১৪ই জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৩০শে আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।রবিবার

বাংলাদেশের প্রথম হানাদার মুক্ত শ্যামনগর শ্যামনগরে সাড়ম্বরে হানাদার মুক্ত দিবস পালিত।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

রনজিৎ বর্মন শ্যামনগর(সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি ঃ

১৯ নভেম্বর সাতক্ষীরার শ্যামনগর হানাদার মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের ১৯ নভেম্বর শ্যামনগরে স্বাধীন

বাংলার পতাকা উত্তোলন করার মধ্য দিয়ে দেশের প্রথম যুদ্ধে মুক্ত অঞ্চল

হওয়ার গৌরবান্বিত হয় শ্যামনগরবাসি।

শুক্রবার সকালে শ্যামনগর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ও মুক্তিযোদ্ধা সন্তান

কমান্ডের যৌথ আয়োজনে দিবসটি উপলক্ষ্যে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, জাতির পিতা

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে মাল্য দান, বর্ণাঢ্য র‌্যালী,

আলোচনাসভা , দোয়া অনুষ্ঠান,লাঠিখেলা, জারিগান সহ অন্যান্য অনুষ্ঠান

অনুষ্ঠিত হয়।

বর্ণাঢ্য র‌্যালীটি উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে

মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সের হল রুমে আলোচনাসভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা

নির্বাহী অফিসার আ.ন.ম আবুজর গিফারী।

সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রভাষক সাঈদ উজ

জামান সাঈদ, মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক অধ্যক্ষ জি এম ওসমান গণি, মুক্তিযোদ্ধা

সংসদের সাবেক কমান্ডার দেবী রঞ্জন মন্ডল, সাবেক কমান্ডার এম এ মজিদ,

শ্যামনগর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) কাজী শহিদুল ইসলাম, উপজেলা

মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের সভাপতি এস এম কামরুল হায়দার নান্টু, সাবেক

ডেপুটি কমান্ডার গাজী আবুল হোসেন, মুক্তিযোদ্ধা লুৎফর রহমান প্রমুখ।

আলোচনাসভায় মুক্তিযোদ্ধাবৃন্দ ও মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ড সদস্যবৃন্দ

বক্তব্যে জোর দাবী তুলে বলেন বাংলাদেশের প্রথম হানাদার মুক্ত এলাকা

শ্যামনগর নতুন প্রজন্মকে বিষয়টি অবহিত করতে উপজেলার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান

পর্যায়ে প্রতি বছর ১৯ নভেম্বর কর্মসূচি গ্রহণ করা ও উদ্যাপন করা প্রয়োজন।

এ ছাড়া উপজেলা সমন্বয় কমিটির সভায় বিষয়টি রেজুলেশন করে ইউনিয়ন পর্যায়েও

উদ্যাপন করার বিষয়ে দাবী জানান। সভায় মুক্তিযোদ্ধারা আরও দাবী করেন

উপজেলা পর্যায়ে মৃত মুক্তিযোদ্ধাদের সৎকারের জন্য নির্ধারিত কবর স্থান ও

শশ্মান স্থান নির্ধারনের।

 

মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের সদস্য হাফিজুর রহমানের সঞ্চালনায় ও সাবেক

মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার দেবী রঞ্জন মন্ডলের পরিচালনায় শ্যামনগর মুক্ত দিবস

উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসনের সহায়তায় মুক্তিযোদ্ধাবৃন্দ ও সন্তান কমান্ডের

সদস্যবৃন্দের মধ্যে ২৫০টি শীত বস্ত্র কম্বল বিতরণ করা হয়।

উল্লেখ্য যে, ১৯৭১ সালের ১৯ আগষ্ট পাক বাহিনীর অর্তকিত আক্রমনে প্রাণ

হারায় ৪ জন মুক্তিযোদ্ধা যথাক্রমে সুবেদার ইলিয়াস, আবুল কালাম আযাদ

প্রমুখ। এ দিনে আরো কয়েক জন সাধারণ মানুষ প্রাণ হারায়। আকষ্মিক এ

আক্রমণের বিরুদ্ধে মুক্তিবাহিনী প্রতিরোধ গড়ে তুললেও শেষ পর্যন্ত টিকে

থাকতে পারেনি। টানা তিন মাসে পাক বাহিনী শ্যামনগর সদরে ৫/৬ বার

মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতিরোধের মুখে পড়ে ও ১৮ নভেম্বর রাতের আঁধারে শ্যামনগর

ত্যাগ করে। পর পরই মুক্তিযোদ্ধারা এসে শ্যামনগর দখল নেয়। এরপর স্বাধীন

বাংলার পতাকা উত্তোলন করা হয়।

 

ছবি- ১৯ নভেম্বর শ্যামনগর মুক্ত দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‌্যালী।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

মুক্তাগাছা প্রতিনিধি:

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুরের দায়ের কোপে ভাতিজা বউ শিউলী আক্তার খুন হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার সকাল ৭টার দিকে উপজেলার বাঁশাটি ইউনিয়নের গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানাযায়, উপজেলার গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামের বাসিন্দা সিএনজি চালক শরিফুল ইসলামের স্ত্রী শিউলী আক্তার (৩০) স্বপরিবারে ঘুমাচ্ছিল। এ সময় তার চাচা শ্বশুর মৃত নেওয়াজ আলীর পুত্র সোলায়মান মিয়া তাদেরকে ডাকা ডাকি করে ঘর থেকে বের হতে বলে। দরজা খুলে শরিফুল ও তার স্ত্রী শিউলী ঘর থেকে বের হলে সোলায়মান তাদেরকে অকথ্য ভাষায় গালিগালজ করে। এক পর্যায়ে সোলায়মানের হাতে থাকা দা দিয়ে এলোপাতারি কোপাতে শুরু করে। সোলায়মান দা’ দিয়ে শিউলীর ঘাড়ে কোপ দিলে শিউলী ঘটনাস্থলেই মারা যায়। পরে সোলায়মান দা নিয়ে শরিফুলকে ধাওয়া দিলে শরিফ প্রাণ বাঁচাতে পুকুরে লাফ দিয়ে প্রণে বাঁচায়। পরে প্রতিবেশীরা এসে তাকে উদ্ধার করে।
নিহত শিউলী একই উপজেলার মুজাটি গ্রামের মৃত হামেদ আলীর মেয়ে। গত ১২ বছর আগে তাদের বিয়ে হয়। শিউলর ৫ মাসের মেয়ে শিশুসহ ৩ কন্যা সন্তান রয়েছে।
উল্লেখ্য গত শুক্রবার বিকেলে শিউলীর ৬ বছরের মেয়ে লামিয়া এর সাথে সোলায়মানের পুত্রের তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে ঝগড়া হয়। সেই ঝগড়ার জেরেই সকালে নিহতের বাড়িতে এসে তাদের ঘুম থেকে ডেকে এ খুনের ঘটনা ঘটান।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে মুক্তাগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) জহিরুল ইসলাম মুন্না জানান, শনিবার সকালে উপজেলার গোয়ারী উত্তর গ্রামে হত্যার ঘটনা ঘটে। থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে পাঠায়। মামলার প্রস্তুতি চলছে। এঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুড়ের দায়ের কোপে ৩ সন্তানের জননী খুন।

অররবিন্দ কুমার মণ্ডল, কয়রা, খুলনা ঃ

প্রেমিকাকে ভিডিও কলে রেখে আসাদুল ইসলাম (১৯) নামে কয়রার এক কলেজছাত্র গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।

৯ জুলাই, মঙ্গলবার ভোরে আসাদুলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সে খুলনার কয়রা উপজেলার মহেশ্বরীপুর গ্রামের নজরুল ইসলাম সরদারের ছেলে। আমাদী জায়গীমহল খান সাহেব কোমর উদ্দীন কলেজে দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র ছিলেন তিনি। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এক বছর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি মেয়ের সঙ্গে পরিচয় হয় আসাদুলের। পরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে প্রেমিকাকে বিয়ের প্রস্তাব দেন কলেজছাত্র আসাদুল। কিন্তু প্রেমিকা বিয়েতে রাজি না হওয়ায় তাকে ভিডিও কলে রেখে নিজ ঘরের আড়ার সঙ্গে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে জানা গেছে।

কলেজছাত্রের প্রতিবেশী ও স্থানীয় ইউপি সদস্য মিজানুর রহমান বলেন, আসাদুল ইসলামের সঙ্গে উত্তরবঙ্গের একটি মেয়ের প্রেমের সম্পর্ক ছিল বলে জানতাম। মেয়েটির সঙ্গে কয়েকবার দেখাও করেছেন তিনি। পরে ঐ মেয়েটিকে বিয়ের জন্য আসাদুল তার পরিবারকে জানান। তার পরিবার তাদের বিয়েতে রাজি হয়। কিন্তু পরে জানতে পারি মেয়েটি রাজি হয়নি। হয়তো সেই দুঃখে তিনি আত্মহত্যা করেছেন।

কয়রা থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) ইব্রাহিম হোসেন জানান, কলেজছাত্রটি আলাদা ঘরে থাকতেন। সেখানেই তার মরদেহ পাওয়া গেছে। তার সোজাসুজি রাখা ভিডিও কল চালু অবস্থায় একটি মোবাইল ফোন পাওয়া গেছে। ধারণা করা হচ্ছে অপর প্রান্তে থাকা কাউকে ভিডিও কলে রেখে তিনি আত্মহত্যা করেছেন। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে জানান তিনি। তার অকাল মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

প্রেমিকাকে ভিডিও কলে রেখে কয়রার যুবকের গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা।

মহম্মদপুরের দীঘা ইউনিয়নের দীঘা গ্রামে স্বামী -স্ত্রী বিষ পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা – ভিভিও লিংক https://www.facebook.com/share/v/9BEDCU22mRgdpqjn/?mibextid=oFDknk

মহম্মদপুরের দীঘা ইউনিয়নের দীঘা গ্রামে স্বামী -স্ত্রী বিষ পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা – ভিভিও লিংক https://www.facebook.com/share/v/9BEDCU22mRgdpqjn/?mibextid=oFDknk

মহম্মদপুরের দীঘা ইউনিয়নের দীঘা গ্রামে স্বামী -স্ত্রী বিষ পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা – ভিভিও লিংক https://www.facebook.com/share/v/9BEDCU22mRgdpqjn/?mibextid=oFDknk

মহম্মদপুরের দীঘা ইউনিয়নের দীঘা গ্রামে স্বামী -স্ত্রী বিষ পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা – ভিভিও লিংক

মহম্মদপুরের দীঘা ইউনিয়নের দীঘা গ্রামে স্বামী -স্ত্রী বিষ পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা – ভিভিও লিংক