১৩ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৩০শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।বৃহস্পতিবার

নওগাঁ নিয়ামতপুরে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী দের শ্মশানে জাগয়া দখলের অভিযোগ প্রকাশের বিপরীতে প্রতিবাত সভা অনুষ্ঠিত।  

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

নওগাঁ নিয়ামতপুর উপজেলা প্রতিনিধি।

 

আমাকে রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে মান ক্ষুন্ন করার জন্য একটি স্বার্থানেষী মহল উদ্দেশ্য প্রণোদিত ভাবে কবরস্থানের জায়গা দখলের জন্য মিথ্যে মানববন্ধন করে। এতে আমি মারাত্মকভাবে মানুষিক আহত হয়েছি। আমি এই ইউনিয়নের পাঁচ পাঁচবারের নির্বাচিত চেয়ারম্যান। আমি ও আমার পরিবার স্কুল-কলেজের জন্য জায়গা জমি দান করি। আমরা সামান্য করবস্থানের জায়গা জোর করে দখল করবো এটা কখনও হতে পারে।

 

বর্তমান ইউপি চেয়ারম্যান বদিউজ্জামান বদির প্ররোচনায় ইউপি সদস্য দুলাল হোসেন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীদের মিথ্যে সরকারী ঘর দিবে মন্ত্রী এসেছে বলে নিয়ামতপুর উপজেলা সদরে নিয়ে গিয়ে তাদের না জানিয়ে মানববন্ধন করে। আমি এর তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। শনিবার ১৮ সেপ্টেম্বর বেলঅ সাড়ে ৪টায় চন্দননগর কলেজ মাঠে মিথ্যে মানববন্ধন করার জন্য আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশে প্রধান বক্তা হিসাবে চন্দননগর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি খালেকুজ্জামান তোতা উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।

এসময় বক্তব্য রাখেন চন্দননগর দরগা পাড়া গ্রামের বাসিন্দা শ্রী জসাই তিনি বলেন তোতা চেয়ারম্যান আমাদের জমি দখল করেননি এবং কবর দিতে বাঁধা প্রদান করেনি। চন্দননগর গুচ্ছ গ্রামের আদিবাসী সম্প্রদায়ের শ্রী লক্ষণ পাহান বলেন তোতা চেয়ারম্যান আমাদের সবসময় সুখে দুঃখে পাশে থাকেন আমাদের কবর দিতে তিনি বাঁধা প্রদান করেনি এবং সেই জায়গা ও দখল করেনি। দুলাল মেম্বার মিথ্যা প্ররোচনা দিয়ে আমাদের নিয়ামতপুর নিয়ে যায় তিনি আমাদের বলেন মন্ত্রী আসছে তোমাদের বাড়ি দিবে কিন্তু আমরা গিয়ে দেখি পুরোটাই উল্টা।

 

চন্দননগর গ্রামে বাসিন্দা আলহাজ্ব মোঃ আশরাফ হোসেনের সভাপতিত্বে প্রতিবাদ সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন চন্দননগর ইউপির সাবেক সদস্য ও উপজেলা আওয়ামীলীগের কার্য নির্বাহী কমিটির সাবেক সদস্য ইফাজ উদ্দিন।

শত শত ইউনিয়ন বাসীর উপস্থিতিতে প্রতিবাদ সভায় বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বাদ মালাহার গ্রামের বাসিন্দা আলহাজ্ব মকবুল হোসেন, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আলহাজ্ব তৌফিকুর রহমান সুরুজ, বিষ্ণপুর গ্রামের বাসিন্দা আলহাজ্ব মাবুদ বক্স, ছাতড়া বাজার বণিক সমিতির সভাপতি মোঃ আব্দুল মালেক, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সদস্য ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী তাইজ উদ্দিন বিশু, চন্দননগর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি ছতিশ চন্দ্র বর্মন, আলহাজ্ব আজিজার রহমান, চন্দননগর কলেজের অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদ, চন্দননগর ইউপির সাবেক সদস্য আব্দুল আজিজ আনসারী, বিষ্ণপুর গ্রামের বাসিন্দা নূরুল ইসলাম, চন্দননগর ইউপির সাবেক সদস্য ও জাতীয় আদিবাসী ফোরামের সদস্য কারমা খালকো, নিবোদা গ্রামের বাসিন্দা বিনয় মুর্মু, জাতীয় আদিবাসী ফোরামের সদস্য শ্রী বিজয়, কোদালিশহর গ্রামের বাসিন্দা শ্যামল চন্দ্র বর্মন প্রমুখ।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি