১৯শে জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৫ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।বুধবার

দেশে মহামারির সময়েও প্রধানমন্ত্রী প্রান্তিক কৃষকদের কথা ভূলে যাননি : চেয়ারম্যান ছান্নু।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

নাজিরুল ইসলাম, শাজাহানপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি:

দেশে মহামারির সময়েও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রান্তিক কৃষকদের কথা ভূলে যাননি বলে উপজেলার কৃষকদের জানালেন বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সদস‍্য প্রভাষক সোহরাব হোসেন ছান্নু।

 

রবিবার বেলা ১১টায় উপজেলা পরিষদ চত্বরে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় প্রান্তিক এবং ক্ষুদ্র কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে আগাম শীতকালীন পেঁয়াজ, নাবী জাতের পাট বীজ ও সার সহ ফসলের উপকরণ বিতরণের সময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

 

তিনি আরও বলেন, এসব বীজ আপনাদের কল‍্যানের জন‍্য জননেত্রী শেখ হাসিনা ভালোবাসা স্বরুপ কৃষকদের হাতে হাতে পৌছে দিচ্ছেন। এই ভালোবাসাটুকু আপনারা জমিতে ফলাবেন। এই বীজগুলো আপনারা স্থানীয় হাটে বাজারে বিলিয়ে দিবেন না। আপনারা যদি ভালো কাজে এবং উন্নয়নে অংশ নেন তাহলে পরবর্তীতে আমরা আরো ভালো কিছু আপনাদের উপহার দিব।

 

বিতরণী অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আসিফ আহমেদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ভিপি এম সুলতান আহম্মেদ, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান হেফাজত আরা মিরা, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি দিলীপ কুমার চৌধুরী।

 

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নূরে আলমের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা চমন আরা আফরোজ, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মাসুম কবির, ফারহানা আফরোজ, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা বাহারাম বাদশা প্রমুখ।

 

কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় উপজেলার ১১৫ জন প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষককে বীজ ও ফসলের উপকরণ দেয়া হয়। ৮৫ জন পেঁয়াজ চাষী কৃষককে ১ কেজি করে নাশিক রেড এন-৫৩ জাতের পেঁয়াজ বীজ, ২০ কেজি করে ডিএপি ও এমওপি সার, বীজতলা রক্ষায় পলিথিন, সুতলী এমনকি জমি প্রস্তুত করা বাবদ নগদ ২৮০০ টাকার চেক তাদের হাতে দেয়া হয়। বাকী ৩০ জন নাবী পাট চাষী কৃষককে ১০ কেজি করে ডিএপি, এমওপি, ইউরিয়া সার, পাট বীজ আধা কেজি এবং জমি প্রস্তুত করা বাবদ নগদ ২৬৩০ টাকার চেক দেয়া হয়।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি