১৩ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৩০শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।বৃহস্পতিবার

নাইক্ষ্যংছড়িতে পুলিশের অভিযানে ৮৯হাজার ৬০০ ইয়াবাসহ গ্রেফতার-১ প্রাইভেট কার জব্দ।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

আবদুর রশিদ, নাইক্ষ্যংছড়িঃ

 

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম তদন্ত কেন্দ্র পুলিশের মাদক বিরোধী অভিযানে ৮৯ হাজার ৬০০ পিস ইয়াবা কক্সবাজার জেলার ইসলাম পুর ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের ছৈয়দ আহমেদ এর পুত আবদুর রহিম (৫৭) কে গ্রেফতার হয়েছে।

 

বুধবার ২৭ আগস্ট সকালে বান্দরবানের পুলিশ সুপার জেরিন আক্তার এর দিকনির্দেশনায়,নাইক্ষ­্যংছড়ি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ আলমগীর হোসেন’র সার্বিক তত্বাবধানে ঘুমধুম তদন্ত কেন্দ্র পুলিশের ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক মোঃদেলোয়ার হোসেন’র নেতৃত্বে এস আই আল আমিন ও এএসআই মোঃ অলি উল্লাহ সহ সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে অভিযানে যান।সকাল ৭ টা ১৫ মিনিটের সময় বাংলাদেশ-মিয়ানমার মৈত্রী সড়কের বেতবনিয়া বাজারের প্রবেশমুখে একটি প্রাইভেট কার সন্দেহজনক থামিয়ে তল্লাশী করে।এতে কার গাড়ীর স্পেয়ার চাকার ভিতর অভিনব কায়দায় লুকায়িত ৮৯ হাজার ৬০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।যার মুল্য ২ কোটি ৬৮ লাখ,৮০ হাজার টাকা।এসময় ইয়াবা বহন কাজে ব্যবহৃত চট্ট-মেট্রো-গ-১২-৪৭৬­১ নাম্বারের প্রাইভেট কারটি জব্দ করা হয়।যার মূল্য ১০ লাখ টাকা।

 

নাইক্ষ্যংছড়ি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ আলমগীর হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন,গ্রেফতার ব্যক্তির বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে।তিনি আরো বলেন,মাদক বিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং মাদক কারবারীদের কোন অবস্থাতে ছাড় দেওয়া হবে না।

 

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি