২২শে জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৮ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।শনিবার

দুর্যোগে জনগণের পাশে ছিল শেখ হাসিনা সরকার-পলক।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

শহিদুল ইসলাম সুইট, সিংড়া (নাটোর) সংবাদদাতাঃ

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী এড. জুনাইদ আহমেদ পলক এমপি বলেছেন, জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে আওয়ামী লীগ সরকার দুর্যোগে সবসময় জনগণের পাশে ছিল। বিএনপি-জামায়াত কখনো দেশের মানুষের পাশে ছিল না, পাশে ছিলেন শেখ হাসিনা সরকার। দুর্যোগে, বন্যায় ত্রাণ দিয়েছেন শেখ হাসিনা সরকার। ২০১৭ সালের বন্যা, ২০২০ সালে বন্যা ও করোনায় পাশে ছিলেন আওয়ামী লীগ সরকার। আওয়ামী লীগ., যুবলীগ, ছাত্রলীগ, উপজেলা চেয়ারম্যান, মেয়র, ইউনিয়ন চেয়ারম্যান, ডিসি, এসপি, বে-সরকারি প্রতিষ্ঠান দুর্যোগে জনগণের পাশে ছিলেন।

 

শনিবার সকাল ১০টায় উপজেলা মুক্তমঞ্চে নাটোরের সিংড়ায় বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব বলেন তিনি।

 

এসময় আরও বলেন, বিশ্বের সকল রাষ্ট্র যাতে করোনার ভ্যাকসিন পায় সেজন্য প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘে জোর দাবি জানিয়েছেন। যার জন্য আজ সারাবিশ্ব করোনার ভ্যাকসিন পেয়েছে। ডিজিটাল বাংলাদেশের আর্কিটেকচার সজিব ওয়াজেদ জয় এর জন্য স্কুল-কলেজ বন্ধ থাকলেও শিক্ষা কার্যক্রম চালু ছিল। ভার্চুয়াল আদালত চালু ছিল। যার ফলে দেড় লক্ষ মামলার শুনানী হয়েছে। প্রযুক্তির সহায়তায় ডিজিটাল কুরবানীর হাট চালু ছিল। যার ফলে করোনায় অর্থনীতির চাকা সচল ছিল। করোনার কারণে কোনকিছু বন্ধ ছিল না, সবকিছু চালু ছিল।

 

প্রতিমন্ত্রী পলক আরও বলেন, কোথাও আগুন লাগলে, চুরি ডাকাতি হলে, মাদক ব্যবসা করলে, এ্যাম্বুলেন্স প্রয়োজন হলে ৯৯৯ এ ফোন করলেই সেবা পেয়ে যাই আমরা, এসবকিছুই সম্ভব হয়েছে প্রযুক্তির সহায়তায়। আমি আপনাদের বেতনভুক্ত চাকর, আপনাদের ট্যাক্সের টাকায় আমার বেতন হয়। আপনাদের সেবা করাই আমার কাজ। এসময় দুই হাজার বন্যার্তদের মাঝে খাদ্য সহায়তা, পাঁচ হাজার গাছ, প্রতিবন্ধীদের মাঝে ১২টি হুইল চেয়ার, ৫টি সামাজিক প্রতিষ্ঠানকে ২২ হাজার টাকা করে মোট ১ লক্ষ ১০ হাজার টাকার চেক, ৩১২টি সাবমার্সিবল মটর, কেজি স্কুলের ৬০ জন শিক্ষকের মাঝে ২ হাজার টাকা করে মোট ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা বিতরণ করা হয়।

 

সিংড়া পৌরসভার মেয়র (ভারপ্রাপ্ত) সঞ্জয় কুমার সাহা’র সভাপতিত্বে এসময় বক্তব্য দেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এম এম সামিরুল ইসলাম, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এড. ওহিদুর রহমান শেখ, হুয়াওয়ে টেকনোলজি বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট জর্জ লিন, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান কামরুল হাসান, উপজেলা আওয়ামী লীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মাওলানা রুহুল আমিন প্রমুখ।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি