২২শে জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৭ই শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।সোমবার

দাগনভূঞা প্রবাসী ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ১লাখ ৫শ টাকা মানবিক অনুদান পেল নজরুলের পরিবার ।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

 

 

আবদুল্লাহ আল মামুন:

ফেনীর দাগনভূঞায় ক্যান্সার আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণকারী মোঃ নজরুল ইসলামের পরিবারের মাঝে প্রবাসীদের মানবিক সংগঠন “দাগনভূঞা প্রবাসী ফাউন্ডেশন” এর উদ্যোগে ১ লাখ ৫শ টাকা অনুদানের চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠান বৃহস্পতিবার (২৫ নভেম্বর) দুপুরে দাগনভূঞা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।

 

“দাগনভূঞা প্রবাসী ফাউন্ডেশন” এনিয়ে ১০টি মানবিক অনুদান প্রদান করেছেন।

 

অনুষ্ঠানে ফাউন্ডেশনের আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার মোঃ সেলিমের পরিচালনায় প্রধান অতিথি’র বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান দিদারুল কবীর রতন। বিশেষ অতিথি’র বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ শাহীন মুন্সী, পৌর কাউন্সিলর মোঃ একরামুল হক, ফাউন্ডেশনের যুগ্ম আহ্বায়ক দেলোয়ার হোসেন রিংকু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফজলুল হক রুবেল। আরও উপস্থিত ছিলেন, দাগনভূঞা প্রেসক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ আল মামুন, ৬ নং সদর ইউনিয়ন আওয়ামী যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ সাইফুল ইসলাম, জামাল উদ্দিন রনি, কাতার শাখার সভাপতি জানে আলম, যুগ্ম আহ্বায়ক কেন্দ্রীয় কমিটির উদ্দোক্তা প্যানেল আমির হোসেন মুন্সি, সমন্বয়ক ও মডারেটর রিয়াদ শাখা নজরুল ইসলাম, নির্বাহী সদস্য ও সমন্বয়ক ওমান শাখা জিয়া উদ্দিন টিটু, কোষাধ্যক্ষ কাতার শাখা মোঃ শহীদ উল্লাহ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কাতার শাখা মোঃ জাফর, সমন্বয়ক কুয়েত শাখা মনির আহমেদ, সমন্বয় দক্ষিণ আফ্রিকা রাসেল চৌধুরী, সমন্বয় আফ্রিকা একরামুল হক ও আহ্বায়ক সদস্য সৌদি আরব শাখা মোঃ মামুনসহ ফাউন্ডেশনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

 

এসময় ক্যান্সার আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণকারী নজরুলের আত্মার শান্তি কামনা করে ও প্রবাসীদের মানবিক সংগঠন দাগনভূঞা প্রবাসী ফাউন্ডেশনের সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান দিদারুল কবীর রতন বলেন, প্রবাসীদের এ মানবিক অনুদান দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। ক্যান্সার আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণকারী প্রবাসী নজরুলের ছোট দুটি শিশু সন্তান লেখাপড়ার খরচসহ তার পরিবার এ টাকা সঞ্চয় করে পরিবারের দৈনন্দিন খরচ চালানোর সহায়ক হবে। তিনি উক্ত ফাউন্ডেশনের উত্তরোত্তর সফলতা কামনা করেন।

 

উল্লেখ্য, নজরুল দীর্ঘদিন মরণব্যাধি ক্যান্সার আক্রান্ত রোগে ভুগছিলেন। তিনি কত কয়েক মাস আগে মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুকালে তিনি দুই কন্যা শিশু সন্তান ও স্ত্রী রেখে যান। নজরুল উপজেলার ইয়াকুবপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ ধর্মপুর (এতিমখানা বাজার) আব্বাস আলী পাটোয়ারী বাড়ির আলী আকবরের ছেলে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অরবিন্দ কুমার মণ্ডল, কয়রা, খুলনাঃ

খুলনার কয়রায় জনপ্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
১৬ জুলাই মঙ্গলবার দুপুর ১২ টায় উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ খুলনা জেলার আয়োজনে ও কয়রা উপজেলা প্রশাসনের সহযোগীতায় এ সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুলী বিশ্বাসের সভাপতিত্বে সচেতনতামূলক সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান জি এম মোহসিন রেজা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাসিমা আলম।
এসময় আরও উপস্হিত ছিলেন, কয়রা সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এস এম বাহারুল ইসলাম, উত্তর বেদকাশী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সরদার নুরুল ইসলাম কোম্পানি, দক্ষিণ বেদকাশী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আছের আলী মোড়ল, মহারাজপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবদুল্লাহ আল মাহমুদ, মহেশ্বরীপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শাহনেওয়াজ শিকারী, বাঙ্গালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুস সামাদ গাজী, আমাদী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান জুয়েল সহ সাতটি ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যবৃন্দ।

নিরাপদ খাদ্যের মূল প্রবন্ধ উপস্হাপন করেন খুলনা জেলা নিরাপদ খাদ্য অফিসার মোঃ মোকলেছুর রহমান।

কয়রায় নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত।

মুক্তাগাছা প্রতিনিধি:

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুরের দায়ের কোপে ভাতিজা বউ শিউলী আক্তার খুন হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার সকাল ৭টার দিকে উপজেলার বাঁশাটি ইউনিয়নের গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানাযায়, উপজেলার গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামের বাসিন্দা সিএনজি চালক শরিফুল ইসলামের স্ত্রী শিউলী আক্তার (৩০) স্বপরিবারে ঘুমাচ্ছিল। এ সময় তার চাচা শ্বশুর মৃত নেওয়াজ আলীর পুত্র সোলায়মান মিয়া তাদেরকে ডাকা ডাকি করে ঘর থেকে বের হতে বলে। দরজা খুলে শরিফুল ও তার স্ত্রী শিউলী ঘর থেকে বের হলে সোলায়মান তাদেরকে অকথ্য ভাষায় গালিগালজ করে। এক পর্যায়ে সোলায়মানের হাতে থাকা দা দিয়ে এলোপাতারি কোপাতে শুরু করে। সোলায়মান দা’ দিয়ে শিউলীর ঘাড়ে কোপ দিলে শিউলী ঘটনাস্থলেই মারা যায়। পরে সোলায়মান দা নিয়ে শরিফুলকে ধাওয়া দিলে শরিফ প্রাণ বাঁচাতে পুকুরে লাফ দিয়ে প্রণে বাঁচায়। পরে প্রতিবেশীরা এসে তাকে উদ্ধার করে।
নিহত শিউলী একই উপজেলার মুজাটি গ্রামের মৃত হামেদ আলীর মেয়ে। গত ১২ বছর আগে তাদের বিয়ে হয়। শিউলর ৫ মাসের মেয়ে শিশুসহ ৩ কন্যা সন্তান রয়েছে।
উল্লেখ্য গত শুক্রবার বিকেলে শিউলীর ৬ বছরের মেয়ে লামিয়া এর সাথে সোলায়মানের পুত্রের তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে ঝগড়া হয়। সেই ঝগড়ার জেরেই সকালে নিহতের বাড়িতে এসে তাদের ঘুম থেকে ডেকে এ খুনের ঘটনা ঘটান।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে মুক্তাগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) জহিরুল ইসলাম মুন্না জানান, শনিবার সকালে উপজেলার গোয়ারী উত্তর গ্রামে হত্যার ঘটনা ঘটে। থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে পাঠায়। মামলার প্রস্তুতি চলছে। এঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুড়ের দায়ের কোপে ৩ সন্তানের জননী খুন।