১৭ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৩রা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।সোমবার

বান্দরবানের আলীকদমে গরু চড়ানোকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের সংঘর্ষে আহত ৭।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

মোঃ ইকরামুল হাসান,বান্দরবান জেলা প্রতিনিধিঃ

 

আলীকদম উপজেলায় রাস্তার ওপর গরু চড়ানোকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের সংঘর্ষে নারীসহ ৭জন আহত হয়েছেন। আহতরা হলেন- ওমর আলী পাড়ার বাসিন্দা নুরুল আলমের স্ত্রী হাফসা বেগম (৩৫), ছেলে সরোয়ার জাহান খোকন (১৫), কামাল উদ্দিনের স্ত্রী আয়েশা বেগম (২৮), জাহাঙ্গীর আলমের স্ত্রী নুর জাহান বেগম (৩৬), নুরুল আলমের স্ত্রী আবিদা বেগম (২৭), মৃত রহমত আলীর ছেলে মুরাদ (২৮) ও মুরাদের ভাবী গুলজার বেগম (৩৫)। চৈক্ষ্যং ইউনিয়নের ওমর আলী পাড়ায় শনিবার বেলা আড়াইটার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

 

খবর পেয়ে স্থানীয়রা আহতদেরকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। এদিকে অভিযোগ অস্বীকার করেন অভিযুক্ত মুরাদসহ অন্যরা।

 

ওমর আলী পাড়ার বাসিন্দা সরোয়ার জাহান খোকন ও তার মা হাফসা বেগম শনিবার বেলা আড়াইটার দিকে বাড়ীর পাশের সরকারী রাস্তার উপর গরু চড়াতে যান। এ সময় পাশের মৃত রহমত আলীর ছেলে মুরাদ তাদেরকে গরু চড়াতে নিষেধ করেন। নিষেধ উপেক্ষা করে গরু চড়াতে গেলে উভয়ের মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে মুরাদ ও তার ভাবীসহ ১০-১২জন সংঘবদ্ধ হয়ে সরোয়ার জাহান খোকন ও তার মা হাফসা বেগমের ওপর হামলা শুরু করেন এবং দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে।

 

আলীকদম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরী বিভাগে দাযিত্বরত চিকিৎসক অসীম বড়ুয়া বলেন, সংঘর্ষের ঘটনায় আহত সরোয়ার জাহান খোকন, আয়েশা বেগম, নুর জাহান ও আবিদা বেগমের অবস্থা আশঙ্কজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার সদর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রেরণ করা হয়েছে।

 

এ বিষয়ে আলীকদম থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. নাছির উদ্দিন জানান, দু’পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় শনিবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত কোন পক্ষ অভিযোগ করেনি। ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি