১৮ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৪ঠা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।মঙ্গলবার

নারায়ণপুর পৌর ছাত্রলীগের উদ্যোগে শোক দিবস ও ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় নিহতদের স্মরণে আলোচনা সভা ও বিশেষ দোয়া।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

মোঃ রিফাত পাটোয়ারী মতলব দক্ষিণ(চাঁদপুর) প্রতিনিধিঃ

 

 

 

স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানের ৪৬ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী

 

জাতীয় শোক দিবস ও ২১ আগস্ট বর্র্বরোচিত গ্রেনেড হামলায় নিহত সকল শহীদদের স্মরণে

 

মতলব দক্ষিণ উপজেলার নারায়ণপুর পৌর ৮নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগের আয়োজনে মঙ্গলবার (৩১ আগস্ট) উত্তর গোবিন্দপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে বিকাল ৩ টায় এক আলোচনা সভা ও বিশেষ দোয়া আয়োজন করা হয়।

 

 

 

সভায় ৮নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সভাপতি মোঃ জসিম চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও ইমরান হাসান মুন্নার সঞ্জালনায়

 

বক্তব্য রাখেন নারায়ণপুর পৌর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ জমির পাটোয়ারী, নায়েরগাঁও দক্ষিণ ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ সবুজ প্রধান ,৮নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি নারায়ণ মজুমদার, সাধারণ সম্পাদক মোঃ মনির হোসেন পাটোয়ারী, নারায়নপুর পৌর যুবলীগ যুগ্ম -সাধারণ সম্পাদক মোঃ রিপন প্রধান, মোঃ মনির হোসেন, পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি মোঃ তাহেরুল ইসলাম সাদ্দাম, সহ-সভাপতি মোঃ শরীফ হোসেন,সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ কাউছার আলম পান্না, নারায়ণপুর ডিগ্রি কলেজ ছাত্রলীগের যুগ্ম- সাধারণ সম্পাদক মোঃ মাসুদ প্রধান শান্তসহ পৌর আওয়ামী লীগ, যুবলীগ,ছাত্রলীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

 

 

 

 

 

এ সময় বক্তারা বলেন, ১৯৭৫ সালে ১৫ই আগস্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যা ও ২০০৪ সালে তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেত্রী বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিত গ্রেনেড হামলা একই সূত্রে গাঁথা। ১৯৭৫ সালে স্বাধীনতা ও দেশ বিরোধী ও বিপদগামী সেনা এবং কিছু বেসরকারী চক্র জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যা করেছিল। তারা শুধু বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে শান্ত হয়নি। বঙ্গবন্ধুর পরিবারের সকল সদস্য এমনকি শিশু আন্তসত্ব নারীও বাদ যায়নি। বঙ্গবন্ধুর আত্মীয়-স্বজনকেও পরিবারকে একসাথে হত্যা করে। একই ভাবে ২০০৪ সালে শেখ হাসিনাকে হত্যা করে এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে নেত্রী শূন্য করতে সন্ত্রাস বিরোধী সমাবেশে গ্রেনেডহামলা করা হয়েছে। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা জননেত্রী শেখ হাসিনাকে মানবজাল তৈরি করে নিরাপদে গাড়িতে নিতে গেলে সেখানেও সন্ত্রাসীরা গুলি বর্ষণ করে হত্যা চেষ্ঠা করেছে। শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত দেহ রক্ষী গুলিতে মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যু বরণ করেছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মহিলা সম্পাদক বেগম আইভীর রহমান সহ অসংখ্য নেতাকর্মী। এখনও অনেক নেতাকর্মীরা শরীরে বোমার স্পিটার নিয়ে বেঁচে আছে। সে শোককে শক্তিতে রুপান্তরিত করে এবং বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নকে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে দেশকে একটি উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে বিশ্বের দরবারে তুলে ধরেছেন।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি