২২শে জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৮ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।শনিবার

পশ্চিম বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে সবুজ সাথীর শুভ উদ্বোধন করেন বিধায়ক শ্রী বিভাস সরদার।।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

 

 

আজ পশ্চিম বাংলার দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলার অন্তর্গত বারুইপুর মহাকুমার, বারুইপুর পূর্বের নবগ্রাম পঞ্চায়েত অন্তর্গত কেয়াতলা হাইস্কুল মাটে ইস্কুল পড়ুয়া ছাত্রীদের জন্য পশ্চিম বাংলার সরকারের সবুজ সাথীর সাইকেল তুলে দেওয়া হয়েছে। এই শুভ উদ্বোধনের সূচনা করেন পশ্চিম বাংলার বিধান সভার সদস্য ও বারুইপুর পূর্বের বিধায়ক শ্রী বিভাস সরদার। এই অনুষ্ঠানে প্রায় শতাধিক ছাত্রীদের হাতে সাইকেল তুলে দেওয়া হয়েছে । কারণ এই সুন্দর বন অঞ্চল এর বহু প্রান্ত গ্রাম থেকে ছোট ছোট ছেলে ও মেয়েরা বহু কস্ট করে পড়াশোনা করতে আসেন প্রায় সাত ও আট কিলোমিটার রাস্তা অতিক্রম করে । তাই তাদের কে যাতে লেখাপড়া করতে আসতে অসুবিধা না হয় তার জন্য পশ্চিম বাংলা সরকারের কাছে দরবার করেন পশ্চিম বাংলা বিধান সভার সদস্য ও তৃনমূল দলের অন্যতম নেতা এবং বারুইপুর পূর্বের বিধায়ক শ্রী বিভাস সরদার। তিনি ছেলে ও মেয়েদের শিক্ষা জগতে প্রবেশ করাতে অনুপ্রেরণা যোগাতে সাহায্য করতে এসেছেন। তার ও বারুইপুর ব্লক উন্নয়ন কালেক্টর ও বি ডি ও জনাব মশারফ হোসেন সাহেব এবং এই অঞ্চলের ডাকসাইটে তৃনমূল দলের নেতা ও নবগ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান জনাব আক্তার হোসেন মন্ডল। এছাড়াও এই অঞ্চলের পঞ্চায়েত সদস্যরা ও এই এলাকার বহু গন্যমান্য ব্যাক্তি উপস্থিত ছিলেন। এই সবুজ সাথী প্রকল্পের মাধ্যমে বহু ছাত্র ও ছাত্রী ইস্কুল ও কলেজে যাওয়ার আগ্রহ বেড়ে গেছে। এখন শহরের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে গ্রামের ছেলে ও মেয়েরা শিক্ষার দিক থেকে এগিয়ে চলেছে।।

 

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি