১৬ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।২রা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।রবিবার

নবাবগঞ্জে মহিলা ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা সম্পন্ন।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

মোঃ মামুনুর রশিদ, নবাবগঞ্জ (দিনাজপুর) প্রতিনিধিঃ

যুব সমাজ’কে মাদকের ছোবল থেকে দুরে রাখতে “মাদক কে না বলি, ক্রীড়া কে হ্যাঁ বলি” এই শ্লোগানকে সামনে রেখে দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলার মাহমুদপুর ইউনিয়নের ভেবটগাড়ি (উলঘুটু) উষার সবুজ সংঘের উদ্যেগে ২ দিন ব্যপি মহিলা ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

শনিবার বিকেল ৫ ঘটিকায় ভেবটগাড়ি উলঘুটু মাঠে এ খেলা অনুষ্ঠিত হয়।খেলায় ৮ টি মহিলা ফুটবল স্পোর্টিং দল অংশগ্রহণ করেন।ফাইনাল খেলায় কোন গোল না হওয়ায় টাইব্রেকার হয়, এতে চৌধুরী গোপালপুর একাদশ২-১ চতরা একাদশ গোলে পরাজিত করে । খেলায় ধারাভাষ্যকার হিসেবে ধারা ভাষ্যদেন আসাদুজ্জামান আসাদ।

 

ভেবটগাড়ি (উলঘুটু) উষার সবুজ সংঘের সভাপতি প্রদীপ সরেন সহ উক্ত সংঘের সকল সদস্যের সহযোগিতায় ফুটবল টুর্নামেন্টের খেলায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন নবাবগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃআতাউর রহমান।বিশেষ অতিথি উপজেলা ভাইচ চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক, আমির হোসেন মন্ডল,৮ নং মাহমুদ পুর ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ রহিম বাদশা, ৬ নং ভাদুরিয়া ইউপি চেয়ারম্যান আসমান জামিল, ইউপি সদস্য বাবু মিয়া সহ ইলেকট্রনিক এবং প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকগন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

 

 

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি