১৫ই জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৩১শে আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।সোমবার

নড়াইলে নৌকার চেয়ারম্যান প্রার্থী আবিদুল ইসলাম ও স্ত্রীর বিরুদ্ধে দুদকে মামলা।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

 

উজ্জ্বল রায়, নড়াইল থেকে:

নড়াইল সদর উপজেলার ভদ্রবিলা ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের মনোনিত প্রার্থী সৈয়দ আবিদুল ইসলাম ও তাঁর স্ত্রী ইসরাত জাহান সহেলীর বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) মামলা হয়েছে। গত ৮ নভেম্বর বিকেলে দুদকের যশোর সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে, ওই কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. মোশাররফ হোসেন বাদী হয়ে মামলা করেন।
আবিদুল ইসলাম সদর উপজেলার ভদ্রবিলা ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী। আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১১ নভেম্নবর)ন ড়াইল সদর উপজেলার ১১ ইউপি ভোটগ্রহণ হবে।
আবিদুল ইসলাম ওই ইউনিয়নের পাইকড়া গ্রামের মৃত সৈয়দ আকবর আলীর ছেলে। নড়াইল সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য। তিনি ঢাকায় ব্যবসায় করেন। গতবার তিনি নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করে পরাজিত হন।
দুদক সূত্রে জানা গেছে, ২০১৯ সালের একটি অভিযোগের ভিত্তিতে দুদক ২০১০ সাল থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত তাঁদের সম্পদের অনুসন্ধান করা হয়। অনুসন্ধানে সৈয়দ আবিদুল ইসলামের (৫০) ৫ কোটি ৪৫ লাখ ৫৬ হাজার ৬২২ টাকা এবং তাঁর স্ত্রী ইসরাত জাহান সহেলীর (৫০) ৮০ লাখ ৯৬ হাজার ২৭১ টাকা জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ থাকার তথ্য পাওয়া যায়।
দুদকের যশোর সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে উপ-পরিচালক মো. নাজমুচ্ছায়াদাত জানান, জ্ঞাত আয় বহির্ভূত ওই সম্পদ অর্জনের তথ্য পেয়ে তাঁদের বিরুদ্ধে পৃথক দুটি মামলা করা হয়েছে। এ বিষয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
6 hours ago · Sent from Messenger

 

উজ্জ্বল রায়, নড়াইল থেকে:

 

নড়াইল সদর উপজেলার ভদ্রবিলা ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের মনোনিত প্রার্থী সৈয়দ আবিদুল ইসলাম ও তাঁর স্ত্রী ইসরাত জাহান সহেলীর বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) মামলা হয়েছে। গত ৮ নভেম্বর বিকেলে দুদকের যশোর সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে, ওই কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. মোশাররফ হোসেন বাদী হয়ে মামলা করেন।

আবিদুল ইসলাম সদর উপজেলার ভদ্রবিলা ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী। আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১১ নভেম্নবর)ন ড়াইল সদর উপজেলার ১১ ইউপি ভোটগ্রহণ হবে।

আবিদুল ইসলাম ওই ইউনিয়নের পাইকড়া গ্রামের মৃত সৈয়দ আকবর আলীর ছেলে। নড়াইল সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য। তিনি ঢাকায় ব্যবসায় করেন। গতবার তিনি নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করে পরাজিত হন।

দুদক সূত্রে জানা গেছে, ২০১৯ সালের একটি অভিযোগের ভিত্তিতে দুদক ২০১০ সাল থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত তাঁদের সম্পদের অনুসন্ধান করা হয়। অনুসন্ধানে সৈয়দ আবিদুল ইসলামের (৫০) ৫ কোটি ৪৫ লাখ ৫৬ হাজার ৬২২ টাকা এবং তাঁর স্ত্রী ইসরাত জাহান সহেলীর (৫০) ৮০ লাখ ৯৬ হাজার ২৭১ টাকা জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ থাকার তথ্য পাওয়া যায়।

দুদকের যশোর সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে উপ-পরিচালক মো. নাজমুচ্ছায়াদাত জানান, জ্ঞাত আয় বহির্ভূত ওই সম্পদ অর্জনের তথ্য পেয়ে তাঁদের বিরুদ্ধে পৃথক দুটি মামলা করা হয়েছে। এ বিষয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

মুক্তাগাছা প্রতিনিধি:

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুরের দায়ের কোপে ভাতিজা বউ শিউলী আক্তার খুন হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার সকাল ৭টার দিকে উপজেলার বাঁশাটি ইউনিয়নের গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানাযায়, উপজেলার গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামের বাসিন্দা সিএনজি চালক শরিফুল ইসলামের স্ত্রী শিউলী আক্তার (৩০) স্বপরিবারে ঘুমাচ্ছিল। এ সময় তার চাচা শ্বশুর মৃত নেওয়াজ আলীর পুত্র সোলায়মান মিয়া তাদেরকে ডাকা ডাকি করে ঘর থেকে বের হতে বলে। দরজা খুলে শরিফুল ও তার স্ত্রী শিউলী ঘর থেকে বের হলে সোলায়মান তাদেরকে অকথ্য ভাষায় গালিগালজ করে। এক পর্যায়ে সোলায়মানের হাতে থাকা দা দিয়ে এলোপাতারি কোপাতে শুরু করে। সোলায়মান দা’ দিয়ে শিউলীর ঘাড়ে কোপ দিলে শিউলী ঘটনাস্থলেই মারা যায়। পরে সোলায়মান দা নিয়ে শরিফুলকে ধাওয়া দিলে শরিফ প্রাণ বাঁচাতে পুকুরে লাফ দিয়ে প্রণে বাঁচায়। পরে প্রতিবেশীরা এসে তাকে উদ্ধার করে।
নিহত শিউলী একই উপজেলার মুজাটি গ্রামের মৃত হামেদ আলীর মেয়ে। গত ১২ বছর আগে তাদের বিয়ে হয়। শিউলর ৫ মাসের মেয়ে শিশুসহ ৩ কন্যা সন্তান রয়েছে।
উল্লেখ্য গত শুক্রবার বিকেলে শিউলীর ৬ বছরের মেয়ে লামিয়া এর সাথে সোলায়মানের পুত্রের তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে ঝগড়া হয়। সেই ঝগড়ার জেরেই সকালে নিহতের বাড়িতে এসে তাদের ঘুম থেকে ডেকে এ খুনের ঘটনা ঘটান।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে মুক্তাগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) জহিরুল ইসলাম মুন্না জানান, শনিবার সকালে উপজেলার গোয়ারী উত্তর গ্রামে হত্যার ঘটনা ঘটে। থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে পাঠায়। মামলার প্রস্তুতি চলছে। এঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুড়ের দায়ের কোপে ৩ সন্তানের জননী খুন।

অররবিন্দ কুমার মণ্ডল, কয়রা, খুলনা ঃ

প্রেমিকাকে ভিডিও কলে রেখে আসাদুল ইসলাম (১৯) নামে কয়রার এক কলেজছাত্র গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।

৯ জুলাই, মঙ্গলবার ভোরে আসাদুলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সে খুলনার কয়রা উপজেলার মহেশ্বরীপুর গ্রামের নজরুল ইসলাম সরদারের ছেলে। আমাদী জায়গীমহল খান সাহেব কোমর উদ্দীন কলেজে দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র ছিলেন তিনি। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এক বছর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি মেয়ের সঙ্গে পরিচয় হয় আসাদুলের। পরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে প্রেমিকাকে বিয়ের প্রস্তাব দেন কলেজছাত্র আসাদুল। কিন্তু প্রেমিকা বিয়েতে রাজি না হওয়ায় তাকে ভিডিও কলে রেখে নিজ ঘরের আড়ার সঙ্গে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে জানা গেছে।

কলেজছাত্রের প্রতিবেশী ও স্থানীয় ইউপি সদস্য মিজানুর রহমান বলেন, আসাদুল ইসলামের সঙ্গে উত্তরবঙ্গের একটি মেয়ের প্রেমের সম্পর্ক ছিল বলে জানতাম। মেয়েটির সঙ্গে কয়েকবার দেখাও করেছেন তিনি। পরে ঐ মেয়েটিকে বিয়ের জন্য আসাদুল তার পরিবারকে জানান। তার পরিবার তাদের বিয়েতে রাজি হয়। কিন্তু পরে জানতে পারি মেয়েটি রাজি হয়নি। হয়তো সেই দুঃখে তিনি আত্মহত্যা করেছেন।

কয়রা থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) ইব্রাহিম হোসেন জানান, কলেজছাত্রটি আলাদা ঘরে থাকতেন। সেখানেই তার মরদেহ পাওয়া গেছে। তার সোজাসুজি রাখা ভিডিও কল চালু অবস্থায় একটি মোবাইল ফোন পাওয়া গেছে। ধারণা করা হচ্ছে অপর প্রান্তে থাকা কাউকে ভিডিও কলে রেখে তিনি আত্মহত্যা করেছেন। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে জানান তিনি। তার অকাল মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

প্রেমিকাকে ভিডিও কলে রেখে কয়রার যুবকের গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা।