১৯শে জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৫ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।বুধবার

‘নদী ভাঙলে জমি খাস’ এই আইন বাতিলের দাবি নদী ভাঙা মানুষের মানববন্ধন ও নৌযাত্রা।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

স্বপন মাহমুদ,সরিষাবাড়ী প্রতিনিধি:

জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার ও পার্শ্ববর্তী এলাকার যমুনা নদী তীরবর্তী মানুষ ‘নদী ভাঙলে জমি খাস’ আইন বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন ও তিন দিনের নৌযাত্রা কর্মসূচি শুরু করেছে।

গত শুক্রবার (১০ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার ঝালুপড়া ব্রিজপাড় মোড়ে বাংলাদেশ কৃষক সমিতি ও ‘নদী ভাঙলে জমি খাস’ আইন বাতিল সংগ্রাম কমিটির যৌথ উদ্যোগে প্রায় ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধন পালিত হয়। পরে জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলা ও সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলার নদী তীরবর্তী সর্বস্বহারা দুই শতাধিক মানুষ নৌকাযোগে যমুনা নদীপথে তিনদিনের নৌযাত্রা শুরু করেন।

 

এসময় মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন ‘নদী ভাঙলে জমি খাস’ আইন বাতিল সংগ্রাম কমিটির সমন্বয়ক জাহিদ হোসেন, সংগ্রাম কমিটির আহ্বায়ক ও নাটুয়ারপাড়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল কাদের, কবি আলতাফ হোসেন, ক্ষেতমজুর সমিতির নেতা আলী আক্কাস, গাজী আব্দুর রহমান, রফিকুল ইসলাম আমিন প্রমুখ।

 

বক্তারা জানান, জমির মালিক ভূমি উন্নয়ন কর দেয়, সরকারের উচিৎ সে ভূমি রক্ষা করা, নদীভাঙা থেকে নদীর তীর রক্ষা করা। অথচ সরকার উল্টো আইন করে জমি নদীগর্ভে বিলীন হলে সে জমির মালিকানা থেকে বঞ্চিত করেছে। বর্তমান আইনে জমি নদীগর্ভে বিলীন হলে জমির খাজনা-খারিজ ও ক্রয়-বিক্রয় বন্ধ হয়ে যায়, জমির মালিক মালিকানা হারায়। তাই তারা পিও ১৩৫/৭২ আইন বাতিল করে ১৯৫০ সালের প্রজাস্বত্ব আইনের ৮৬ ধারা চালু ও বাস্তবায়নের দাবি জানান। এসময় দাবির স্বপক্ষে বিভিন্ন যুক্তি দেখিয়ে গণসচেতনতার জন্য লিফলেট বিতরণ করা হয়।

 

 

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি