২২শে জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৮ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।শনিবার

দুর্বৃত্তদের দেয়া আগুনে সিএনজি ভস্মীভূত।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

আবদুল জলিল, পার্বত্য চট্টগ্রাম ব্যুরো।

 

খাগড়াছড়ির রামগড় পৌরসভার বল্টুরাম টিলা এলাকায় রাতের আধারে দুর্বৃত্তদের দেয়া আগুনে একটি সিএনজি ভস্মীভূত হয়েছে।

 

রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) গভীর রাতে বাড়ির গেইটের ভেতরে রাখা সিএন্ডজিতে আগুন জ্বালিয়ে পুড়িয়ে দেয় দুর্বৃত্তরা। চেষ্টা করেও অটোরিকশাটি আগুনে পুড়া থেকে রক্ষা করতে পারেনি গাড়ির মালিকের স্বজনরা। গাড়িটি বল্টুরাম টিলা এলাকার আবদুল আজিজের ছেলে মোঃ ফারুক এক বছর পূর্বে লাখ টাকা ঋণ নিয়ে এটি ক্রয় করেছিলেন।

 

সিএনজি’র মালিক ফারুক জানান, প্রতিনিদিনের মত গাড়িটি গেইটের ভিতরে রেখে রাতের খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়েন রাত ২টা ৪০ মিনিটের সময় প্রতিবেশিদের আগুন আগুন বলে আত্মচিৎকারে বের হয়ে দেখেন তার দৈনিক রোজগারের শখের গাড়িটি জ্বলছে। স্বজনরা আগুন নিভানোর ব্যর্থ চেষ্টা করলেও মহুর্তে গাড়িটি ভস্মীভূত হয়ে যায়। এ ঘটনায় তিনি রামগড় থানায় মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানান।

 

ওয়ার্ড কাউন্সিলর দেলোয়ার হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এটি নিশংসতা। আইনশৃঙ্খলা অবনতির চেষ্টা। যে বা যাহারা করুক দোষীদের বের করে দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি দাবী করছি।

 

রামগড় থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ শামসুজ্জামান জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। গাড়ির মালিককে থানায় আসতে বলেছি অভিযোগমূলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি