১৭ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৩রা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।সোমবার

নরনিয়ায় মরহুম গাজী আব্দুল হাদীর স্মরণে ১৬ দলীয় নকআউট ফুটবল টুর্নামেন্ট ফাইনাল ম্যাচ অনুষ্টিত।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

সরদার বাদশা, নিজস্ব প্রতিনিধি  ।

 

 

খুলনা ডুমুরিয়া উপজেলার নূরানিয়া বুড়িভদ্রা সমাজ কল্যাণ যুব সংঘের আয়োজনে মরহুম আলহাজ্জ্ গাজী আব্দুল হাদীর স্মরণে ডুমুরিয়া উপজেলার আটলিয়া ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী নুরানিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে ১৬ দলীয় নকআউট ফুটবল টুর্নামেন্ট ফাইনাল ম্যাচ অনুষ্টিত হয়েছে গতকাল। শেখ হাবিবুর রহমানের সভাপতিত্বে। খেলোয়াড়দের সাথে সৌজন্যে সাক্ষাৎ শেষে উক্ত খেলাটি উদ্বোধন করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান

জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হারুনুর রশিদ, এম এ সালাম, এবিএম শফিকুল ইসলাম, মোস্তফা কামাল খোকন জেলা আওয়ামীলীগ সহ-সভাপতি,

বিশেষ অথিতি গাজী এজাজ আহমেদ,চেয়ারমান ডুমুরিয়া উপজেলা পরিষদ,খুলনা জেলা আর্লীগ এর যুগ্ন- সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান জামান জামাল,ডুমুরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওবাইদুর রহমান,চেয়ারমান আঃ কুদ্দুস মাহবুবুর রহমান সোহাগ,শিউলি সরোয়ার প্রমুখ।

উপস্থিত ছিলেন ,জিএম ফারুক হোসেন সাংগঠনিক সম্পাদক উপজেলা আওয়ামী লীগ, প্রভাষক গোবিন্দ ঘোষ আহবায়ক উপজেলা যুবলীগ, সরদার অহিদুল ইসলাম যুগ্মসাধারণ সম্পাদক ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ, বাবু কৃষ্ণ নন্দী বিশিষ্ট ব্যবসায়ী চুকনগর বাজার, কবির হাসান ডাবলু,কার্যকারী সদস্য জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি খুলনা জেলা শাখা, আলহাজ্ব আক্তারুজ্জামান লিটন বিশিষ্ট তরুণ সমাজসেবক, এম এম ইব্রাহিম হোসেন যুগ্মসাধারণ সম্পাদক ডুমুরিয়া উপজেলা তাঁতী লীগ , ও আরো ইউনিয়ন ও উপজেলাৱ নেতৃবৃন্দ । এই টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচে জোর প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন শক্তিশালী সৈকত ফুটবল একাদশ তালা এবং শক্তিশালী শিরোমণি ফুটবল একাদশ খুলনাকে ১/০) গোলে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে তালা সৈকত ফুটবল একাডেমী। উক্ত ম্যাচে রেফরির করেন গাজী বেল্লাল হোসেন,মনিরুজ্জামান মনি,শামি, উক্ত খেলাটির সম্পূর্ণ ধারা বর্ণনা করেন মাহির হোসেন মাহি ও মাঃ শাহাজান। ১৬ দলীয় নক আউট ফুটবল টুর্নামেন্টের সার্বিক পরিচালনা করেন মনিরুল ইসলাম লিটন সভাপতি নূরানিয়া বুড়িভদ্রা সমাজ কল্যাণ যুব সংঘ, মফিজুল ইসলাম মহালদার সাধারণ সম্পাদক নূরানিয়া বুড়িভদ্রা সমাজ কল্যাণ যুব সংঘ। আজকে চ্যাম্মিয়ন দল উক্ত টুর্নামেন্ট প্রধান অথিতি এবং বিশেষ অতিথি গন বলেন খেলাধুলা মানুষ শরীর ও মনকে প্রফুল্ল রাখে। আমাদের স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে খেলাধুলার বিকল্প নেই। মানসিক প্রশান্তি লাভের জন্য লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলারও প্রয়োজন মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে ও করোনা মহামারী জন্য দীর্ঘদিন পর মানুষ স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারায় মানুষকে আনন্দ দিতে এই টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হয়েছে ৷

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি