১৯শে জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৫ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।বুধবার

নবীগঞ্জ অনলাইন প্রেস-ক্লাবের সঙ্গে জাতীয় পার্টির  ভাইস চেয়ারম্যান মুনিম চৌঃ বাবুর সৌজন্যে সাক্ষাৎ।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

স্বপন রবি দাশ,হবিগঞ্জ জেলা প্রতিনিধিঃ

 

নবীগঞ্জ অনলাইন প্রেস-ক্লাবের সঙ্গে কেন্দ্রীয় জাতীয় পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান হবিগঞ্জ জেলা জাতীয় পাটির আহবায়ক হবিগঞ্জ ১(নবীগঞ্জ, বাহুবল) আসনের সাবেক এমপি এমএ মুনিম চৌধুরী বাবুর এক সৌজন্যে সাক্ষাৎ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার ২ অক্টোবর দুপুরে নবীগঞ্জ শহরের মধ্যবাজার অবস্থিত হোটেল হাশেম বাগে অনলাইন প্রেস-ক্লাবের সভাপতি নাজমুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ আলাল মিয়ার পরিচলানায় অনুষ্ঠিত সৌজন্যে সাক্ষাৎ ও পরিবর্তী আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, সাবেক এমপি এমএ মুনিম চৌধুরী বাবু, নবীগঞ্জ প্রেস-ক্লাবের সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি মোঃ আশাহিদ আলী আশা, অন্যান্যর মধ্যে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন, কেন্দ্রীয় জাতীয় পার্টির সদস্য শাহ আবুল খায়ের, উপজেলা জাতীয় পার্টির আহবায়ক খলিলুর রহমান চৌধুরী দুদু, সদস্য সচিব এমরান মিয়া, জাতীয় পার্টি নেতা মিলাদ হোসেন সুমন নবীগঞ্জ অনলাইন প্রেস-ক্লাবের সাবেক সভাপতি এবং প্রেস-ক্লাবের সম্মানিত সদস্য নাবেদ মিয়া, অনলাইন প্রেস-ক্লাবের সাবেক সহসভাপতি মোফাজ্জল ইসলাম সজীব, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলী জাবেদ মান্না, সিনিয়র সহসভাপতি শাহরিয়ার আহমেদ শাওন, দপ্তর সম্পাদক জাফর ইকবাল, নির্বাহী সদস্য তাজুল ইসলাম, সদস্য সেলিম উদ্দিন, মাসুদ শিকদার, স্বপন রবি দাস প্রমুখ। প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাবেক এমপি মুনিম চৌধুরী বাবু বলেন, সাংবাদিকতা মহান পেশা। আর এই মহান পেশায় আপনারা যারা কাজ করতে পারছেন তারা সৌভাগ্যবান। নবীগঞ্জ অনলাইন প্রেস-ক্লাবসহ কর্মরত সকল সাংবাদিকদের সার্বিক সহযোগীতা করার কথা তুলে ধরে তিনি আরো বলেন, আমি হবিগঞ্জ ১ আসনের সাংসদ ছিলাম। সাংসদ সদস্য হওয়ার পুর্বেই আমার ইচ্ছে ছিল দেশ এবং দেশের মানুষের জন্য কাজ করার। কাজ করার সুযোগ আমি পেয়েছিলাম। নবীগঞ্জ বাহুবলবাসীর উন্নয়নে দিন রাত কাজ করেছি। ব্যাপক উন্নয়ন করেছি। পল্লীবন্ধু হুসাইন মোহাম্মদ এরশাদ আমার নেতা ছিলেন। তার হাত ধরে কাজ করার সুযোগ হয়েছিল। ইনশাঅল্লাহ নির্যাতিত নিপীড়িত মানুষের কল্যাণে আমার কাজের অগ্রযাত্র অব্যাহত থাকবে।

 

 

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি