২৩শে জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৮ই শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।মঙ্গলবার

দলীয় নির্দেশনা অমান্য ও শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে রংপুরের কাউনিয়ার তিন ইউনিয়নের ৫ বিদ্রোহী চেয়ারম্যান প্রার্থীকে দল থেকে বহিস্কার।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

 

রিয়াজুল হক সাগর, রংপুর জেলা প্রতিনিধিঃ

দলীয় নির্দেশনা অমান্য ও শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে রংপুরের কাউনিয়ার তিন ইউনিয়নের ৫ বিদ্রোহী চেয়ারম্যান প্রার্থীকে দল থেকে বহিস্কার করেছে উপজেলা আওয়ামী লীগ। সোমবার বিকেলে দলীয় কার্যালয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আনোয়ারুল ইসলামের বর্ধিত সভায় সকলের মতামতের ভিত্তিতে ৫ বিদ্রোহী প্রার্থীকে তাদের স্ব-স্ব পদ থেকে বহিস্কার করা হয়।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, আগামী ২৮ অক্টোবর কাউনিয়া উপজেলার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে দলীয় নির্দেশনা অমান্য করে বালাপাড়া ইউনিয়নে উপজেলা আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক আবু ফেরদৌস মো. মোহসীন হিরা, উপজেলা যুবলীগের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ইউসুফ আলী, টেপামধুপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য রাশেদুল ইসলাম, হারাগাছ ইউনিয়নে উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মাহফুজার রহমান বসুনিয়া, কুর্শা ইউনিয়নে রংপুর জেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ-সভাপতি আব্দুল মজিদ দলের সিদ্ধান্তকে অমান্য করে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। এ কারণে তাদের স্ব-স্ব পদ থেকে বহিস্কার করা হয়েছে।

ওই সভায় জানানো হয় এরপর আওয়ামী লীগের কেউ যদি দলীয় প্রার্থীকে সমর্থন বা দলীয় প্রার্থীর বিপক্ষে কাজ করে তা হলে তাদেরকে নামের তালিকা করে পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হান্নান, সিনিয়র সহ সভাপতি জয়নাল আবেদীন, সহ-সভাপতি আব্দুল জলিল, শফিকুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক জাহাঙ্গীর হাসান, বালপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আনছার আলী, সাধারণ সম্পাদক দিলদার আলী প্রমুখ।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অরবিন্দ কুমার মণ্ডল, কয়রা, খুলনাঃ

খুলনার কয়রায় জনপ্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
১৬ জুলাই মঙ্গলবার দুপুর ১২ টায় উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ খুলনা জেলার আয়োজনে ও কয়রা উপজেলা প্রশাসনের সহযোগীতায় এ সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুলী বিশ্বাসের সভাপতিত্বে সচেতনতামূলক সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান জি এম মোহসিন রেজা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাসিমা আলম।
এসময় আরও উপস্হিত ছিলেন, কয়রা সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এস এম বাহারুল ইসলাম, উত্তর বেদকাশী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সরদার নুরুল ইসলাম কোম্পানি, দক্ষিণ বেদকাশী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আছের আলী মোড়ল, মহারাজপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবদুল্লাহ আল মাহমুদ, মহেশ্বরীপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শাহনেওয়াজ শিকারী, বাঙ্গালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুস সামাদ গাজী, আমাদী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান জুয়েল সহ সাতটি ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যবৃন্দ।

নিরাপদ খাদ্যের মূল প্রবন্ধ উপস্হাপন করেন খুলনা জেলা নিরাপদ খাদ্য অফিসার মোঃ মোকলেছুর রহমান।

কয়রায় নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত।

মুক্তাগাছা প্রতিনিধি:

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুরের দায়ের কোপে ভাতিজা বউ শিউলী আক্তার খুন হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার সকাল ৭টার দিকে উপজেলার বাঁশাটি ইউনিয়নের গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানাযায়, উপজেলার গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামের বাসিন্দা সিএনজি চালক শরিফুল ইসলামের স্ত্রী শিউলী আক্তার (৩০) স্বপরিবারে ঘুমাচ্ছিল। এ সময় তার চাচা শ্বশুর মৃত নেওয়াজ আলীর পুত্র সোলায়মান মিয়া তাদেরকে ডাকা ডাকি করে ঘর থেকে বের হতে বলে। দরজা খুলে শরিফুল ও তার স্ত্রী শিউলী ঘর থেকে বের হলে সোলায়মান তাদেরকে অকথ্য ভাষায় গালিগালজ করে। এক পর্যায়ে সোলায়মানের হাতে থাকা দা দিয়ে এলোপাতারি কোপাতে শুরু করে। সোলায়মান দা’ দিয়ে শিউলীর ঘাড়ে কোপ দিলে শিউলী ঘটনাস্থলেই মারা যায়। পরে সোলায়মান দা নিয়ে শরিফুলকে ধাওয়া দিলে শরিফ প্রাণ বাঁচাতে পুকুরে লাফ দিয়ে প্রণে বাঁচায়। পরে প্রতিবেশীরা এসে তাকে উদ্ধার করে।
নিহত শিউলী একই উপজেলার মুজাটি গ্রামের মৃত হামেদ আলীর মেয়ে। গত ১২ বছর আগে তাদের বিয়ে হয়। শিউলর ৫ মাসের মেয়ে শিশুসহ ৩ কন্যা সন্তান রয়েছে।
উল্লেখ্য গত শুক্রবার বিকেলে শিউলীর ৬ বছরের মেয়ে লামিয়া এর সাথে সোলায়মানের পুত্রের তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে ঝগড়া হয়। সেই ঝগড়ার জেরেই সকালে নিহতের বাড়িতে এসে তাদের ঘুম থেকে ডেকে এ খুনের ঘটনা ঘটান।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে মুক্তাগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) জহিরুল ইসলাম মুন্না জানান, শনিবার সকালে উপজেলার গোয়ারী উত্তর গ্রামে হত্যার ঘটনা ঘটে। থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে পাঠায়। মামলার প্রস্তুতি চলছে। এঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুড়ের দায়ের কোপে ৩ সন্তানের জননী খুন।