১৫ই জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৩১শে আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।সোমবার

ফেনী পৌর এলাকায় দেখা দিল তীব্র যানজট।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

 

 

ফেনী জেলা প্রতিনিধিঃ

ফেনী শহরে পৌর সিএনজি ব্যতীত অন্য কোনো যানবাহন চলবে না এমন সিদ্ধান্ত পৌর মেয়র নজরুল ইসলাম স্বপন মিয়াজীর। সিদ্ধান্ত বহাল থাকলেও বাস্তবতার সাথে মিল নেই।

আজ ২৩নভেম্বার সকাল ১১:৫২মিনিট থেকে ১২:৩৮মিনিট পর্যন্ত, দীর্ঘ ৪৬মিনিট শহরের পৌরসভা কার্যালয়ের সামনে থেকে শুরু করে ফেনী সরকারি কলেজ, শহীদ মার্কেট, মিজান রোডের পূর্ব মাথা, রেলগেট হয়ে ফারুক হোটেল পর্যন্ত দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। এসময় প্রাই ২ শতাধিক সিএনজি, অটো রিক্সা, রিক্সা, পাইভেট গাড়ী, মিনিবাস, বাসসহ রাস্তায় অবস্থানে এ যানজট তীব্র হয়।

 

এ সময় নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সিএনজি চালক বলেন, এটি বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়, আগে শহরে ৮শ থেকে ১হাজার সিএনজি চলত। সেটিকে ৪শ থেকে ৫শ’র মধ্যে নিয়ে আসলো পৌরসভা। কিন্তু বহিরাগত সিএনজি প্রবেশে কোন প্রকার বাধা না থাকায় শহীদ মার্কেট রাজাঝির দীঘি প্রবেশপথের মুখে মিজান রোড এর পূর্ব মাথায় বহিরাগত সিএনজির অবস্থান এই যানজট সৃষ্টির একমাত্র উৎস এই ধরনের সিএনজি যন্ত তন্ত পার্কিং।

 

নাপি ভূঞাঁ নামের এক যাত্রী বলেন, এই ভোগান্তির শেষ কোথায়? আমার বাসা একাডেমি রোডের ফারুক হোটেল সংলগ্ন। সেখান থেকে আগে টাংরোড আসতে গাড়ির জন্য অপেক্ষা করতে হতোনা। বর্তমানে দীর্ঘ সময় গাড়ির জন্য অপেক্ষা করে গাড়িতে আরোহণ করতে হয়। আমি মনে করি শহরের বিভিন্ন জায়গায় যন্ত্র তন্ত্র পার্কিংয়ের জন্য এই ধরনের যানজট সৃষ্টি হয়। তাই পৌরসভা কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করবো যন্ত্র তন্ত্র পার্কিং রোদে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে।

 

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

মুক্তাগাছা প্রতিনিধি:

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুরের দায়ের কোপে ভাতিজা বউ শিউলী আক্তার খুন হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার সকাল ৭টার দিকে উপজেলার বাঁশাটি ইউনিয়নের গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানাযায়, উপজেলার গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামের বাসিন্দা সিএনজি চালক শরিফুল ইসলামের স্ত্রী শিউলী আক্তার (৩০) স্বপরিবারে ঘুমাচ্ছিল। এ সময় তার চাচা শ্বশুর মৃত নেওয়াজ আলীর পুত্র সোলায়মান মিয়া তাদেরকে ডাকা ডাকি করে ঘর থেকে বের হতে বলে। দরজা খুলে শরিফুল ও তার স্ত্রী শিউলী ঘর থেকে বের হলে সোলায়মান তাদেরকে অকথ্য ভাষায় গালিগালজ করে। এক পর্যায়ে সোলায়মানের হাতে থাকা দা দিয়ে এলোপাতারি কোপাতে শুরু করে। সোলায়মান দা’ দিয়ে শিউলীর ঘাড়ে কোপ দিলে শিউলী ঘটনাস্থলেই মারা যায়। পরে সোলায়মান দা নিয়ে শরিফুলকে ধাওয়া দিলে শরিফ প্রাণ বাঁচাতে পুকুরে লাফ দিয়ে প্রণে বাঁচায়। পরে প্রতিবেশীরা এসে তাকে উদ্ধার করে।
নিহত শিউলী একই উপজেলার মুজাটি গ্রামের মৃত হামেদ আলীর মেয়ে। গত ১২ বছর আগে তাদের বিয়ে হয়। শিউলর ৫ মাসের মেয়ে শিশুসহ ৩ কন্যা সন্তান রয়েছে।
উল্লেখ্য গত শুক্রবার বিকেলে শিউলীর ৬ বছরের মেয়ে লামিয়া এর সাথে সোলায়মানের পুত্রের তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে ঝগড়া হয়। সেই ঝগড়ার জেরেই সকালে নিহতের বাড়িতে এসে তাদের ঘুম থেকে ডেকে এ খুনের ঘটনা ঘটান।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে মুক্তাগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) জহিরুল ইসলাম মুন্না জানান, শনিবার সকালে উপজেলার গোয়ারী উত্তর গ্রামে হত্যার ঘটনা ঘটে। থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে পাঠায়। মামলার প্রস্তুতি চলছে। এঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুড়ের দায়ের কোপে ৩ সন্তানের জননী খুন।

অররবিন্দ কুমার মণ্ডল, কয়রা, খুলনা ঃ

প্রেমিকাকে ভিডিও কলে রেখে আসাদুল ইসলাম (১৯) নামে কয়রার এক কলেজছাত্র গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।

৯ জুলাই, মঙ্গলবার ভোরে আসাদুলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সে খুলনার কয়রা উপজেলার মহেশ্বরীপুর গ্রামের নজরুল ইসলাম সরদারের ছেলে। আমাদী জায়গীমহল খান সাহেব কোমর উদ্দীন কলেজে দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র ছিলেন তিনি। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এক বছর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি মেয়ের সঙ্গে পরিচয় হয় আসাদুলের। পরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে প্রেমিকাকে বিয়ের প্রস্তাব দেন কলেজছাত্র আসাদুল। কিন্তু প্রেমিকা বিয়েতে রাজি না হওয়ায় তাকে ভিডিও কলে রেখে নিজ ঘরের আড়ার সঙ্গে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে জানা গেছে।

কলেজছাত্রের প্রতিবেশী ও স্থানীয় ইউপি সদস্য মিজানুর রহমান বলেন, আসাদুল ইসলামের সঙ্গে উত্তরবঙ্গের একটি মেয়ের প্রেমের সম্পর্ক ছিল বলে জানতাম। মেয়েটির সঙ্গে কয়েকবার দেখাও করেছেন তিনি। পরে ঐ মেয়েটিকে বিয়ের জন্য আসাদুল তার পরিবারকে জানান। তার পরিবার তাদের বিয়েতে রাজি হয়। কিন্তু পরে জানতে পারি মেয়েটি রাজি হয়নি। হয়তো সেই দুঃখে তিনি আত্মহত্যা করেছেন।

কয়রা থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) ইব্রাহিম হোসেন জানান, কলেজছাত্রটি আলাদা ঘরে থাকতেন। সেখানেই তার মরদেহ পাওয়া গেছে। তার সোজাসুজি রাখা ভিডিও কল চালু অবস্থায় একটি মোবাইল ফোন পাওয়া গেছে। ধারণা করা হচ্ছে অপর প্রান্তে থাকা কাউকে ভিডিও কলে রেখে তিনি আত্মহত্যা করেছেন। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে জানান তিনি। তার অকাল মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

প্রেমিকাকে ভিডিও কলে রেখে কয়রার যুবকের গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা।