১৮ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৪ঠা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।মঙ্গলবার

নিখোঁজ কনস্টেবল,এক বছরেও সন্ধান পায়নি পুলিশ ।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

এ সালাম রুবেল ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধিঃ

 

পুলিশ কর্মকর্তাদের দ্বারে দ্বারে ঘুরে দীর্ঘ এক বছর ধরে নিখোঁজ পুলিশ কনস্টেবলের সন্ধান না পেয়ে ঠাকুরগাঁওয়ে নিখোঁজ রাজিউর ইসলাম নামে এক পুলিশ কনস্টেবল সন্ধান চেয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছে তাঁর পরিবার।

 

বুধবার দুপুরে ঠাকুরগাঁও রিপোর্টার্স ইউনিটি কার্যালয়ে এ সাংবাদিক সম্মেলন করেন। সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন তাঁর স্ত্রী ফাতেমা আক্তার ও তাঁর মা মনোয়ারা বেগম।

 

নিখোঁজ পুলিশ কনস্টেবলের বাড়ী ঠাকুরগাঁও জেলার পীরগঞ্জ উপজেলার জলগাঁও গ্রামের মৃত সাইফুর রহমানের ছেলে। তিনি পুলিশ কনস্টেবলের নিয়োগ পেয়ে পঞ্চগড়ের আটোয়ারী থানায় যোগ দেন। সেখান থেকে অজ্ঞাত কারণে তাঁকে ক্লোজ করে পঞ্চগড় পুলিশ লাইনে পাঠায় উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ।

 

সাংবাদিক সম্মেলনে তাঁর মা মনোয়ারা বেগম লিখিত বক্তব্যে বলেন, গত বছরের ২৮ আগস্ট তাকে বাড়ীতে আসার জন্য ছুটি দিলে পুলিশ লাইন থেকে বের নিখোঁজ হয় ওই পুলিশ কনস্টেবল। এরপর থেকে সকল স্থানে খোঁজাখুজি সন্ধান পায়নি তাঁর পরিবার। সন্ধান চেয়ে পঞ্চগড় থানায় সাধারণ ডাইরী করার এক বছর সময় পার হয়েছে। পঞ্চগড়ের পুলিশ সুপার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, নীলফামারী জেলার গোয়েন্দা বিভাগের হাশিবুল ইসলামসহ উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের নিকট একাধিকার আমার ছেলের সন্ধাননে গেলেও তাঁরা কোন সহযোগিতা করেনি। উল্টো আজ কাল আসবে বলে কালক্ষেপন করছেন।

 

তাঁর মা আরও বলেন, নীলফামারী জেলার গোয়েন্দা বিভাগের হাশিবুল ইসলামের সাথে সু-সম্পর্ক থাকায় ছেলেকে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য নিশ্চয়তা প্রদান করলেও এক বছরও খোঁজ মেলেনি রাজিউরের।

 

পুলিশ কনস্টেবলের স্ত্রী ফাতেমা আক্তার বলেন, দীর্ঘ এক বছর ৩ বছরের ছেলে সন্তানকে নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছি। কর্তৃপক্ষ তার বেতন ভাতা বন্ধ করে দিয়েছে। স্বামীকে না ফিরে পেলে অনাহারে রাস্তায় দাড়াতে হবে। স্বামীকে ফিরে পেতে পুলিশের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি