২২শে জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৮ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।শনিবার

ধুনটে কাওছার হামিদ রুবেলের রোগ মুক্তি কামনায় দোআ ও মিলাদ মাহফিল।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

ধুনট (বগুড়া) প্রতিনিধিঃ

সরকারি আজিজুল হক কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ও জেলা যুবলীগের প্রস্তাবিত কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক কাওছার হামিদ রুবেলের রোগ মুক্তি কামনায় বগুড়ার ধুনটে দোআ ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলা ছাত্রলীগের অায়োজনে রবিবার বাদ আছর হুকুমআলী এলাকায় ছাত্রলীগের দলীয় কার্যালয়ে এ দোআ ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

 

এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সহসভাপতি গোলাম সোবহান, যুগ্ম সম্পাদক মহসিন আলম, দপ্তর সম্পাদক আফছার আলী, ধুনট সদর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি মুন্টু, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি জাকারিয়া খন্দকার, সহসভাপতি রফিকুল ইসলাম মুনজু, রতন মাহমুদ, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক হেলাল উদ্দিন সম্রাট, সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুব হাসান রাসেল, ধুনট সরকারি ডিগ্রী কলেজ শাখার ছাত্রলীগের অাহ্বায়ক আরিফ, সদর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি তারিক হাসান, চৌকিবাড়ি ছাত্রলীগের সাবেক আহ্বায়ক সম্রাট হাসান, এলাঙ্গী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক জিন্না খাঁন, নিমগাছি ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি শিপন আহমেদ, কালেরপাড়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক আসিফ সরকার, গোপালনগর ইউনিয়ন ছাত্রলীগ নেতা আবু হাসেম, ভান্ডারবাড়ী ইউনিয়ন ছাত্রলীগ নেতা শিমুল পারভেজ, উপজেলা ছাত্রলীগের কৃষি বিষয়ক সম্পাদক নাইম, উপ অর্থ বিষয়ক সম্পাদক বৈশাখ হাসান, উপ পাঠাগার বিষয়ক সম্পাদক পিয়াল হাসান, সহ সম্পাদক মাসুদ রানা, সদস্য আসাদুল ইসলাম, পৌর যুবলীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক আব্দুস ছাত্তার, শ্রমিকীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক রুবেল মাহমুদ ও সাবেক সদস্য ছাত্তার আলী প্রমুখ।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি