১৩ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৩০শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।বৃহস্পতিবার

ফেনীতে ফিস্টুলা রোগীদের পুনর্বাসন বিষয়ে সিভিল সার্জন অফিসের কনফারেন্স রুমে কর্মশালা অনুষ্ঠিত।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেনী থেকে।

১৫-৯-২০২১ বুধবার জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের উদ্যোগে এবং Hope Foundation for Women & Children of Bangladesh-এর সার্বিক সহযোগিতায় প্রসবজনিত ফিস্টুলা প্রতিরোধ এবং প্রসবজনিত ফিস্টুলা রোগীদের পুনর্বাসন বিষয়ে সিভিল সার্জন অফিসের কনফারেন্স রুমে এক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন সুযোগ্য সিভিল সার্জন ফেনী ডা. রফিক-উস্-ছালেহীন মহোদয়। রিসোর্স পারসন হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সম্মানিত উপপরিচালক(পরিবার পরিকল্পনা) জনাব সুব্রত কুমার চৌধুরী এবং ফেনী সদর হাসপাতালের সম্মানিত জুনিয়র কনসালটেন্ট(গাইনি অ্যান্ড অবস) ডা. তাহিরা খাতুন। অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট ফেনী জেনারেল হাসপাতালের সম্মানিত তত্ত্বাবধায়ক ডা. আবুল খায়ের মিয়াজি, ফেনীর সকল উপজেলার সম্মানিত ইউএইচএফপিও, উপপরিচালক(সমাজসেবা), উপপরিচালক(যুব উন্নয়ন), উপপরিচালক(মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর), সিভিল সার্জন অফিসের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ এবং বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার প্রতিনিধিবৃন্দ। কর্মশালা সঞ্চালনা করেন মেডিকেল অফিসার সিভিল সার্জন অফিস ডা. ইসতাব রাকিন এবং মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন হোপ ফাউন্ডেশনের সিনিয়র কনসালটেন্ট(গাইনি অ্যান্ড অবস) ডা. নৃন্ময় বিশ্বাস। এই কর্মশালায় দেশে প্রসবজনিত ফিস্টুলার সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা হয় এবং অংশগ্রহণকারীগণ তিনটি দলে ভাগ হয়ে এই ফিস্টুলার প্রতিরোধ, চিকিৎসা ও পুনর্বাসন বিষয়ে নিজেদের সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবনা তুলে ধরেন।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি