১৭ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৩রা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।সোমবার

বাফুফের এলিট ফুটবল একাডেমির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

আব্দুল খালেক সুমন:

বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের উদ্যোগে দেশব্যাপী অ-১৫ এর বাছাইকৃত ৫১ জন খেলোয়াড়দের নিয়ে গত ১১ আগস্ট ২০২১ তারিখ হতে কমলাপুরস্থ বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামে “বাফুফে এলিট ফুটবল একাডেমি’র কার্যক্রম শুরু হয়েছে। উক্ত একাডেমীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অদ্য ১২ সেপ্টেম্বর ২০২১ তারিখ দুপুর ১২:০০ ঘটিকায় কমলাপুরস্থ বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হয় ।

 

উক্ত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী জনাব মোঃ জাহিদ আহসান রাসেল, এমপি। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বাফুফের সম্মানীত সভাপতি কাজী মোঃ সালাহ উদ্দীন, জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সচিব (অতিরিক্ত সচিব) জনাব মাসুদ করিম, বাফুফে কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-সভাপতি ও বাফুফে ডেভেলপমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান জনাব মোঃ আতাউর রহমান ভূঁইয়া (মানিক), বাফুফের সহ-সভাপতি জনাব মহিউদ্দিন আহমেদ মহি, ফিফা কাউঙ্গিল মেম্বার এবং বাফুফে ও এফসি সদস্য মাহফুজা আক্তার কিরণ, জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের পরিচালক (ক্রীড়া) জনাব মোঃ শাহ আলম সরদার, পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) জনাব মুহাম্মদ সারোয়ার জাহান, পরিচালক (অর্থ) জনাব তোহিদুর রহমান খান, বাফুফের সদস্য ও মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান জনাব জাকির হোসেন চৌধুরী, বাফুফে সদস্য জনাব মোঃ নুরুল ইসলাম (নুরু), সদস্য জনাব মোঃ আমের খান, সদস্য জনাব মহিদুর রহমান মিরাজ এবং বাফুফে সাধারণ সম্পাদক জনাব মোঃ আবু নাইম সোহাগসহ বাফুফের অন্যান্য সদস্যবৃন্দ। আরও উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

 

উদ্বোধনকালে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আশা করি এখান থেকে ভালো মানের ফুটবলার আসবে। আমরা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বাফুফেকে সর্বাত্মক সহায়তা করবো।’ এ সময়ে প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন কর্তৃক সম্ভাবনাময় খেলোয়াড় বাছাই এর এ অনন্য উদ্যোগকে আন্তরিক সাধুবাদ জানান।

 

বাফুফের এলিট একাডেমিতে ১৪ থেকে ১৮ বছর বয়সী উদীয়মান ফুটবলাররা উন্নত প্রশিক্ষণ পাবেন। দেশি-বিদেশি ভালোমানের কোচরা ফুটবলারদের প্রশিক্ষণ দেবেন। একাডেমির তত্ত্বাবধানে থাকছেন বাফুফের টেকনিক্যাল ডিরেক্টর পল থমাস স্মলি। জুলাই মাসে একাডেমি উদ্বোধনের কথা ছিল। কিন্তু প্রাণঘাতি করোনাভাইরাসের কারণে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন বিলম্বিত হয়।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি