২২শে জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৭ই শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।সোমবার

নৌকার মাঝি হয়ে হাল ধরতে চান আব্দুল মতিন মাস্টার ।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

 

মোঃ সোহাগ আরেফিন ( নাটোর প্রতিনিধি) ।

 

নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার ৫ নং ধারাবারিষা ইউনিয়ন পরিষদের পরিবর্তনের অঙ্গীকার নিয়ে নৌকার মাঝি হয়ে হাল হতে চান বিশিষ্ট আওয়ামিলীগ নেতা ও দু’বারের সফল চেয়ারম্যান জনাব আব্দুল মতিন মাস্টার।নির্বাচনের দিন যতই সন্নিকটে ঘনিয়ে আসছে ততোই এলাকাবাসীর মধ্যে ঐক্য আরও সুদৃঢ় হচ্ছে বলে জানা গেছে। জনাব আব্দুল মতিন মাস্টারকে চেয়ারম্যান হিসাবে নির্বাচিত করার জন্য চলছে গণসংযোগ ও প্রচারণা । চেয়ারম্যান প্রার্থীকে সাথে করে নিয়ে তৃণমূল পর্যায়ে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী ও সমর্থকবৃন্দরা ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় ও বাজারে চালাচ্ছেন গণসংযোগ ও প্রচারণা। চেয়ারম্যান প্রার্থী নিজেও দিন-রাত ভোটারদের দোরগোড়ায় গিয়ে শুভেচ্ছা বিনিময় করে চাচ্ছেন ভোট ও দোয়া।এছাড়াও ইউনিয়নের নয়টি ওয়ার্ডের সব শ্রেণিপেশার মানুষ একতাবদ্ধ হয়ে চালিয়ে যাচ্ছেন মতবিনিময় সভা।ধারাবারিষা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহোচর ও সাবেক চেয়ারম্যান মরহুম চাঁদ মোহাম্মদ মন্ডলের ছেলে।তিনি শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে এবং স্থানীয় সংসদ সাবেক প্রতিমন্ত্রী ও নাটোর জেলা আওয়ামীলীগের সম্মানিত সভাপতি আলহাজ্ব অধ্যাপক মোঃ আব্দুল কুদ্দুস এমপির উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে চেয়ারম্যান প্রার্থী হওয়ায় এলাকাবাসীর মাঝে ব্যাপক উদ্দীপনা বিরাজ করছে।

এলাকাবাসীরা বলেন,উন্নয়নের ধারা অব্যাহত ও ইউনিয়নের শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে আব্দুল মতিন মাস্টারের বিকল্প নেই।

আব্দুল মতিন মাস্টার বলেন, মাঠে একট্টা হচ্ছে এলাকাবাসী। আসন্ন ৫ জানুয়ারী নির্বাচনে আমাকে আবারও চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত করতে কাজ করছেন ইউনিয়নের বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মী, সমর্থকবৃন্দ ও সর্বস্তরের মানুষ। আমি স্থানীয় সংসদ আলহাজ্ব অধ্যাপক মোঃ আব্দুল কুদ্দুস এমপির নির্দেশে ইউনিয়নের সর্বত্র কাজ করছি। কোভিট-১৯ অতি মহামারীর সময়ে দ্যুস্থ – অসহায় ও হত দরিদ্র মানুষের ঘরে ঘরে খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দিয়েছি। তৃণমূলের মতামতের ভিত্তিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাকে মনোনয়ন দেবেন এটাই প্রত্যাশা করছি। আমি জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনে জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠত্বের পুরষ্কার অর্জন করেছি।এই অহংকার ও গৌরব ধারাবারিষার প্রতিটি মানুষের। এটা আমার একার নয়।তারই ধারাবাহিকতায় আমি ধারাবারিষা ইউনিয়নকে আধুনিক মডেল ইউনিয়নে রূপান্তর করব। সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও মাদকমুক্ত আধুনিক ইউনিয়ন গড়ে তুলব ইনশাআল্লাহ।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অরবিন্দ কুমার মণ্ডল, কয়রা, খুলনাঃ

খুলনার কয়রায় জনপ্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
১৬ জুলাই মঙ্গলবার দুপুর ১২ টায় উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ খুলনা জেলার আয়োজনে ও কয়রা উপজেলা প্রশাসনের সহযোগীতায় এ সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুলী বিশ্বাসের সভাপতিত্বে সচেতনতামূলক সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান জি এম মোহসিন রেজা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাসিমা আলম।
এসময় আরও উপস্হিত ছিলেন, কয়রা সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এস এম বাহারুল ইসলাম, উত্তর বেদকাশী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সরদার নুরুল ইসলাম কোম্পানি, দক্ষিণ বেদকাশী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আছের আলী মোড়ল, মহারাজপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবদুল্লাহ আল মাহমুদ, মহেশ্বরীপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শাহনেওয়াজ শিকারী, বাঙ্গালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুস সামাদ গাজী, আমাদী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান জুয়েল সহ সাতটি ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যবৃন্দ।

নিরাপদ খাদ্যের মূল প্রবন্ধ উপস্হাপন করেন খুলনা জেলা নিরাপদ খাদ্য অফিসার মোঃ মোকলেছুর রহমান।

কয়রায় নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত।

মুক্তাগাছা প্রতিনিধি:

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুরের দায়ের কোপে ভাতিজা বউ শিউলী আক্তার খুন হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার সকাল ৭টার দিকে উপজেলার বাঁশাটি ইউনিয়নের গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানাযায়, উপজেলার গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামের বাসিন্দা সিএনজি চালক শরিফুল ইসলামের স্ত্রী শিউলী আক্তার (৩০) স্বপরিবারে ঘুমাচ্ছিল। এ সময় তার চাচা শ্বশুর মৃত নেওয়াজ আলীর পুত্র সোলায়মান মিয়া তাদেরকে ডাকা ডাকি করে ঘর থেকে বের হতে বলে। দরজা খুলে শরিফুল ও তার স্ত্রী শিউলী ঘর থেকে বের হলে সোলায়মান তাদেরকে অকথ্য ভাষায় গালিগালজ করে। এক পর্যায়ে সোলায়মানের হাতে থাকা দা দিয়ে এলোপাতারি কোপাতে শুরু করে। সোলায়মান দা’ দিয়ে শিউলীর ঘাড়ে কোপ দিলে শিউলী ঘটনাস্থলেই মারা যায়। পরে সোলায়মান দা নিয়ে শরিফুলকে ধাওয়া দিলে শরিফ প্রাণ বাঁচাতে পুকুরে লাফ দিয়ে প্রণে বাঁচায়। পরে প্রতিবেশীরা এসে তাকে উদ্ধার করে।
নিহত শিউলী একই উপজেলার মুজাটি গ্রামের মৃত হামেদ আলীর মেয়ে। গত ১২ বছর আগে তাদের বিয়ে হয়। শিউলর ৫ মাসের মেয়ে শিশুসহ ৩ কন্যা সন্তান রয়েছে।
উল্লেখ্য গত শুক্রবার বিকেলে শিউলীর ৬ বছরের মেয়ে লামিয়া এর সাথে সোলায়মানের পুত্রের তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে ঝগড়া হয়। সেই ঝগড়ার জেরেই সকালে নিহতের বাড়িতে এসে তাদের ঘুম থেকে ডেকে এ খুনের ঘটনা ঘটান।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে মুক্তাগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) জহিরুল ইসলাম মুন্না জানান, শনিবার সকালে উপজেলার গোয়ারী উত্তর গ্রামে হত্যার ঘটনা ঘটে। থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে পাঠায়। মামলার প্রস্তুতি চলছে। এঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুড়ের দায়ের কোপে ৩ সন্তানের জননী খুন।