১১ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।২৮শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।মঙ্গলবার

বগুড়া ধুনট সদর ইউপি নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন ও দোয়া প্রত্যাশী আওয়ামী লীগ নেতা মোস্তাফিজার রহমান (মুন্টু)।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

 

মোঃ মাসুদ ফারুক বাবলু বগুড়া বিশেষ প্রতিনিধি।

 

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বগুড়া জেলার ধুনট উপজেলার ৬নং সদর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে ধুনট সদর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের বর্তমান সভাপতি ও সদর ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ড এর তিন বারের সবেক ও সফল মেম্বার ও মাঠপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি ধুনট মেম্বার এসোসিয়েশন কমেটির সাবেক সভাপতি ও ধুনট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের মেনেজিং কমেটির সাবেক সদস্য মোঃ মোস্তাফিজার রহমান (মন্টু) দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশা করছেন। তিনি ধুনট সদর ইউনিয়নের উল্লাপাড়া গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা মোঃ আবুল হোসেন খন্দকার এর ছেলে।

 

 

পরিবর্তনের অঙ্গীকার নিয়ে এলাকাবাসীর দাবি পূরণে নৌকার মাঝি হতে চান মোস্তাফিজার রহমান (মুন্টু)।আগামী ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে নৌকার মাঝি হিসেবে আওয়ামী লীগ নেতা মোস্তাফিজার রহমান (মুন্টু) কে চায় সদর ইউনিয়নের বাসিন্দারা। নির্বাচনের দিন যতই ঘনিয়ে আসছে এলাকাবাসীর মাঝে ঐক্য আরও সুদৃঢ় হচ্ছে বলে জানা গেছে।মোস্তাফিজার রহমান মুন্টুকেই চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত করার জন্য চলছে ভোটারদের মাঝে চা হোটেলে হাটে বাজারে ব্যাপক গুন্জন। ওই ইউনিয়নের সব শ্রেণীপেশার মানুষ একতাবদ্ধ হয়ে চালিয়ে যাচ্ছে নানা আলোচনা । এ ছাড়া স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরাও মোস্তাফিজার রহমান (মুন্টুর) পক্ষে মাঠে কাজ করছে বলেও জানা যাচ্ছে।

 

এবিষয়ে জানতে চাইলে মোস্তাফিজার রহমান ( মুন্টু) বলেন,এবার সদর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আমি প্রার্থী হওয়ায় এলাকাবাসীর মাঝে ব্যাপক উদ্দীপনা বিরাজ করছে এবং ব্যাপক আলোচনার ঝড় বইছে। সাধারণ মানুষের মাঝে আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে।

 

তিনি আরও বলেন,পরিবর্তনের অঙ্গীকার নিয়ে মাঠে একতাবদ্ধ হচ্ছে এলাকাবাসী। আগামী নির্বাচনে আমাকে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত করতে কাজ করছে অএ ইউনিয়নের বিশিষ্টজনেরাও।

 

তিনি বলেন, আমি জনগনের সেবক হতে চাই, আমাকে চেয়ারম্যান হিসেবে মনোনয়ন দিতে এবং নির্বাচিত করতে এলাকার তরুণ প্রজন্ম, যুবসমাজ মাঠে কাজ করছে,সদর ইউনিয়নের সাধারণ জনগনের দাবি একটাই “পরিবর্তন”চায়। তিনি আরও বলেন, আমি সদর ইউনিয়নকে একটি সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ, মাদকমুক্ত আধুনিক মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।

 

তাঁর জনসমর্থন অন্যসব প্রার্থীর তুলনায় বেশি দাবি করে তিনি বলেন, দল মনোনয়ন দিয়ে আমাকে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করার জন প্রত্যাশা পূরণের সুযোগ করে দেবে আশা করি।

 

তিনি জানান, আমি মানুষের যে ভালোবাসা ও সমর্থন পেয়েছি তা অভূতপূর্ব। দলের নেতাকর্মীরা তাকে উৎসাহ দিচ্ছেন। তিনি নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করার সুযোগ পেলে বিপুল ভোটে ভোটাররা তাকে বিজয়ী করবেন বলে বিশ্বাস ও দাবি করেন।

 

সব শেষ তিনি বলেন,আমি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে এই ইউনিয়নকে উন্নয়নের রোল-মডেল হিসেবে পরিচিত করব।এবং বঙ্গবন্ধুর আর্দশকে বুকে ধারন করে গরীব দুঃখী মানুষের পাশে থেকে সেবা করে যাব। সাড়াটি জীবন যেনো এই সেবা অটুট রাখতে পারি এই জন্য সকলের কাছে দোয়া ও সমর্থন চইছি সবসময়।

 

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি