২২শে জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৭ই শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।সোমবার

দীঘিনালা মেরুং ইউপি’তে মাহমুদার সমর্থনে নির্বাচনী পথ সভা অনুষ্ঠিত।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

 

 

মো. মহাসিন মিয়া, দীঘিনালা।

 

খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার দীঘিনালায় ২৮ নভেম্বর ১নং মেরুং ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ মনোনীত নৌকা প্রার্থী মাহমুদা বেগম লাকি’র সমর্থনে ছোট মেরুং বাজারে নির্বাচনী পথ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

২৬ নভেম্বর (শুক্রবার) খাগড়াছড়ি জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক কে.এম ইসমাইল হোসেন’র সঞ্চালনায় এবং রুহুল আমিন মেম্বারের সভাপতিত্বে সভায় স্বাগতিক বক্তব্য রাখেন রহমান কবির রতন বর্তমান চেয়ারম্যান ১নং মেরুং ইউনিয়ন পরিষদ।

 

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সাবেক সাংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী সাফিয়া বেগম।

 

সাফিয়া বেগম তার প্রধান অতিথির বক্তব্যে দেশের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের চিত্র তুলে ধরে বলেন, আমার দেশ ছবির মত সুন্দর দেশ। সেখানে নৌকা বঙ্গবন্ধুর প্রতিক, স্বাধীনতার প্রতিক, নৌকা মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রতিক, নৌকা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতিক, নৌকা আমাদের দেশ উপহার দিয়েছে, স্বাধীনতা দিয়েছে। আপনারা ২৮ তারিখে নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে নৌকাকে জয়যুক্ত করে নারী নেতৃত্বের ও নারীর অধিকার রক্ষা করার সুযোগ দিবেন।

 

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, দীঘিনালা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ কাশেম।

 

এছাড়াও সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন, দিলরুবা জামান শেলী-সাংগঠনিক সম্পাদক বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামী লীগ, শতরূপা চাকমা মহিলা সম্পাদিকা ও সদস্য খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদ, ক্রাসারু মারমা- খাগড়াছড়ি সভাপতি জেলা মহিলা আওয়ামীলীগ, শাহিনা আক্তার- জেলা পরিষদ সদস্য ও সাধারণ সম্পাদিকা খাগড়াছড়ি মহিলা আওয়ামীলীগ, নিগার সুলতানা- সাবেক জেলা পরিষদ সদস্য ও সহ-সভাপতি খাগড়াছড়ি জেলা মহিলা আওয়ামীলীগ, অন্তরা খীসা-সাংগঠনিক সম্পাদক খাগড়াছড়ি জেলা মহিলা আওয়ামীলীগ, ফারজানা আজম-সাধারণ সম্পাদক খাগড়াছড়ি জেলা যুব মহিলালীগ,

সীমা দেওয়ান সভানেত্রী ভাইস চেয়ারম্যান- দীঘিনালা উপজেলা পরিষদ ও মাহমুদা বেগম লাকির সহ বিভিন্ন নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অরবিন্দ কুমার মণ্ডল, কয়রা, খুলনাঃ

খুলনার কয়রায় জনপ্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
১৬ জুলাই মঙ্গলবার দুপুর ১২ টায় উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ খুলনা জেলার আয়োজনে ও কয়রা উপজেলা প্রশাসনের সহযোগীতায় এ সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুলী বিশ্বাসের সভাপতিত্বে সচেতনতামূলক সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান জি এম মোহসিন রেজা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাসিমা আলম।
এসময় আরও উপস্হিত ছিলেন, কয়রা সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এস এম বাহারুল ইসলাম, উত্তর বেদকাশী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সরদার নুরুল ইসলাম কোম্পানি, দক্ষিণ বেদকাশী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আছের আলী মোড়ল, মহারাজপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবদুল্লাহ আল মাহমুদ, মহেশ্বরীপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শাহনেওয়াজ শিকারী, বাঙ্গালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুস সামাদ গাজী, আমাদী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান জুয়েল সহ সাতটি ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যবৃন্দ।

নিরাপদ খাদ্যের মূল প্রবন্ধ উপস্হাপন করেন খুলনা জেলা নিরাপদ খাদ্য অফিসার মোঃ মোকলেছুর রহমান।

কয়রায় নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত।

মুক্তাগাছা প্রতিনিধি:

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুরের দায়ের কোপে ভাতিজা বউ শিউলী আক্তার খুন হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার সকাল ৭টার দিকে উপজেলার বাঁশাটি ইউনিয়নের গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানাযায়, উপজেলার গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামের বাসিন্দা সিএনজি চালক শরিফুল ইসলামের স্ত্রী শিউলী আক্তার (৩০) স্বপরিবারে ঘুমাচ্ছিল। এ সময় তার চাচা শ্বশুর মৃত নেওয়াজ আলীর পুত্র সোলায়মান মিয়া তাদেরকে ডাকা ডাকি করে ঘর থেকে বের হতে বলে। দরজা খুলে শরিফুল ও তার স্ত্রী শিউলী ঘর থেকে বের হলে সোলায়মান তাদেরকে অকথ্য ভাষায় গালিগালজ করে। এক পর্যায়ে সোলায়মানের হাতে থাকা দা দিয়ে এলোপাতারি কোপাতে শুরু করে। সোলায়মান দা’ দিয়ে শিউলীর ঘাড়ে কোপ দিলে শিউলী ঘটনাস্থলেই মারা যায়। পরে সোলায়মান দা নিয়ে শরিফুলকে ধাওয়া দিলে শরিফ প্রাণ বাঁচাতে পুকুরে লাফ দিয়ে প্রণে বাঁচায়। পরে প্রতিবেশীরা এসে তাকে উদ্ধার করে।
নিহত শিউলী একই উপজেলার মুজাটি গ্রামের মৃত হামেদ আলীর মেয়ে। গত ১২ বছর আগে তাদের বিয়ে হয়। শিউলর ৫ মাসের মেয়ে শিশুসহ ৩ কন্যা সন্তান রয়েছে।
উল্লেখ্য গত শুক্রবার বিকেলে শিউলীর ৬ বছরের মেয়ে লামিয়া এর সাথে সোলায়মানের পুত্রের তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে ঝগড়া হয়। সেই ঝগড়ার জেরেই সকালে নিহতের বাড়িতে এসে তাদের ঘুম থেকে ডেকে এ খুনের ঘটনা ঘটান।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে মুক্তাগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) জহিরুল ইসলাম মুন্না জানান, শনিবার সকালে উপজেলার গোয়ারী উত্তর গ্রামে হত্যার ঘটনা ঘটে। থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে পাঠায়। মামলার প্রস্তুতি চলছে। এঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুড়ের দায়ের কোপে ৩ সন্তানের জননী খুন।