২৩শে জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৮ই শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।মঙ্গলবার

ধামইরহাটে আগাম শিম চাষ করে ভাগ্য খুলেছে আমিনুলের ।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

 

 

 

সন্তোষ কুমার সাহা, ধামইরহাট (নওগাঁ), প্রতিনিধিঃ-

চলতি মৌসুমে অধিক লাভের আশায় আগাম জাতের শিম চাষ করেছেন কৃষক আমিনুল ইসলাম। আবহাওয়া ও জমি চাষ করার উপযোগী হওয়ার কারনে শিমের বাম্পার ফলন হয়েছে। এছাড়াও বাজারে দাম ভালো থাকায় শখ করে শিম চাষে বাজিমাত করেছেন।

আমিনুল ইসলাম নওগাঁর ধামইরহাটের ৬ নম্বর জাহানপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের মুকুন্দপুরের বাসিন্দা।

সরেজমিনে দেখা যায়, আমিনুল ইসলামের চাষ করা ২০ শতাংশ জমির আনাচে কানাচে শিমের ফুলে ভরে গেছে। থোকায় থোকায় পরিপুষ্ঠ শিমে ভরা গাছ।

তিনি বলেন, ‘শখের বশে মাত্র ২০ শতাংশ জমি বর্গা নেই। এরপর শ্রাবণ মাসের শেষে ওই জমিতে শীতকালীন আগাম জাতের শিম লাগাই। ভালো ফলনের জন‌্য রাত দিন গাছের যত্ন নিয়েছি।নিয়েছি কৃষি অফিসের পরামর্শ। আবহাওয়া ভালো থাকায় বাগানজুড়ে শিম গাছে ফুল এসেছে। এসেছে কাঙ্ক্ষিত ফসল।’

তিনি আরো জানান, শিম চাষে লেবার খরচ, সুতা, জমিতে সেচ, সার ও বিষসহ ১৮ থেকে ২০ হাজার টাকা খরচ করতে হয়েছে। সঠিক পরিচর্যার ফলে এখন তিনি ওই বাগান থেকে সপ্তাহে দুইবার ৪ মণ করে প্রায় ৮ মণ শিম গাছ থেকে নামিয়ে বাজারে বিক্রি করছেন। বর্তমানে যার বাজার মূল্য আট হাজার টাকা। এই আগাম জাতীয় শিম চাষ করে তিনি এখন স্বাবলম্বী।

আমিনুল ইসলাম আরও বলেন, ‘বর্তমানে সবজির বাজার দর ভালো। বাজারে সবজির দাম এই রকম থাকলে এবং আবহাওয়া ভালো থাকলে বাগান থেকে আরো বেশি লাভ পাবো বলে আশা করি। আমার দেখে এলাকায় এখন অনেকেই শিম চাষ করতে আগ্রহী হচ্ছেন।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোছাঃ শাপলা খাতুন

জানান, উপজেলার ইসবপুর ও জাহানপুর দুই ইউনিয়নের মাটি খুবই উর্বর। তাই এখানকার কৃষকদের সবজি বাগান গড়ে তোলার পরামর্শ দেওয়া হয়। কৃষি অফিসের পরামর্শে এখন ওইসব এলাকায় ব‌্যাপক সবজি চাষ হচ্ছে এবং কৃষকরা লাভবান হচ্ছেন। আগাম জাতের শিম এলাকার চাহিদা পূরণ করে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় পাঠানো হচ্ছে।

 

 

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অরবিন্দ কুমার মণ্ডল, কয়রা, খুলনাঃ

খুলনার কয়রায় জনপ্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
১৬ জুলাই মঙ্গলবার দুপুর ১২ টায় উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ খুলনা জেলার আয়োজনে ও কয়রা উপজেলা প্রশাসনের সহযোগীতায় এ সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুলী বিশ্বাসের সভাপতিত্বে সচেতনতামূলক সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান জি এম মোহসিন রেজা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাসিমা আলম।
এসময় আরও উপস্হিত ছিলেন, কয়রা সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এস এম বাহারুল ইসলাম, উত্তর বেদকাশী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সরদার নুরুল ইসলাম কোম্পানি, দক্ষিণ বেদকাশী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আছের আলী মোড়ল, মহারাজপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবদুল্লাহ আল মাহমুদ, মহেশ্বরীপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শাহনেওয়াজ শিকারী, বাঙ্গালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুস সামাদ গাজী, আমাদী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান জুয়েল সহ সাতটি ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যবৃন্দ।

নিরাপদ খাদ্যের মূল প্রবন্ধ উপস্হাপন করেন খুলনা জেলা নিরাপদ খাদ্য অফিসার মোঃ মোকলেছুর রহমান।

কয়রায় নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত।

মুক্তাগাছা প্রতিনিধি:

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুরের দায়ের কোপে ভাতিজা বউ শিউলী আক্তার খুন হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার সকাল ৭টার দিকে উপজেলার বাঁশাটি ইউনিয়নের গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানাযায়, উপজেলার গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামের বাসিন্দা সিএনজি চালক শরিফুল ইসলামের স্ত্রী শিউলী আক্তার (৩০) স্বপরিবারে ঘুমাচ্ছিল। এ সময় তার চাচা শ্বশুর মৃত নেওয়াজ আলীর পুত্র সোলায়মান মিয়া তাদেরকে ডাকা ডাকি করে ঘর থেকে বের হতে বলে। দরজা খুলে শরিফুল ও তার স্ত্রী শিউলী ঘর থেকে বের হলে সোলায়মান তাদেরকে অকথ্য ভাষায় গালিগালজ করে। এক পর্যায়ে সোলায়মানের হাতে থাকা দা দিয়ে এলোপাতারি কোপাতে শুরু করে। সোলায়মান দা’ দিয়ে শিউলীর ঘাড়ে কোপ দিলে শিউলী ঘটনাস্থলেই মারা যায়। পরে সোলায়মান দা নিয়ে শরিফুলকে ধাওয়া দিলে শরিফ প্রাণ বাঁচাতে পুকুরে লাফ দিয়ে প্রণে বাঁচায়। পরে প্রতিবেশীরা এসে তাকে উদ্ধার করে।
নিহত শিউলী একই উপজেলার মুজাটি গ্রামের মৃত হামেদ আলীর মেয়ে। গত ১২ বছর আগে তাদের বিয়ে হয়। শিউলর ৫ মাসের মেয়ে শিশুসহ ৩ কন্যা সন্তান রয়েছে।
উল্লেখ্য গত শুক্রবার বিকেলে শিউলীর ৬ বছরের মেয়ে লামিয়া এর সাথে সোলায়মানের পুত্রের তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে ঝগড়া হয়। সেই ঝগড়ার জেরেই সকালে নিহতের বাড়িতে এসে তাদের ঘুম থেকে ডেকে এ খুনের ঘটনা ঘটান।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে মুক্তাগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) জহিরুল ইসলাম মুন্না জানান, শনিবার সকালে উপজেলার গোয়ারী উত্তর গ্রামে হত্যার ঘটনা ঘটে। থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে পাঠায়। মামলার প্রস্তুতি চলছে। এঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুড়ের দায়ের কোপে ৩ সন্তানের জননী খুন।