১৬ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।২রা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।রবিবার

নালিতাবাড়ী থানা পুলিশ জমকালো আয়োজনে পুলিশ কনস্টেবল কে বিদায় সংবর্ধনা দিলেন।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

শাহাদত তালুকদার নালিতাবাড়ী উপজেলাঃ
শেরপুরের নালিতাবাড়ী থানায় ৩ আগস্ট মঙ্গলবার পুলিশ কনস্টেবল পদে ৪০ বছর চাকরি শেষে প্রনোয়েল দ্রং কে সম্মান ও ভালোবাসা দিয়ে জমকালো আয়োজনে বিদায় দেওয়া হয়।

চাকরিজীবনের শেষ দিনটি স্মরণীয় করতে বিশেষ সংবর্ধনার আয়োজন করেছিল নালিতাবাড়ী থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি বছির আহামেদ বাদল এর উদ্যোগে -থানা পুলিশ ।
বিশাল আয়োজনে ছিলো দিন টি-
সংবর্ধনায় তাঁর হাতে তুলে দেওয়া হয় প্যান্ট, শার্ট, গেঞ্জি; তাঁর স্ত্রীর জন্য শাড়ি, জামা ও ফুল। বিদায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন নালীতাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বছির আহমেদ বাদল।
আরও বক্তব্য দেন এসআই সাইদুর রহমান,এস.আই ওয়াহেদ আলী, এ এসআই আমিনুল ইসলাম ও কনস্টেবল এমদাত।

সংবর্ধনা দেওয়ার শেষে ফুল আর বেলুন দিয়ে সাজানো হয় থানার ওসির সরকারি গাড়িটি। সেই গাড়ি দিয়ে তাঁকে পৌঁছে দেওয়া হয় গ্রামের বাড়িতে।
চাকরি জীবনের বিস্তারিত জানতে গেলে সর্বশেষ নালিতাবাড়ী থানায় কনস্টেবল পদে দায়িত্ব পালন করেন প্রনোয়েল দ্রং।
পরে ফুল দিয়ে সাজানো থানার ওসির সরকারি গাড়িতে করে শেষ কর্মস্থল নালিতাবাড়ী থেকে ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলার সংড়া গ্রামের বাড়িতে পাঠানো হয় তাঁকে। ৪০ বছরের চাকরিজীবনের ইতি ঘটিয়ে আজ থেকে তাঁর অবসরোত্তর ছুটি শুরু হয়।

নালিতাবাড়ী থানায় এমন বিদায়ী আয়োজনে সাধারণ মানুষের মুখে প্রশংসায় ওসি বছির আহামেদ বাদল।
এই বিষয়ে ওসি বলেন আমি এ নিয়ে তিনজনের এ ধরনের ব্যতিক্রমী বিদায় অনুষ্ঠান আয়োজন করে বিদায় দিয়েছি। সত্যিকার অর্থে বিদায়বেলাটা খুব কষ্টের হয়। বিদায় মুহূর্তকে স্মরণীয় করে রাখতেই মূলত এই আয়োজন করা হয়েছে।’
কনেস্টবল প্রনোয়েল দ্রং বিদায়ী বেলায় বলেন আমার ৪০ বছর চাকরিজীবনে সম্মানের সঙ্গে কাজ করেছি। চাকরিজীবন শেষে সম্মানের সঙ্গে বিদায় নেওয়া অনেক আনন্দের। ওসি স্যার, ছোট স্যাররা ও আমার সহকর্মীরা আমারে দারুণ সম্মান জানাইছেন। স্যারের গাড়ি ফুলে ও বেলুন দিয়ে সজ্জিত করে আমারে গ্রামের বাড়িতে পৌঁছে দিয়েছেন।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি