১৬ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।২রা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।রবিবার

নওগাঁয় অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো আদিবাসী সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় উৎসব কারাম পূজা।  

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

 

 

মো নাহিদ হাসান নওগাঁ নিয়ামতপুর উপজেলা প্রতিনিধির

 

আজ ২১-০৯-২০২১ রোজ মঙ্গলবার সময় বিকেল ৪ ঘটিকায় নওগাঁ নিয়ামতপুর উপজেলার চন্দননগর ইউনিয়নের বুধরিয়া স্কুল মাঠে অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো আদিবাসী সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় উৎসব কারাম পূজা । উক্ত, অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা জনাব, সাধন চন্দ্র মজুমদার এম,পি,মাননীয় মন্ত্রী, খাদ্য মন্ত্রণালয়, গণপ্রজাতন্তী বাংলাদেশ সরকার ও সংগ্রামী সাধারণ সম্পাদক নওগাঁ জেলা আওয়ামীলীগ।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ফরিদ আহম্মেদ, চেয়ারম্যান নিয়ামতপুর উপজেলার পরিষধ, আলহাজ্ব মো আবুল কালাম আজাদ সভাপতি নিয়ামতপুর উপজেলা আওয়ামিলীগ, ঈশ্বর চন্দ্র বমন সভাপতি নিয়ামতপুর পূজা উদযাপন পরিষদ, বদিউজ্জামান বদি চেয়ারম্যান ২ নং ইউনিয়ন পরিষদ, আরো উপস্থিত ছিলেন, বিষদ মনি টপ্প্য, মো জাহিদ হাসান বিপ্লব, সুরঞ্জন বিজয়পুরী, মোকছেদ আলী সরকার, নিশিরাজ চন্দ্র বমন, রাবিন্দ্রনাথ খালকো।

উক্ত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিশ্বামিত্র মারডী এবং সন্বালনা করেন বসাক পাহান বৈশাখ।

এই সময় খাদ্য মন্ত্রী বাবু সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেন, আমরা গতো ২ বছর ধরে কারাম উৎসব পালন করতে পারিনি করনা ভাইরাসের জন্য । কিন্তু এখন করনা ভাইরাসে প্রকঙ্পট একটু কম। তারপরেও আমাদের সাবধানে থাকতে হবে। তিনি আরো বলেন, আদিবাসী গোষ্ঠী এখন অনেক পরিবর্তন হয়েছে। এখন দেশের বিভিন্ন বড় বড় কমকর্তা হিসেবে আদিবাসি সম্প্রদায়ের মানুষের কাজ করতেছে। কারাম উৎসব হচ্ছে আদিবাসীদের একটি আনন্দের, ঐতিহ্যের উৎসব। উক্ত উৎসব যেনো যুগে যুগে চলতেই থাকে।

কারাম উৎসবে নৃত্য পরিবেষণ করে যারা প্রথম দ্বিতীয় এবং তৃতীয় হয়েছেন সবাইকেই তিনি পুরস্কৃত করেন।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি