২১শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৭ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।মঙ্গলবার

ফেনীতে লাশ দাফন ও অক্সিজেন সেবা দিচ্ছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

ইউসুফ মুন্সী, ফেনী সদর প্রতিনিধিঃ

ফেনীতে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্য ব্যক্তিদের লাশ দাফনে এগিয়ে এসেছেন ফেনী জেলা ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। দাফন টিমের আহবায়ক ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ফেনী জেলার সেক্রেটারি আলহাজ্ব একরামুল হক ভূঁইয়া জানান, আমরা এ পর্যন্ত ৪৪ জন মৃত্য ব্যক্তিকে গোসল ও দাফন কার্যক্রম সম্পূর্ণ করেছি।

 

বাংলাদেশে মহামারি দেখা দিলে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহতারাম আমীর মূফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করিম (পীর সাহেব চরমোনাই) এর নির্দেশে মহামারি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণকারী ব্যক্তিদের গোসল ও লাশ দাফনের জন্য আমরা সিদ্ধান্ত গৃহণ করি। সেই মোতাবেক ২০২০ সাল থেকে জেলার সব উপজেলায় আলাদা আলাদা টিম ঘটন করে মৃত ব্যক্তিদের গোসল ও দাফনের ব্যবস্থা করি আসছি।

 

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ফেনী জেলা সভাপতি প্রিন্সিপাল মাওলানা নুরুল করিম জানান, মানুষের সেবা করা এটি একটি মহত কাজ আমরা আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে এই কাজের আঞ্জাম দিয়ে যাচ্ছি। বর্তমান সময়ে করোনা ভাইরাস প্রাদুর্ভাব বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষরা নিজ খরচে অক্সিজেন সেবা নিতে পারছেন না। তাই আমাদের দলের পক্ষ থেকে সাধারণ মানুষের জন্য ফ্রি অক্সিজেন সেবা চালু করা হয়েছে।করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণকারী ৪৪জন ব্যক্তিকে এপর্যন্ত গোসল ও দাফন করা হয়েছে। এছাড়াও ফ্রি অক্সিজেন সেবা প্রদান করা হয়েছে ২৬ জনকে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়া পর্যন্ত এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি