২২শে জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৮ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।শনিবার

ধামইরহাটে টাপেনটাডলসহ তিন যুবকে আটক।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

  • সন্তোষ কুমার সাহা, ধামইরহাট (নওগাঁ) প্রতিনিধিঃ-

নেশা জাতীয় ২০পিস টাপেনটাডল ট্যাবলেটসহ ৩জন মাদক ব্যাবসায়ীকে ধামইরহাট থানা পুলিশ আটক।

বুধবার (১লা সেপ্টেম্বর) রাতে উপজেলার আঙ্গরত কলোনী নামক এলাকা থেকে তাদেরকে আটক করা হয়। আটককৃত আসামীরা হলেন- একই এলাকার মো. ছালামিরের ছেলে মো. আবু রায়হান (২১), দক্ষিণ ভগবানপুর এলাকার মৃত আব্দুর ছামাদের ছেলে মো. ইমন হোসেন (১৯) এবং ধুরইল এলাকার আব্দুল মান্নানের ছেলে মো. মামুন হোসেন (২৮)

জানা গেছে, ওইদিন রাতে ডিউটি চলাকালীন সময়ে ধামইরহাট থানার এসআই মাসুদ রানা ও শাহজাহান আলীসহ সঙ্গীয় ফোর্স গোপন সংবাদের মাধ্যমে জানতে পারেন ১নম্বর আসামীর নানা মো. খোরশেদ হোসেন (৫০) এর বসত বাড়ির আঙ্গিনায় তিনজন মাদক বিক্রয়ের জন্য অবস্থান করছিল। খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে তাদেরকে আটক করা হয়। এসময় তাদের কাছ থেকে ২০পিস টাপেনটাডল ট্যাবলেট উদ্ধার এবং ১টি লাল রেজিস্ট্রেশন বিহীন ডায়াং ৮০সিসি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়েছে।

 

থানার ওসি (তদন্ত) আব্দুল গনি বলেন, আসামীদের মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের মাধ্যমে কোর্ট হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

 

 

 

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি