১৮ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৪ঠা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।মঙ্গলবার

নাইক্ষ্যংছড়ি ১১বিজিবি’র পৃথক অভিযান, অস্ত্র-ইয়াবাসহ আটক-২।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

আবদুর রশিদ, নাইক্ষ্যংছড়ি:

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি ১১ বিজিবি’র পৃথক অভিযানে একটি দেশীয় তৈরী পিস্তল ও ৭শ ৮০পিস ইয়াবাসহ দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। শনিবার (২৭ আগস্ট) গভীর রাতে বিজিবি’র বিশেষ টিম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পৃথক অভিযান চালিয়ে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার জারুরিয়াছড়ি গ্রামের মনু মিয়ার ছেলে আবু তাহেরকে ইয়াবা এবং রামুর কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের টেকপাড়া এলাকার বক্তার আহমদ এর ছেলে নজরুল ইসলামকে অস্ত্রসহ আটক করেন। বিজিবি সূত্রে জানা যায় আটক ইয়াবার আনুমানিক মূল্য ২ লাখ ৩৪ হাজার। জারুলিয়াছড়ি থেকে আটক আবু তাহেরকে ইয়াবাসহ নাইক্ষ্যংছড়ি থানায় নজরুল ইসলামকে অস্ত্রসহ রামু থানায় হস্তান্তর করেন এবং বিজিবি বাদী হয়ে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা দায়ের করেন। নাইক্ষ্যংছড়ি ১১ বিজিবির জোন কমান্ডার ও অধিনায়ক লেঃ কর্নেল শাহ আবদুল আজিজ আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করে এ প্রতিবেদককে বলেন,বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড ব্যাটেলিয়ন (বিজিবি) সীমান্ত রক্ষার পাশাপাশি অস্ত্র, মাদক, অবৈধ কাঠ ও চোরাচালান প্রতিরোধে বিশেষ ভূমিকা পালন করে আসছে। তবে বিজিবির এসব অভিযান চলমান আছে থাকবে।

 

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি