২০শে জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৬ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।বৃহস্পতিবার

দুমকিতে মুরাদিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় এর ভবনের পলেস্তারা ধ্বসে এক শিক্ষক আহত।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

মো আজিজুল পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধি ।

 

পটুয়াখালীর দুমকিতে জরাজীর্ণ বিদ্যালয় ভবনের পলেস্তারা ধসে এক শিক্ষক আহত হয়েছেন। বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার মুরাদিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর থেকে বিদ্যালয়ের শিক্ষক, ছাত্রছাত্রী ও অভিভাবক রয়েছেন চরম আতঙ্কে।

 

আহত শিক্ষক মো. ইউসুফ আলী জানান, প্রতিদিনের মতো সহকর্মী শিক্ষক-কর্মচারীদের সঙ্গে অফিস কক্ষে বসা অবস্থায় আকস্মিক জরাজীর্ণ ছাদ ও বিম থেকে অনেকাংশ পলেস্তার খসে আমার কাঁধে পড়ে। এতে সামান্য আহত হলে সহকর্মী শিক্ষকরা আমাকে স্থানীয় ফার্মেসিতে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসার পর বাড়ি পাঠিয়ে দেন।

 

ওই বিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা জানায়, স্কুলের ছাদের বিভিন্ন স্থানে পলেস্তারা খসে পড়ে লোহার রড বের হয়ে গেছে এবং প্রায় সময়ই ধসে পড়ছে। আমরা সব সময় ভয়ে থাকি, কখন যেন মাথার ওপর ভেঙে পড়ে। তাই ক্লাশে মনোযোগ দিতে পারি না।

 

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নূর মোহাম্মদ বলেন, দুর্ঘটনার সময় আমি স্কুলে ছিলাম না। পটুয়াখালীতে একটি মিটিংয়ে ছিলাম। মিটিংয়ে থাকা অবস্থায় ফোনে পলেস্তারা ধসের খবর পেয়েছি।

 

তিনি আরও বলেন, বিদ্যালয় ভবনটি অত্যন্ত পুরাতন ও ব্যবহার অনুপোযোগী হলেও বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় বাধ্য হয়ে ব্যবহার করতে হচ্ছে। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে শিক্ষার্থীদের পাঠদান করাচ্ছি। এ ভবনটি এখন পরিত্যক্ত হয়ে গেছে, একটি নতুন ভবন অত্যন্ত জরুরি।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বদরুন নাহার ইয়াসমিন জানান, বিষয়টি খুবই দুঃখজনক। বিদ্যালয় ভবনটি অনেক পুরানো ও ঝুঁকিপূর্ণ। বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে অবহিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

দুমকি উপজেলা নির্বাহী অফিসার শেখ আব্দুল্লাহ সাদীদ বলেন, পলেস্তারা ধসের খবর পেয়েছি। পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

 

 

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি