১৪ই জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৩০শে আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।রবিবার

ধামইরহাটে ৮ টি ইউপির আ’লীগ মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থীর নাম ঘোষণা ।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

 

সন্তোষ কুমার সাহা, ধামইরহাট (নওগাঁ) প্রতিনিধিঃ

ধামইরহাটে আসন্ন স্থানীয় সরকার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ৮টি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। এতে ৪টি ইউনিয়নে নতুন মুখ দেখা গেছে। বাদ পড়েছে বর্তমান ৩ জন চেয়ারম্যান।

 

চলতি বছরের আগামী ২৩ ডিসেম্বর চতুর্থ ধাপে এ উপজেলার ৮টি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। চেয়ারম্যান পদে আওয়ামীলীগের মনোনিত হতে মোট ৩২ জন মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছিলেন। রোববার ২১ নভেম্বর বিকেলে কেন্দ্র থেকে নৌকার প্রাথীদের নামের তালিকা প্রকাশ করা হয়। এতে ১নং ধামইরহাট ইউনিয়নে বর্তমান চেয়ারম্যান মো.কামরুজ্জামান, ২নং আগ্রাদ্বিগুন ইউনিয়নে বর্তমান চেয়ারম্যান মো.ছালেহ উদ্দিন, ৩নং আলমপুর ইউনিয়নে নতুন মুখ মো.ওসমান গনি মন্ডল, ৪নং উমার ইউনিয়নে মো.ওবায়দুল হক সরকার, ৫নং আড়ানগর ইউনিয়নে বর্তমান চেয়ারম্যান মো.শাহজাহান আলী (কমল), ৬নং জাহানপুর ইউনিয়নে গতবারের প্রার্থী মো.গোলাম কিবরিয়া, ৭নং ইসবপুর ইউনিয়নে নতুন মুখ মো.মাহফুজুল আলম লাকী এবং ৮নং খেলনা ইউনিয়নে নতুন মুখ মো.নাজমুল হোসেন আওমীলীগ থেক মনোনয়ন পেয়েছেন।

 

মনোনয়ন দৌড়ে বাদ পড়েছেন ৩নং আলমপুর ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান মো.ফজলুর রহমান, ৪নং উমার ইউনিয়নে গতবারের প্রার্থী মো.মাসুদুর রহমান সরকার এবং ৭নং ইসবপুর ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক মো.ইমরুল কায়েশ (বাদল)।

 

এছাড়া ৬নং জাহানপুর ইউনিয়নের দুই বারের চেয়ারম্যান মো.ওসমান আলী নৌকা মার্কা চেয়েছিলেন। গত দুই নির্বাচনে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে জয়লাভ করেন। আটটি ইউনিয়নের মধ্যে ধামইরহাট ও উমার ইউনিয়নে এভিএমে বাঁকি ৬টিতে ব্যালট পেপারে ভোট অনুষ্ঠিত হবে।

 

আটটি ইউনিয়নে মোট ভোটার সংখ্যা ১ লাক ৩৮ হাজার ৪শ ১৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটারের সংখ্যা ৬৯ হাজার ৩শ ১জন এবং মহিলা ভোটার সংখ্যা ৬৯ হাজার ১শ ১৭ জন। আগামী ২৫ নভেম্বর রিটার্নিং অফিসার বরাবর প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন। ২৯ নভেম্বর মনোনয়নপত্র যাচাই বাছাই এবং ৬ ডিসেম্বর প্রার্থীতা প্রত্যাহার। ৮ ডিসেম্বর প্রতিক বরাদ্দ এবং ২৩ ডিসেম্বর ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

 

 

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

মুক্তাগাছা প্রতিনিধি:

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুরের দায়ের কোপে ভাতিজা বউ শিউলী আক্তার খুন হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার সকাল ৭টার দিকে উপজেলার বাঁশাটি ইউনিয়নের গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানাযায়, উপজেলার গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামের বাসিন্দা সিএনজি চালক শরিফুল ইসলামের স্ত্রী শিউলী আক্তার (৩০) স্বপরিবারে ঘুমাচ্ছিল। এ সময় তার চাচা শ্বশুর মৃত নেওয়াজ আলীর পুত্র সোলায়মান মিয়া তাদেরকে ডাকা ডাকি করে ঘর থেকে বের হতে বলে। দরজা খুলে শরিফুল ও তার স্ত্রী শিউলী ঘর থেকে বের হলে সোলায়মান তাদেরকে অকথ্য ভাষায় গালিগালজ করে। এক পর্যায়ে সোলায়মানের হাতে থাকা দা দিয়ে এলোপাতারি কোপাতে শুরু করে। সোলায়মান দা’ দিয়ে শিউলীর ঘাড়ে কোপ দিলে শিউলী ঘটনাস্থলেই মারা যায়। পরে সোলায়মান দা নিয়ে শরিফুলকে ধাওয়া দিলে শরিফ প্রাণ বাঁচাতে পুকুরে লাফ দিয়ে প্রণে বাঁচায়। পরে প্রতিবেশীরা এসে তাকে উদ্ধার করে।
নিহত শিউলী একই উপজেলার মুজাটি গ্রামের মৃত হামেদ আলীর মেয়ে। গত ১২ বছর আগে তাদের বিয়ে হয়। শিউলর ৫ মাসের মেয়ে শিশুসহ ৩ কন্যা সন্তান রয়েছে।
উল্লেখ্য গত শুক্রবার বিকেলে শিউলীর ৬ বছরের মেয়ে লামিয়া এর সাথে সোলায়মানের পুত্রের তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে ঝগড়া হয়। সেই ঝগড়ার জেরেই সকালে নিহতের বাড়িতে এসে তাদের ঘুম থেকে ডেকে এ খুনের ঘটনা ঘটান।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে মুক্তাগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) জহিরুল ইসলাম মুন্না জানান, শনিবার সকালে উপজেলার গোয়ারী উত্তর গ্রামে হত্যার ঘটনা ঘটে। থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে পাঠায়। মামলার প্রস্তুতি চলছে। এঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুড়ের দায়ের কোপে ৩ সন্তানের জননী খুন।

অররবিন্দ কুমার মণ্ডল, কয়রা, খুলনা ঃ

প্রেমিকাকে ভিডিও কলে রেখে আসাদুল ইসলাম (১৯) নামে কয়রার এক কলেজছাত্র গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।

৯ জুলাই, মঙ্গলবার ভোরে আসাদুলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সে খুলনার কয়রা উপজেলার মহেশ্বরীপুর গ্রামের নজরুল ইসলাম সরদারের ছেলে। আমাদী জায়গীমহল খান সাহেব কোমর উদ্দীন কলেজে দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র ছিলেন তিনি। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এক বছর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি মেয়ের সঙ্গে পরিচয় হয় আসাদুলের। পরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে প্রেমিকাকে বিয়ের প্রস্তাব দেন কলেজছাত্র আসাদুল। কিন্তু প্রেমিকা বিয়েতে রাজি না হওয়ায় তাকে ভিডিও কলে রেখে নিজ ঘরের আড়ার সঙ্গে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে জানা গেছে।

কলেজছাত্রের প্রতিবেশী ও স্থানীয় ইউপি সদস্য মিজানুর রহমান বলেন, আসাদুল ইসলামের সঙ্গে উত্তরবঙ্গের একটি মেয়ের প্রেমের সম্পর্ক ছিল বলে জানতাম। মেয়েটির সঙ্গে কয়েকবার দেখাও করেছেন তিনি। পরে ঐ মেয়েটিকে বিয়ের জন্য আসাদুল তার পরিবারকে জানান। তার পরিবার তাদের বিয়েতে রাজি হয়। কিন্তু পরে জানতে পারি মেয়েটি রাজি হয়নি। হয়তো সেই দুঃখে তিনি আত্মহত্যা করেছেন।

কয়রা থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) ইব্রাহিম হোসেন জানান, কলেজছাত্রটি আলাদা ঘরে থাকতেন। সেখানেই তার মরদেহ পাওয়া গেছে। তার সোজাসুজি রাখা ভিডিও কল চালু অবস্থায় একটি মোবাইল ফোন পাওয়া গেছে। ধারণা করা হচ্ছে অপর প্রান্তে থাকা কাউকে ভিডিও কলে রেখে তিনি আত্মহত্যা করেছেন। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে জানান তিনি। তার অকাল মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

প্রেমিকাকে ভিডিও কলে রেখে কয়রার যুবকের গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা।

মহম্মদপুরের দীঘা ইউনিয়নের দীঘা গ্রামে স্বামী -স্ত্রী বিষ পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা – ভিভিও লিংক https://www.facebook.com/share/v/9BEDCU22mRgdpqjn/?mibextid=oFDknk

মহম্মদপুরের দীঘা ইউনিয়নের দীঘা গ্রামে স্বামী -স্ত্রী বিষ পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা – ভিভিও লিংক https://www.facebook.com/share/v/9BEDCU22mRgdpqjn/?mibextid=oFDknk

মহম্মদপুরের দীঘা ইউনিয়নের দীঘা গ্রামে স্বামী -স্ত্রী বিষ পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা – ভিভিও লিংক https://www.facebook.com/share/v/9BEDCU22mRgdpqjn/?mibextid=oFDknk

মহম্মদপুরের দীঘা ইউনিয়নের দীঘা গ্রামে স্বামী -স্ত্রী বিষ পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা – ভিভিও লিংক

মহম্মদপুরের দীঘা ইউনিয়নের দীঘা গ্রামে স্বামী -স্ত্রী বিষ পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা – ভিভিও লিংক