১৪ই জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৩০শে আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।রবিবার

নাগরপুরে ইউপি চেয়ারম্যান নৌকা ৬ বিদ্রোহী -২ ও স্বতন্ত্র -৩ ।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

 

মোঃ আব্দুর রাজ্জাক রাজা ,

নাগরপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি ঃ

টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার ১১ টি ইউনিয়ন পরিষদের মধ্যে ৬ টি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ প্রার্থী নৌকা প্রতীকে চেয়ারম্যান পদে জয়ী হয়েছেন। ২ টি ইউনিয়নে বিদ্রোহী স্বতন্ত্র এবং ৩ টি ইউনিয়নে বিএনপি-সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থী চেয়ারম্যান হয়েছেন।

রবিবার (২৮ নভেম্বর) সকাল ৮ টা থেকে বিকেল ৪ টা পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ ভাবেই ভোট গ্রহন অনুষ্ঠিত হয় । উপজেলার ১১ টি ইউনিয়নে মোট ৫৮ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী, সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে ১৩৭ জন, সদস্য (মেম্বার) পদে ৪৬৬ জন সহ সর্বমোট ৬৬১ জন প্রার্থী তাদের অনুকূলে নৌকা, হাতপাখা, ঘোড়া, গামছা ও আনারস সহ সর্বমোট ২০ টির অধিক প্রতীক নিয়ে এবারের নির্বাচনে প্রতিদ্ব›দ্বীতা করেছেন।

বিজয়ীরা হলেন, নাগরপুর সদর ইউনিয়নে (নৌকা) প্রতীক মার্কার প্রার্থী মোঃ কুদরত আলী, ৬ হাজার ৯৪৭ ভোট পেয়ে বিজয় হয়েছেন, তার নিকট তম প্রতিদ্ব›দ্বী আনারস মার্কা প্রতিক নিয়ে রফিজ উদ্দিন (স্বতন্ত্র) ৪ হাজার ৯৬৫ ভোট পেয়েছে। সলিমাবাদ ইউনিয়নে (নৌকা) প্রতীক মার্কার প্রার্থী মো: শাহীদুল ইসলাম অপু , ৫ হাজার ৮৬৩ ভোট পেয়ে বিজয় হয়েছেন, তার নিকট তম প্রতিদ্ব›দ্বী (লাঙ্গল) মার্কা প্রতীক নিয়ে মো: এমদাদ হোসেন ৪ হাজার ২৬৪ ভোট পেয়েছে। গয়হাটা ইউনিয়নে (নৌকা) প্রতীক মার্কার প্রার্থী শেখ শামছুল হক, ৯ হাজার ৬৯০ ভোট পেয়ে বিজয় হয়েছেন, তার নিকট তম প্রতিদ্ব›দ্বী (স্বতন্ত্র) ঘোড়া মার্কা প্রতীক নিয়ে মোস্তাফিজুর রহমান আসকর ৬ হাজার ৭০৯ ভোট পেয়েছে। বেকড়া আটগ্রাম ইউনিয়নে (নৌকা) প্রতীক মার্কার প্রার্থী মো: শওকত হোসেন, ৫ হাজার ৬৪২ ভোট পেয়ে বিজয় হয়েছেন, তার নিকট তম প্রতিদ্ব›দ্বী (স্বতন্ত্র) ঘোড়া মার্কা প্রতীক খান মোঃ আসাদুজ্জামান কিছলু, ১ হাজার ৩২৫ ভোট পেয়েছে। মামুদনগর ইউনিয়নে (নৌকা) প্রতীক মার্কার প্রার্থী মোঃ জজ কামাল, ৭ হাজার ৫০৫ ভোট পেয়ে বিজয় হয়েছেন, তার নিকট তম প্রতিদ্ব›দ্বী (স্বতন্ত্র) আনারস মার্কা প্রতীক নিয়ে মুহাম্মদ আনোয়ার হোসেন ৬ হাজার ০১৬ ভোট পেয়েছে। মোকনা ইউনিয়নে (নৌকা) প্রতীক মার্কার প্রার্থী মো: শরিফুল ইসলাম, ৬ হাজার ৫৫৬ ভোট পেয়ে বিজয় হয়েছেন, তার নিকট তম প্রতিদ্ব›দ্বী (স্বতন্ত্র) আনারস মার্কা প্রতীক খান মো: আতাউর রহমান খান, ৪ হাজার ৭২৮ ভোট পেয়েছে। ধুবড়িয়া ইউনিয়নে স্বতন্ত্র (আনারস) প্রতীক মার্কার প্রার্থী মোঃ শফিকুর রহমান খান, ৪ হাজার ৩৪৩ ভোট পেয়ে বিজয় হয়েছেন, তার নিকট তম প্রতিদ্ব›দ্বী (নৌকা) মার্কা প্রতীক নিয়ে মো: মতিয়ার রহমান ৩ হাজার ৬১১ ভোট পেয়েছে। ভাদ্রা ইউনিয়নে স্বতন্ত্র (টেবিল ফ্যান) প্রতীক মার্কার প্রার্থী শওকত আলী, ৩ হাজার ৭৪১ ভোট পেয়ে বিজয় হয়েছেন, তার নিকট তম প্রতিদ্ব›দ্বী (মোটরসাইকেল) মার্কা প্রতীক নিয়ে মো: হাবিবুর রহমান খান ৩ হাজার ২৬২ ভোট পেয়েছে। পাকুটিয়া ইউনিয়নে স্বতন্ত্র (আনারস) প্রতীক মার্কার প্রার্থী মোঃ ছিদ্দিকুর রহমান, ৩ হাজার ২৯০ ভোট পেয়ে বিজয় হয়েছেন, তার নিকট তম প্রতিদ্ব›দ্বী (নৌকা) মার্কা প্রতীক নিয়ে মোহাম্মদ শামীম খান ২ হাজার ৯১২ ভোট পেয়েছে। দপ্তিয়র ইউনিয়নে স্বতন্ত্র (আনারস) প্রতীক মার্কার প্রার্থী এম ফিরোজ সিদ্দিকী, ৪ হাজার ৬৮৩ ভোট পেয়ে বিজয় হয়েছেন, তার নিকট তম প্রতিদ্ব›দ্বী (নৌকা) মার্কা প্রতীক নিয়ে মো: আবুল হাশেম ৪ হাজার ৩৩৯ ভোট পেয়েছে। সহবতপুর ইউনিয়নে স্বতন্ত্র (ঘোড়া) প্রতীক মার্কার প্রার্থী মোঃ তোফায়েল আহমেদ মোল্লা, ৯ হাজার ৭৪২ ভোট পেয়ে বিজয় হয়েছেন, তার নিকট তম প্রতিদ্ব›দ্বী (নৌকা) মার্কা প্রতীক নিয়ে মোঃ আনিসুর রহমান ৮ হাজার ১৭২ ভোট পেয়েছে।

নাগরপুর উপজেলা নির্বাচন ও রিটানিং কর্মকর্তা মো: আরশেদ আলী জানান, শান্তিপূর্ণ ভাবে ভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে। নির্বাচন সুষ্ঠ করতে সর্বদা আইনশৃঙ্খা বাহিনী পুলিশের পাশাপাশি র‌্যাব, বিজিবি, আনসার সদস্যরা মাঠে ছিলেন।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

মুক্তাগাছা প্রতিনিধি:

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুরের দায়ের কোপে ভাতিজা বউ শিউলী আক্তার খুন হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার সকাল ৭টার দিকে উপজেলার বাঁশাটি ইউনিয়নের গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানাযায়, উপজেলার গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামের বাসিন্দা সিএনজি চালক শরিফুল ইসলামের স্ত্রী শিউলী আক্তার (৩০) স্বপরিবারে ঘুমাচ্ছিল। এ সময় তার চাচা শ্বশুর মৃত নেওয়াজ আলীর পুত্র সোলায়মান মিয়া তাদেরকে ডাকা ডাকি করে ঘর থেকে বের হতে বলে। দরজা খুলে শরিফুল ও তার স্ত্রী শিউলী ঘর থেকে বের হলে সোলায়মান তাদেরকে অকথ্য ভাষায় গালিগালজ করে। এক পর্যায়ে সোলায়মানের হাতে থাকা দা দিয়ে এলোপাতারি কোপাতে শুরু করে। সোলায়মান দা’ দিয়ে শিউলীর ঘাড়ে কোপ দিলে শিউলী ঘটনাস্থলেই মারা যায়। পরে সোলায়মান দা নিয়ে শরিফুলকে ধাওয়া দিলে শরিফ প্রাণ বাঁচাতে পুকুরে লাফ দিয়ে প্রণে বাঁচায়। পরে প্রতিবেশীরা এসে তাকে উদ্ধার করে।
নিহত শিউলী একই উপজেলার মুজাটি গ্রামের মৃত হামেদ আলীর মেয়ে। গত ১২ বছর আগে তাদের বিয়ে হয়। শিউলর ৫ মাসের মেয়ে শিশুসহ ৩ কন্যা সন্তান রয়েছে।
উল্লেখ্য গত শুক্রবার বিকেলে শিউলীর ৬ বছরের মেয়ে লামিয়া এর সাথে সোলায়মানের পুত্রের তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে ঝগড়া হয়। সেই ঝগড়ার জেরেই সকালে নিহতের বাড়িতে এসে তাদের ঘুম থেকে ডেকে এ খুনের ঘটনা ঘটান।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে মুক্তাগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) জহিরুল ইসলাম মুন্না জানান, শনিবার সকালে উপজেলার গোয়ারী উত্তর গ্রামে হত্যার ঘটনা ঘটে। থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে পাঠায়। মামলার প্রস্তুতি চলছে। এঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুড়ের দায়ের কোপে ৩ সন্তানের জননী খুন।

অররবিন্দ কুমার মণ্ডল, কয়রা, খুলনা ঃ

প্রেমিকাকে ভিডিও কলে রেখে আসাদুল ইসলাম (১৯) নামে কয়রার এক কলেজছাত্র গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।

৯ জুলাই, মঙ্গলবার ভোরে আসাদুলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সে খুলনার কয়রা উপজেলার মহেশ্বরীপুর গ্রামের নজরুল ইসলাম সরদারের ছেলে। আমাদী জায়গীমহল খান সাহেব কোমর উদ্দীন কলেজে দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র ছিলেন তিনি। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এক বছর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি মেয়ের সঙ্গে পরিচয় হয় আসাদুলের। পরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে প্রেমিকাকে বিয়ের প্রস্তাব দেন কলেজছাত্র আসাদুল। কিন্তু প্রেমিকা বিয়েতে রাজি না হওয়ায় তাকে ভিডিও কলে রেখে নিজ ঘরের আড়ার সঙ্গে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে জানা গেছে।

কলেজছাত্রের প্রতিবেশী ও স্থানীয় ইউপি সদস্য মিজানুর রহমান বলেন, আসাদুল ইসলামের সঙ্গে উত্তরবঙ্গের একটি মেয়ের প্রেমের সম্পর্ক ছিল বলে জানতাম। মেয়েটির সঙ্গে কয়েকবার দেখাও করেছেন তিনি। পরে ঐ মেয়েটিকে বিয়ের জন্য আসাদুল তার পরিবারকে জানান। তার পরিবার তাদের বিয়েতে রাজি হয়। কিন্তু পরে জানতে পারি মেয়েটি রাজি হয়নি। হয়তো সেই দুঃখে তিনি আত্মহত্যা করেছেন।

কয়রা থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) ইব্রাহিম হোসেন জানান, কলেজছাত্রটি আলাদা ঘরে থাকতেন। সেখানেই তার মরদেহ পাওয়া গেছে। তার সোজাসুজি রাখা ভিডিও কল চালু অবস্থায় একটি মোবাইল ফোন পাওয়া গেছে। ধারণা করা হচ্ছে অপর প্রান্তে থাকা কাউকে ভিডিও কলে রেখে তিনি আত্মহত্যা করেছেন। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে জানান তিনি। তার অকাল মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

প্রেমিকাকে ভিডিও কলে রেখে কয়রার যুবকের গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা।

মহম্মদপুরের দীঘা ইউনিয়নের দীঘা গ্রামে স্বামী -স্ত্রী বিষ পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা – ভিভিও লিংক https://www.facebook.com/share/v/9BEDCU22mRgdpqjn/?mibextid=oFDknk

মহম্মদপুরের দীঘা ইউনিয়নের দীঘা গ্রামে স্বামী -স্ত্রী বিষ পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা – ভিভিও লিংক https://www.facebook.com/share/v/9BEDCU22mRgdpqjn/?mibextid=oFDknk

মহম্মদপুরের দীঘা ইউনিয়নের দীঘা গ্রামে স্বামী -স্ত্রী বিষ পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা – ভিভিও লিংক https://www.facebook.com/share/v/9BEDCU22mRgdpqjn/?mibextid=oFDknk

মহম্মদপুরের দীঘা ইউনিয়নের দীঘা গ্রামে স্বামী -স্ত্রী বিষ পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা – ভিভিও লিংক

মহম্মদপুরের দীঘা ইউনিয়নের দীঘা গ্রামে স্বামী -স্ত্রী বিষ পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা – ভিভিও লিংক