্তা ও পুলিশ মার খায় এবং পুলিশের গাড়িতে ভাঙচুর চালায়। পরবর্তীতে সেই ঘটনার সাথে জড়িত অপরাধীদের ধরতে অভিযান শুরু করে বারুইপুর থানার পুলিশ। তার পর থেকে এই এলাকায় পাকাপাকি ভাবে পুলিশ ফাড়ি তৈরি করার জন্য চেষ্টা করেন বারুইপুর জেলা পুলিশ । আজ তার শুভ উদ্বোধন করেন পশ্চিম বাংলার বিধান সভার স্পিকার ও বারুইপুর পশ্চিমের বিধায়ক শ্রী বিমান ব্যানার্জী ও বারুইপুর জেলা পুলিশের সুপার শ্রী বৈভব রেওয়ারী আই পি এস ও বারুইপুর জেলা পুলিশের জোনাল পুলিশ সুপার শ্রী ইদ্রজিৎ বাসু আই পি এস বারুইপুর জেলা পুলিশের সদর সাহেব এবং বারুইপুর জেলা পুলিশের বারুইপুর থানার আই সি শ্রী দেবপ্রসাদ রায় ও জেলা পরিষদ সদস্য জয়ন্ত ভদ্র ও বারুইপুর পৌরসভার ভাইস চেয়ারম্যান শ্রী গৌতম দাস এবং মল্লিকপুর গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান ভারতী মন্ডল ও উপপ্রধান জনাব হবিবুর রহমান বৈদ্য। এই মল্লিকপুরে নতুন পুলিশ ফাড়ির অফিসার ইনচার্জ হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন শ্রী সুকুমার রুইদাস।।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি