১৮ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৪ঠা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।মঙ্গলবার

নিয়ম মেনে গাড়ি চালালেই বিপদ।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

মোঃ রোকনুজ্জামান রাসেল, কাজিপুর, সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

 

সীমান্তবাজার থেকে গান্ধাইল বাজার যেতে কাঁঠালতলা মোড় বলে পরিচিত একটি জায়গা মূলত চৌরাস্তা। এই রাস্তাটি একটি ব্যস্ততম রাস্তা হিসেবে পরিচিত। এই কাঁঠালতলা মোড়ে কিছুদিন আগে একটি গোলচত্বর করা হয়েছে যা এখন চালকদের কাছে মারণফাঁদ হিসেবে দেখা দিয়েছে। চারটি রাস্তার তিনটি রাস্তা থেকে এই চত্বরটি দেখা যায় না বলে চালকরা স্বাভাবিক নিয়মে গাড়ি চালাতে গিয়ে হঠাৎ বিপত্তিতে পড়েন। তাছাড়া গোলচত্বরের নিয়ম অনুযায়ী সব গাড়িকে ঘড়ির কাঁটার দিকে মোড় নিয়ে ঘুরতে হবে যা এখানে কোন কোন ক্ষেত্রে অসম্ভব। ফলশ্রুতিতে এখানে যে চালক নিয়ম মেনে ঘুরতে যাবে সেই চালক পড়বে বিপদে। এরকমভাবে কয়েকটি ট্রাক বিভিন্ন সময়ে দুর্ঘটনার শিকার হয়েছে। এছাড়াও প্রায় প্রতিদিন এখানে দুর্ঘটনা ঘটেই যাচ্ছে। যেকোন মূহুর্তে বড় ধরণের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে এলাকাবাসী জানায়। এই রাস্তায় চলাচলকারী চালকদের সাথে কথা বললে তারা জানান, “এই চত্বরটির কারণে আমাদের গাড়ি চালানো খুবই অসুবিধা হচ্ছে। আমাদের ধারণা, এটা কোন ইঞ্জিনিয়রের পরামর্শে করা হয়নি। তাছাড়া এখানে এত বড় চত্বর করে রাস্তা পুরোটা নষ্ট করা হয়েছে। তাই আমাদের দাবী অতি দ্রুত এই গোল চত্বরটি ভালো ইঞ্জিনিয়রের পরিকল্পনা মোতাবেক পুণঃনির্মাণ করা হোক।” এলাকার সচেতন মহল মনে করেন, বড় কোন দুর্ঘটনা ঘটার আগেই যথাযথ কর্তৃপক্ষ বিষয়টির প্রতি সুদৃষ্টি দিবেন। (ছবি আছে)

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি