২১শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৭ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।মঙ্গলবার

পশ্চিম বাংলায় ভোট পরবর্তীতে যে, খুন ধর্ষণ, ঘরবাড়ি লুট কোন মামলি হিঙসা নয়। তদন্তের ভার দিল সি বি আই কে কলকাতা হাইকোর্ট।।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

কলকাতা থেকে নিউজ দাতা মনোয়ার ইমাম।

আজ কলকাতা হাইকোর্টে দায়ের করা ছয়টি জনস্বার্থ মামলার পশ্চিম বাংলা বাংলায় ভোট পরবর্তীতে বিরোধী দলের নেতা ও কর্মীদের উপর শাসক দলের নেতা ও কর্মীরা পশ্চিম বাংলায় বিভিন্ন জেলায় যে অত্যাচার করেছিল তার সঠিক ভাবে পুলিশ কোন ব্যাবস্থা নেয়নি। তার মধ্যে বিরোধী দলের নেতা ও কর্মীদের উপর মারধর ও বাড়ি ভাঙচুর এবং খুন এবং ধর্ষণ এর মতো গুরুত্বপূর্ণ অভিযোগ ছিল। যায় মধ্যে, ৩৩৫৪,টি, অভিযোগ করা হয়। এফ আই আর হয়, ৬৫১,টি। কিন্তু ভোট পরবর্তীতে বিরোধী দলের উপর যে অত্যাচার করা হয় তার সঠিক তদন্ত পুলিশ ঠিক মতো করে নি পুলিশ। এই ঘটনা নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ শ্রী রাজেশ বিন্দল ও বিচারপতি শ্রী হরিশ টন্ডন বিচারপতি শ্রী ইন্দ্র প্রসন্ন মুখোপাধ্যায় ও বিচারপতি শ্রী সোমেন সেন ও বিচারপতি শ্রী সুব্রত তালুকদারের একলাসে মামলা দায়ের করা হয়। সেই মামলার তদন্ত শুরু করে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ এর নির্দেশে।তদন্ত শুরু করার ভার দেওয়া হয় ভারতের সিবিআই ও ভারতের জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সদস্য ও ভারতের জাতীয় মহিলা কমিশনের সদস্য এবং ভারতের লিগ্যাল সার্ভিস কমিশন কে। তারা তদন্ত শুরু করলে বিভিন্ন যায়গায় বাধা প্রাপ্ত হয় শাসক দলের তরফ থেকে ও কোথাও কোথাও তাদের কে ঘিরে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে তৃনমূল দলের নেতা ও কর্মীরা। তারা অনেক যায়গায় পুলিশের সাহায্য ঠিকমতো পালন করে নি বলে অভিযোগ করেন। এবং অনেক যায়গায় পুলিশের সামনে তাদের কে হেনস্তা করে শাসক দলের নেতা ও কর্মীরা। তার মধ্যে কলকাতার যাদবপুর এলাকায় পুলিশের সামনে ভারতের জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সদস্য ও ভারতের জাতীয় মহিলা কমিশনের সদস্যদের উপর হামলা চালায়। তা নিয়ে কলকাতা পুলিশের জয়েন্ট কমিশনার যাদবপুর জনাব রসিদ মুনির খান কে শো কাজ করে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। এর পর পশ্চিম বাংলা সরকারের পক্ষে এই মামলার বিরুদ্ধে সওয়াল করে ভারতের সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী শ্রী অভিষেক মনু সিঙ্ঘভি এবং ভারতের জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সদস্যদের পক্ষে এই মামলায় লড়াই করেন সুপ্রিম কোর্টের এ্যাডিশনাল সলিটর জেনারেল আইনজীবী শ্রী ওয়াই জে দস্তর। দুই পক্ষের শুনানি শেষে আজ এই মামলার রায় দিতে গিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ এর বিচারপতিরা বলেন এই মামলা কোন সাধারণ মামলা নয়। এই মামলার তদন্ত শুরু করার ভার দেওয়া হয়েছে ভারতের সিবিআই কে। তারা প্রতিটি অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করবে। এবং সি বি আই কে তদন্ত শুরু করতে যে খানে যাবে তাদের কে পুনরায় পুলিশের নিরাপত্তা দিতে হবে। এবং সেই সঙ্গে তিন জনের একটি সিট গঠন করা হয়েছে। এর সিট কম গুরুত্বপূর্ণ মামলার তদন্ত শুরু করবেন। এই সিট এর মধ্যে রাখা হতে পারে কলকাতা পুলিশের ডি জি শ্রী সৌমেন মিত্র আই পি এস ও সুমন বালা সাউ এবং শ্রী নিলেশ কুমার। তবে সিবিআই কে দিয়ে যে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে তা দেখার জন্য ভারতের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্টের কোন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি কে রাখতে বলা হয়েছে। এবং এই তদন্ত ছয় সপ্তাহ এর মধ্যে শেষ করে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ এ জমা দিতে হবে বলে জানিয়েছেন। এই মামলার তদন্ত কমিটি যে রিপোর্ট জমা দেবে তা দেখার পর পরবর্তীতে এই মামলার রায় ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন।।

 

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি