২২শে জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৭ই শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।সোমবার

বাঙালহালিয়া আসন্ন ইউপি নির্বাচন উপলক্ষে কাপ্তাই জোনের ( অটল ৫৬) এর আয়োজনে প্রার্থী জনপ্রতিনিধিদের সাথে মতবিনিময় সভা ।।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

 

চাইথোয়াইমং মারমা
রাজস্থলী ( রাঙামাটি) প্রতিনিধি :

রাজস্থলীতে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন উপলক্ষে রাঙামাটির কাপ্তাই জোন, ৫৬ অটল এর আয়োজনে মতবিনিময় সভা অনুষ্টিত হয়।
বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টায় কাপ্তাই জোনের অধীনে বাঙালহালিয়া ক্যাম্পের উদ্যােগে ক্যাম্প প্রাঙ্গনে এ অনুষ্টিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, কাপ্তাই জোনের জোন কমান্ডার লেঃ কর্ণেল অানোয়ার জাহিদ, অনুষ্টানে অন্যানের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, রাজস্থলী উপজেলা চেয়ারম্যান উবাচ মারমা,নির্বাহী অফিসার শান্তনু কুমার দাশ, সেনা অফিসার মেজর ওমর, রাজস্থলী ক্যাম্প কমান্ডার ক্যাপ্টেন কবির, চন্দ্রঘোনা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি ইকবাল বাহার চৌধুরী, নির্বাচন কর্মকর্তা উৎপল বড়ুয়া সহ বাঙালহালিয়া ইউনিয়নের বিনা ভোটে নির্বাচিত মেম্বার ও চেয়ারম্যান প্রার্থী, মহিলা মেম্বার প্রার্থী গণমাধ্যমকর্মীগন উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে লেঃ কর্ণেল জাহিদ বলেন, অাসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন হতে হবে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ। হামলা মামলা, চাঁদাবাজী ও অস্ত্র দিয়ে জনগনের সেবক হওয়া যায় না। ভিন্ন মতাদর্শের যে কেউ প্রার্থী হয়ে নির্বাচনে অংশ গ্রহন করতে পারবে। ফলে কাউকে হুমকি, অস্ত্রের জোর প্রদর্শন, খুন গুম সহ নির্বাচনী অাচরণবিধি বে আইনি কোন কাজ করা যাবে না। আগামী ২৮ তারিখ রাজস্থলী উপজেলার তিন টি ইউনিয়নে ইউপি নির্বাচনে নিরাপত্তা এবং সার্বিক সহযোগিতা কাপ্তাই জোনের সকল সেনা সদস্যরা সার্বক্ষনিক আপনাদের পাশে থাকবে। এটাই মনে করবেন অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী যে হউক না কেন তাদের প্রতিহত করতে হবে। এলাকার শান্তি মানে উন্নয়ন। উন্নয়ন হলে শান্তি ফিরে আসবে। যেকোন সন্ত্রাসীদের অানাগোনা দেখলে আমাদের খবর দিন। আমরা যে কোন পরিস্থিতি মোকাবেলায় সর্বদায় প্রস্তুত। তাই অাগামী নির্বাচনে শান্তি পূর্ন্যভাবে যাতে ভোটার তাদের নিজ নিজ ভোটাধীকার প্রয়োগ করতে পারে সে ব্যবস্থা উপজেলা প্রশাসন, সেনাবাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা পুলিশবাহিনী প্রস্তুত রয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অরবিন্দ কুমার মণ্ডল, কয়রা, খুলনাঃ

খুলনার কয়রায় জনপ্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
১৬ জুলাই মঙ্গলবার দুপুর ১২ টায় উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ খুলনা জেলার আয়োজনে ও কয়রা উপজেলা প্রশাসনের সহযোগীতায় এ সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুলী বিশ্বাসের সভাপতিত্বে সচেতনতামূলক সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান জি এম মোহসিন রেজা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাসিমা আলম।
এসময় আরও উপস্হিত ছিলেন, কয়রা সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এস এম বাহারুল ইসলাম, উত্তর বেদকাশী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সরদার নুরুল ইসলাম কোম্পানি, দক্ষিণ বেদকাশী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আছের আলী মোড়ল, মহারাজপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবদুল্লাহ আল মাহমুদ, মহেশ্বরীপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শাহনেওয়াজ শিকারী, বাঙ্গালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুস সামাদ গাজী, আমাদী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান জুয়েল সহ সাতটি ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যবৃন্দ।

নিরাপদ খাদ্যের মূল প্রবন্ধ উপস্হাপন করেন খুলনা জেলা নিরাপদ খাদ্য অফিসার মোঃ মোকলেছুর রহমান।

কয়রায় নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত।

মুক্তাগাছা প্রতিনিধি:

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুরের দায়ের কোপে ভাতিজা বউ শিউলী আক্তার খুন হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার সকাল ৭টার দিকে উপজেলার বাঁশাটি ইউনিয়নের গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানাযায়, উপজেলার গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামের বাসিন্দা সিএনজি চালক শরিফুল ইসলামের স্ত্রী শিউলী আক্তার (৩০) স্বপরিবারে ঘুমাচ্ছিল। এ সময় তার চাচা শ্বশুর মৃত নেওয়াজ আলীর পুত্র সোলায়মান মিয়া তাদেরকে ডাকা ডাকি করে ঘর থেকে বের হতে বলে। দরজা খুলে শরিফুল ও তার স্ত্রী শিউলী ঘর থেকে বের হলে সোলায়মান তাদেরকে অকথ্য ভাষায় গালিগালজ করে। এক পর্যায়ে সোলায়মানের হাতে থাকা দা দিয়ে এলোপাতারি কোপাতে শুরু করে। সোলায়মান দা’ দিয়ে শিউলীর ঘাড়ে কোপ দিলে শিউলী ঘটনাস্থলেই মারা যায়। পরে সোলায়মান দা নিয়ে শরিফুলকে ধাওয়া দিলে শরিফ প্রাণ বাঁচাতে পুকুরে লাফ দিয়ে প্রণে বাঁচায়। পরে প্রতিবেশীরা এসে তাকে উদ্ধার করে।
নিহত শিউলী একই উপজেলার মুজাটি গ্রামের মৃত হামেদ আলীর মেয়ে। গত ১২ বছর আগে তাদের বিয়ে হয়। শিউলর ৫ মাসের মেয়ে শিশুসহ ৩ কন্যা সন্তান রয়েছে।
উল্লেখ্য গত শুক্রবার বিকেলে শিউলীর ৬ বছরের মেয়ে লামিয়া এর সাথে সোলায়মানের পুত্রের তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে ঝগড়া হয়। সেই ঝগড়ার জেরেই সকালে নিহতের বাড়িতে এসে তাদের ঘুম থেকে ডেকে এ খুনের ঘটনা ঘটান।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে মুক্তাগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) জহিরুল ইসলাম মুন্না জানান, শনিবার সকালে উপজেলার গোয়ারী উত্তর গ্রামে হত্যার ঘটনা ঘটে। থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে পাঠায়। মামলার প্রস্তুতি চলছে। এঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুড়ের দায়ের কোপে ৩ সন্তানের জননী খুন।