১৮ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৪ঠা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।মঙ্গলবার

নাইক্ষ্যংছড়িতে দেশীয় চোলাই মদসহ আটক ৪ সিএনজি জব্দ ।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

আবদুর রশিদ ,নাইক্ষ্যংছড়িঃ

 

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে ১১০ লিটার দেশীয় চোলাই মদ সহ ৪ জনকে আটক করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (৩১ আগষ্ট) সকাল সাড়ে ৯টায় উপজেলার বাইশারী ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ড হলিদ্যাশিয়া এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়।

আটককৃতরা হলো- ইউনিয়নের ধাবনখালী মার্মা পাড়ার থৈহ্লাচিং মার্মার স্ত্রী লাছিং মার্মা (২৪), মংপ্রু মার্মার স্ত্রী আওয়াইং মার্মা (৩৫), কক্সবাজারের টেকপাড়ার বাসিন্দা প্রদীপ দাসের স্ত্রী উম্মে রাখাইন (৩০) ও পিএমখালীর বাসিন্দা সিএনজি চালক মোক্তার আহমদের ছেলে মো. সোহেল (২৬)।

পুলিশ সুত্র জানায়, মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টায় নাইক্ষ্যংছড়ি থানার ওসি মুহাম্মদ আলমগীর হোসেনের নির্দেশনায় বাইশারী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ এনামুল হক ভূইয়ার নেতৃত্বে এসআই এনায়েত উল্লাহ সহ সঙ্গীয় ফোর্স বাইশারী ইউনিয়নের হলদ্যাশিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে একটি সিএনজি গাড়ী তল্লাশী চালিয়ে ১১০ লিটার দেশীয় তৈরী চোলাই মদ উদ্ধার সহ সিএনজি গাড়ীটিকে জব্দ করা হয় এবং গাড়ীর চালক ছাড়াও ৩ উপজাতীয় নারীকে আটক করা হয়। আটক চোলাই মদের মূল্য আনুমানিক ৩৩ হাজার টাকা বলে জানায় পুলিশ।

 

থানা’র সেকেন্ড অফিসার নুরুল ইসলাম জানান , আটককৃতদের মধ্যে লাছিং মার্মা (২৪) এর নামে ৩টি জিআর মামলা এবং আওয়াইং মার্মা (৩৫) এর নামে ২টি জিআর মামলা রয়েছে এবং থানায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা ইস্যু আছে।

নাইক্ষ্যংছড়ি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ আলমগীর হোসেন জানান, দেশীয় তৈরী চোলাই মদ সহ আটককৃতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা দায়ের প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

 

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি