১৫ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।১লা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।শনিবার

বাংলাদেশ থেকে পাচার হওয়া মেয়ে কে খুজতে ভারতে আসলেন মা, উদ্ধার হওয়া মা ও মেয়েকে ফেরৎ পাঠাল মানবিক ভারতের সামরিক বাহিনী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

ভারত থেকে নিউজ দাতা মনোয়ার ইমাম।।

 

গত তিন মাস আগে পেঠের জালায় কাজ খুজতে বের হয় ঢাকার এক জৈনিক মহিলা। তিনি কাজ খুজতে বের হয়ে সোজা চলে আসেন ঢাকার মিরপুরের মহিলা পাচারকারী দলের লিডার নাগিন সোহাম এর কাছে। তিনি এই লকডাউনের মধ্যে ঔ মহিলা কে ঢাকা থেকে সোজা বাংলাদেশের সীমান্ত জেলা সাতক্ষীরা থেকে ডালাল মারফত ভারতে পাচার করে দেয়। এবং ঔ মহিলা কে ডালাল মারফত কলকাতা থেকে সোজা পশ্চিম বাংলার উত্তর দিনাজপুর জেলার একটি নিষিদ্ধ পল্লীতে পাঠিয়ে দেন। মেয়ের খোঁজ না পেয়ে মেয়ের মা বাংলাদেশের পুলিশের সাহায্য নেন। কিন্তু তারা তাকে সাহায্য করে নি। অযথাই শেষ পর্যন্ত নিজে প্লান করে কাজের খোঁজ নিয়ে ঔ মহিলা পাচারকারী দলের অন্যতম লিডার নাগিন সোহাম এর কাছে চলে যান। তিনি তার মেয়ের মতো ভারতে পাঠিয়ে দেন চোরা পথে। ভারতে আসার পর পুরো সিনেমার কায়দায় মেয়ের খোঁজ নিয়ে প্রথমে দিল্লিতে যান। কিন্তু ওখানে গিয়ে কোন খোঁজ খবর না পাওয়াতে ফের কলকাতা ফিরে আসেন। শেষ চেষ্টা হিসেবে হাল না ছেড়ে একটি গোপন তথ্য সংগ্রহ করে তিনি খোঁজ পান তার মেয়ের। তার মেয়ে যে পশ্চিম বাংলার উত্তর দিনাজপুর জেলার একটি নিশিদ্ধ পল্লীতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। তিনি কলকাতা থেকে সোজা উত্তর দিনাজপুর জেলার একটি তৃনমূল দলের আই এন টি টি ইউ সি নেতার সাহায্য নেয়। তিনি তার মেয়েকে উদ্ধার করতে জেলা পুলিশের সাহায্য নিয়ে তাকে বহু কস্ট করে বের করে নিয়ে আসেন। মা মেয়েকে নিয়ে যখন ভারতে সীমান্ত অতিক্রম করতে যাবে তখন তাদের বাধা সৃষ্টি হয় ভিসা না থাকার কারণে। অবশেষে ভারতের সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর সদস্যরা মানবিক হয় খবর দেন বাংলাদেশের সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর সদস্যদের। দুই দেশের সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর সদস্যদের মানবিক সাহায্য নিয়ে তারা এন্ট্রি ভিসা নিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে। এবং সোজা ভারত থেকে বাংলাদেশের ঢাকা তে গিয়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের সাহায্য নিয়ে ঔ মহিলা পাচারকারী দলের অন্যতম প্রধান নাগিন সোহাম কে গ্রেফতার করে। এবং গ্রেফতার করা ঔ মহিলার কাছ থেকে জানতে চাইছেন এই ঘটনার সাথে যুক্ত কারা আছেন।।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি