২৩শে জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৮ই শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।মঙ্গলবার

নড়াইলে শেখ রাসেল দূরপাল্লার সাঁতার প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

উজ্জ্বল রায়, নড়াইল থেকে :

 

মুজিবশতবর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে নড়াইলে শেখ রাসেল ১৮তম জাতীয় দূরপাল্লার সাঁতার প্রতিযোগিতা শেষে পুরষ্কার বিতরণ করা হয়েছে। ৭ নভেম্বর দুপুরে রুপগঞ্জ বাঁধাঘাট এলাকায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে পুরস্কার বিতরণ করেন নৌবাহিনীর প্রধান ও বাংলাদেশ সুইমিং ফেডারেশেনের সভাপতি এডমিরাল এম শাহীন ইকবাল ।

বাংলাদেশ সুইমিং ফেডারেশেনের ব্যবস্থাপনায় এবং সাইফ পাওয়ারটেক লি: এ প্রতিযোগিতার পৃষ্টপোষকতায় ও পুরষ্কার বিতরনী অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হাবিবুর রহমানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন সাইফ পাওয়ারটেক লি: এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক তরফদার মোঃ রুহল আমিন, পুলিশ সুপার প্রবীর কুমার রায়, বাংলাদেশ অলিম্পিক এসোসিয়েশনের উপ-মহাসচিব আশিকুর রহমান মিকু।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে নৌবাহিনীর প্রধান ও বাংলাদেশ সুইমিং ফেডারেশেনের সভাপতি এডমিরাল এম শাহীন ইকবাল তার বক্তব্যে বলেন, প্রান্তিক পর্যায়ে দেশে অনেক প্রতিভা লুকিয়ে আছে। নদীমাতৃক এই বাংলাদেশে মানুষ ছোটবেলা থেকে এক একজন সাঁতারু, সুপ্ত প্রতিভা খুঁজে বেরকরতেই এ উদ্দোগ নেওয়া হয়েছে। এ ধরনের উদ্দোগের মাধ্যমে নতুন নতুন সাঁতারু খুঁজে পাওয়া সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

এ প্রতিযোগিতায় পুরুষ বিভাগে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ফয়সাল আহমেদ, মোঃ সাজ্জাদ হোসেন, নৌবাহিনীর পলাশ চৌধুরী, মোঃ কাজল মিয়া, আনসারের মোঃ আশিক শেখ ও আমলা সুইমিং ক্লাব, কুষ্টিয়ার মোঃ আশিকুল ইসলাম অংশ গ্রহন করেন।

মহিলা বিভাগে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মোছাঃ মুক্তি খাতুন, লাবনী আক্তার, নৌবাহিনীর সোনিয়া আক্তার, মোছাঃ সুরাইয়া আক্তার, আনসারের মুক্তা খাতুন এবং আমলা সুইমিং ক্লাব, কুষ্টিয়ার সুমাইয়া আক্তার। এছাড়াও স্বগতিক নড়াইল জেলার পুরুষ বিভাগে মোঃ রবিউল আউয়াল এবং মহিলা বিভাগে মোছাঃ সুমি খাতুন অংশ নেন।

প্রতিযোগিতায় পুরুষ বিভাগে বিজয়ী বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ফয়সাল আহমেদ প্রথমস্থান অধিকার করেন ও দ্বিতীয়স্থান নৌবাহিনীর পলাশ চৌধুরী, এবং মোঃ কাজল মিয়া তৃতীয়স্থান অধিকার করেন।

মহিলা বিভাগে বিজয়ী হয়েছেন নৌবাহিনীর সোনিয়া আক্তার প্রথমস্থান,সেনাবাহিন­ীর মোছাঃ মুক্তি খাতুন দ্বিতীয়স্থান, মোছাঃ সুরাইয়া আক্তার তৃতীয়স্থান অধিকার করেন ।

৭ নভেম্ববর রোববার দুপুরে নড়াইলের চিত্রা নদীতে সাঁতার প্রতিযোগিতায় পুরুষদের রতডাঙ্গা ন্যায়ের ঘাট এলাকা থেকে বাঁধাঘাট পর্যন্তু প্রায় ১০ কিলোমিটার এবং মহিলাদের রতডাঙ্গা মাধ্যমিক বিদ্যালয় ঘাট এলাকা থেকে বাঁধাঘাট পর্যন্ত প্রায় ৬ কিলোমিটার এ প্রতিযোগিারা অংশ নেন।

 

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অরবিন্দ কুমার মণ্ডল, কয়রা, খুলনাঃ

খুলনার কয়রায় জনপ্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
১৬ জুলাই মঙ্গলবার দুপুর ১২ টায় উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ খুলনা জেলার আয়োজনে ও কয়রা উপজেলা প্রশাসনের সহযোগীতায় এ সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুলী বিশ্বাসের সভাপতিত্বে সচেতনতামূলক সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান জি এম মোহসিন রেজা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাসিমা আলম।
এসময় আরও উপস্হিত ছিলেন, কয়রা সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এস এম বাহারুল ইসলাম, উত্তর বেদকাশী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সরদার নুরুল ইসলাম কোম্পানি, দক্ষিণ বেদকাশী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আছের আলী মোড়ল, মহারাজপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবদুল্লাহ আল মাহমুদ, মহেশ্বরীপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শাহনেওয়াজ শিকারী, বাঙ্গালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুস সামাদ গাজী, আমাদী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান জুয়েল সহ সাতটি ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যবৃন্দ।

নিরাপদ খাদ্যের মূল প্রবন্ধ উপস্হাপন করেন খুলনা জেলা নিরাপদ খাদ্য অফিসার মোঃ মোকলেছুর রহমান।

কয়রায় নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত।

মুক্তাগাছা প্রতিনিধি:

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুরের দায়ের কোপে ভাতিজা বউ শিউলী আক্তার খুন হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার সকাল ৭টার দিকে উপজেলার বাঁশাটি ইউনিয়নের গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানাযায়, উপজেলার গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামের বাসিন্দা সিএনজি চালক শরিফুল ইসলামের স্ত্রী শিউলী আক্তার (৩০) স্বপরিবারে ঘুমাচ্ছিল। এ সময় তার চাচা শ্বশুর মৃত নেওয়াজ আলীর পুত্র সোলায়মান মিয়া তাদেরকে ডাকা ডাকি করে ঘর থেকে বের হতে বলে। দরজা খুলে শরিফুল ও তার স্ত্রী শিউলী ঘর থেকে বের হলে সোলায়মান তাদেরকে অকথ্য ভাষায় গালিগালজ করে। এক পর্যায়ে সোলায়মানের হাতে থাকা দা দিয়ে এলোপাতারি কোপাতে শুরু করে। সোলায়মান দা’ দিয়ে শিউলীর ঘাড়ে কোপ দিলে শিউলী ঘটনাস্থলেই মারা যায়। পরে সোলায়মান দা নিয়ে শরিফুলকে ধাওয়া দিলে শরিফ প্রাণ বাঁচাতে পুকুরে লাফ দিয়ে প্রণে বাঁচায়। পরে প্রতিবেশীরা এসে তাকে উদ্ধার করে।
নিহত শিউলী একই উপজেলার মুজাটি গ্রামের মৃত হামেদ আলীর মেয়ে। গত ১২ বছর আগে তাদের বিয়ে হয়। শিউলর ৫ মাসের মেয়ে শিশুসহ ৩ কন্যা সন্তান রয়েছে।
উল্লেখ্য গত শুক্রবার বিকেলে শিউলীর ৬ বছরের মেয়ে লামিয়া এর সাথে সোলায়মানের পুত্রের তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে ঝগড়া হয়। সেই ঝগড়ার জেরেই সকালে নিহতের বাড়িতে এসে তাদের ঘুম থেকে ডেকে এ খুনের ঘটনা ঘটান।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে মুক্তাগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) জহিরুল ইসলাম মুন্না জানান, শনিবার সকালে উপজেলার গোয়ারী উত্তর গ্রামে হত্যার ঘটনা ঘটে। থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে পাঠায়। মামলার প্রস্তুতি চলছে। এঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুড়ের দায়ের কোপে ৩ সন্তানের জননী খুন।